24/06/2026
আজকে বর্গাচাষীদের আবেদনের ভিত্তিতে সরজমিন তদন্ত হলো খড়গপুর অন্তর্গত ঝরিয়া মৌজায়
প্রায় তিন বছর যাবৎ জ্বরপূর্বক ভাবে বর্গা চাষীদের উচ্ছেদ করার চেষ্টা চালিয়ে রেশমি মেটালিক্স নামক স্পঞ্জ আয়রন কারখানা দালাল মারফতে বর্গা চাষীদের না জানিয়ে জমি বেআইনিভাবে হস্তান্তর করার চেষ্টা চালায়। প্রায় ৬০ বছরে ঊর্ধ্বে উক্ত জমিতে আদিবাসী এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ চাষাবাস করে আসতো। রেশমি মেটালিক্স কোম্পানি কাউকে কোন কিছু না জানিয়ে জায়গা দখল করা শুরু করে তৎপর বর্গা চাষিরা প্রতিবাদ করে আন্দোলন শুরু করে এবং কোম্পানির সাথে বসে আলোচনার মাধ্যমে একটি সমাধান বের করার বহুবার মিটিং হয় কিন্তু কোন রকম সুরাহ করা যায়নি তিন বছর যাবৎ জল জমি চাষযোগ্য জমি কে তারা বেআইনিভাবে দখল করার চেষ্টা চালিয়ে যায় এমতাবস্থায় একটি কমিটি গঠন করে যার প্রতিনিধিত্ব করেন শ্যাম হেমব্রম ও মেহবুব আলি খান সহ আরো অনেকেই ।অদ্য 24/06/26 তারিখে খড়গপুর 1 ব্লক অন্তর্গত ভূমি দপ্তর থেকে সরজমিন তদন্ত করা হয়। এবং বর্গা চাষীদের যাবতীয় কাগজপত্র প্রমাণ পত্র যাচাই করে উক্ত জমি সমূহের কাগজপত্রাদি এখন বিচারাধীন রহিয়াছে। বক্তব্যের সমর্থনে আজকের শুনানিতে মৌখিকভাবেও বর্গা ও পাট্টাদারেরা জানিয়েছেন এই রেশমি মেটালিক্স এর সাথে আপোষ আর কোন বৈঠক উনারা করবেন না।
বর্গাদার ও পাট্টাদার আরো বলেন যে, যেভাবে পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে এই কোম্পানি দূষণ ছড়াচ্ছে দূষিত করছে জলবায়ু আবহাওয়া এবং চাষযোগ্য জমি কালো ছাই দ্বারা ভরাট করছে আমাদের জায়গা পুনরায় প্রত্যাবর্তন এর ব্যবস্থা উপযোগী করা হোক এবং পুনরায় আমরা চাষাবাদ করতে করতে পারি।