XNAT - Explore the Nature

XNAT - Explore the Nature Pranab Chowdhury.

This page is based on environment or nature , where we will traveled with a dreamy exile to our destination , having a lots of unknown places , uncanny situations , wonderful scenarios writing with you ,
thanks & regards ..

Project Tiger head সঞ্জয় কুমারের রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতের ৫৮ টি ব্যাঘ্র প্রকল্পের মধ্যে ২৫  টিতে বাঘের সংখ্যা অতি কম। এর ম...
29/06/2026

Project Tiger head সঞ্জয় কুমারের রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতের ৫৮ টি ব্যাঘ্র প্রকল্পের মধ্যে ২৫ টিতে বাঘের সংখ্যা অতি কম। এর মধ্যে ১৩ টি যেমন - ওড়িশার সাতকোশিয়া, ছাত্তিশগড় এর ইন্দ্রাবতী, তেলেঙ্গানার কাওয়াল, ঝাড়খণ্ডের পালামু অথবা পশ্চিমবঙ্গের বক্সায় বাঘের সংখ্যা -০০০.
এই সংখ্যায় মিজোরামের ডাম্পা এবং অরুণাচলের কামলাঙ ও অন্তরভুক্ত। যদিও এই পাহাড়ি অঞ্চল দুটিতে বাঘের খাদ্য নেই, তাছাড়া চোরা শিকারীর আধিপত্য বিশাল ; কিন্তু সমতলের যে জঙ্গল গুলি ব্যাঘ্র হীন হয়ে রয়েছে তা বনদপ্তরের একর্মণ্যতা এবং স্থানীয় মানুষদের প্রকৃত শিক্ষার অভাবের জন্য দায় করা যেতে পারে।
এই ২৫ টি ব্যাঘ্র প্রকল্পের মধ্যে ১২ টিতে বাঘের পুনর্বাসন সম্ভব হয়েছে, যার উল্লেখযোগ্য বনাঞ্চল হলো - মহারাষ্ট্রের নভেগাঁও, ওড়িশার সিমিলিপাল, মধ্য প্রদেশের সঞ্জয় ডুবড়ি ও পান্না।
আমি ২০০৭ সালে MP Tourism এর Trailing Tiger নামে একটা প্ল্যান booking করতে গিয়ে পান্না জঙ্গলের কাহিনীর ব্যাপারে শুনেছিলাম। পরে রাজস্থানের সরিস্কা ও বাঘ হীন বনের তকমা পেয়েছিল, এগুলো সবই ২০০৭-২০১০ 'র ঘটনা। আজ সরিস্কা ও পান্নায় বাঘের সংখ্যা যথাক্রমে ৬০ এবং ৮৮। এই দুঃখজনক ঘটনার দায় চোরা শিকার, তৃণভোজি পশুর সংখ্যা হ্রাস, বাঘ বনের সংকোচন, বাঘের পাশাপাশি বনে চলার রাস্তায় নগরায়ণ করে ফেলা, জমি দখল এর মতো ঘটনা জারি থেকে যাওয়া।
এই যে ১৩ টি ব্যাঘ্র প্রকল্পের নাম বললাম, সেগুলি কিন্তু Project Tiger এর Potential Recipient Sites বা পুনর্নাসন এর জন্য সম্ভবনাময় অঞ্চলের মধ্যে গণ্য হয়েছে।
পরিবেশ মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব সম্প্রতি এক বক্তব্যে লাগাতার ভাবে পাশ্ববর্তী গ্রামগুলির জনগণের মধ্যে পরিবেশ সম্বন্ধিয় সচেতনতা আনার এবং উল্লিখিত বনাঞ্চল টির পুঁক্ষানুপুনখ জরিপ চালানোর উপরে জোড় দেওয়ার জন্য বনদপ্তর কে নির্দেশ দিয়েছেন। এই বনে বাস করা জীব বৈচিত্রের জেনেটিক, অরণ্যের ভৌগোলিক, এবং পরিবেশটির সাথে জীব জগতের খাপ খাওয়ানোর অভিযোজনের দিকে খুব তীক্ষ্ণ ভাবে পর্যবেক্ষণ চালিয়ে তবেই পুনর্বাসন এর ব্যাপারে এগোতে বলেছেন।
২০১৮ তে সাতকোশিয়া তে কানহা ও বান্ধবগড় থেকে দুটি বাঘ এনে পুনর্বাসন এর চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু তার আগে অরণ্যকে ঠিক মতো না বিন্যাস করার ফলে, বাঘ দুটি পার্শ্ববর্তী গ্রামের গবাদী পশু হত্যা করতে থাকায় স্থানীয় লোকেরা বিষ প্রয়োগ করে সেগুলি মেরে ফেলে। অথচ দেখুন, এই পালামু ১৯৭০ সালে প্রথম ব্যাঘ্র সংরক্ষন প্রকল্পের আওতায় ছিলো, অথচ আজকে সেখানে বাঘের সংখ্যা শূণ্য ।
সাধারণত কর্ণাটকের বান্দিপুর, রাজস্থানের রানথাম্ভর, মধ্যপ্রদেশের কানহা এবং উত্তরাখন্ডের করবেট বাঘের সংখ্যা, তাদের খাদ্য এবং পরিবেশীয় প্রাচুর্যের এক আদর্শ নিদর্শন। এই অরণ্য গুলি থেকে নিয়মিত বাঘের বিনিময় ঘটে সেই সব অরণ্যে যেখানে বাঘের সংখ্যা অসামঞ্জস্য পূর্ণ হয়ে গিয়েছে।
জাতীয় ব্যাঘ্র প্রকল্পের তরফ থেকে পূর্ব ভারতের বক্সা ও পালামু কে পুনরায় বাঘের আবাসস্থল হিসাবে গড়ে তোলার সরকারি প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের নতুন গভর্নমেন্ট এব্যাপারে যথাযথ সাহায্যের হাত ও বাড়িয়ে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের বাঘ পুনর্নাসনের রূপরেখা চূড়ান্ত করে ফেলেছে।
ফলে, অদূর ভবিষ্যতে পূর্ব ভারতের বাসিন্দারা বাঘ দেখতে মহারাষ্ট্রে অথবা মধ্যপ্রদেশে যাওয়ার জন্য মনে আর উদগ্র বাসনা না ও রাখতে পারেন।
# # # নিচের ছবিগুলি pench অরণ্যে - Rik Chowdhury র তোলা।

