20/05/2024
যদিও আমাদের দায়িত্বের মধ্যে ছিল কিন্তু সেই কর্তব্য পালনে আমরা ব্যর্থ ছিলাম! শেষপর্যন্ত রাজ্যের শিক্ষা বিভাগের বহু নাটকীয়তার পর শিলচর (কাছাড়)-এ গিয়ে যখন করিমগঞ্জ-হাইলকান্দির পড়ুয়ারা সিইউইটি (CUET) পরীক্ষা দিতে বাধ্য হয়ে পড়েছিল, কিন্তু আগামী ২৪ তারিখের বাংলা এবং পরিবেশ বিষয়ক (EVS) পরীক্ষা কেন্দ্র অধিকাংশ শিক্ষার্থীর সেন্টার পড়েছে গুয়াহাটি, তেজপুর, ধুবড়ি, ডিব্রগড়, যোরহাট, শিলং ও আগরতলা সহ আসামের অন্যান্য জেলায়। যা শিক্ষার্থীদের জন্য একটা হয়রানি এবং পরিকল্পিতভাবে বঞ্চনা বলে আমরা মনে করছি। এনিয়ে আজ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে করিমগঞ্জের জেলা আয়ুক্তের কাছে একটি স্মারকপত্র তুলে দেই। উল্লেখ্য প্রথমাবস্থায় ১৫ তারিখের পরীক্ষা দিতে গিয়ে যানজট ও বিভিন্ন দুর্ঘটনার কবলে পড়ে অনেক পড়ুয়াই পরীক্ষা দিতে পারেননি! একদিকে দারিদ্র্যতা ও জেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে অনেকেই কাছাড় জেলায় গিয়ে পরীক্ষা দিতে পারেননি বিশেষ করে মেয়েরা বঞ্চিত হয়েছেন। এছাড়াও আগামী ২৪ তারিখের পরীক্ষা বহিঃরাজ্য ও উপত্যকার বাইরে গিয়ে দেওয়া এতদঞ্চলের পরীক্ষার্থীদের অনেকেরই সম্ভব হবে না বলে আমরা মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সহ শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে আমাদের একটাই দাবি হলো এবছর যারা ইতিমধ্যে CUET পরীক্ষা দিতে পারেননি এবং আগামী ২৪ তারিখের পরীক্ষা যারা দেবেন না তাদের সবাইকে স্নাতকে ভর্তির সুযোগ দেওয়া হোক। শিক্ষা বিভাগ তাদের ব্যর্থতা স্বীকার করে নিয়ে CUET পরীক্ষা ছাড়াই সকল উচ্চমাধ্যমিক উত্তীর্ণ পড়ুয়াদের স্নাতকে ভর্তি নিক। নতুবা আগামী দিনে বিভিন্ন সংগঠনের সহযোগে আমরা বৃহত্তর আন্দোলন সহ হাইকোর্টের দারস্থ হতেও পিছুপা হবো না||