The devil of the Central India... In a dusky activities.
15/06/2026

The devil of the Central India... In a dusky activities.

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে সকল ফেবু বন্ধুদের জন্য রইলো এক বুক অক্সিজেন নেওয়ার অধিকারের অঙ্গীকার। ৫ ই জুন জেনেভা র মূল অফিস সহ পৃ...
08/06/2026

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে সকল ফেবু বন্ধুদের জন্য রইলো এক বুক অক্সিজেন নেওয়ার অধিকারের অঙ্গীকার।
৫ ই জুন জেনেভা র মূল অফিস সহ পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তে পরিবেশ শুদ্ধকরণের আহ্বান, এবারে আয়োজক দেশ হিসাবে আজারবাইজন পতাকা তুলে ধরেছে।
এবারের গ্লোবাল থিম টি - . যার মানেটা হলো, Nature based solution to climate change & the urgency of restoring ecosystem.

প্রসঙ্গত, আমার বাড়ির পাশেই একটা Ramsar Site আছে যা নিয়ে লিখে ফেলবো কখনো ভাবিনি ।
তো, এই Ramsar Site টি হলো এক জলা জায়গা, যেটি প্রকৃতি এবং মানুষ উভয়ের দ্বারাই সৃষ্টি হয়। কাদা, জোলো, গাড্ডা যুক্ত, গাঢ় পাঁকময়, নদীর পাড়, ব দ্বীপ, ধান জমি, পুকুর বা ম্যানগ্রোভ যা কিছুই হতে পারে। শর্ত হতে হবে, স্থানটিতে জীব বৈচিত্রে পরিপূর্ণ হতে হবে। বিভিন্ন উদ্ভিদ সহ জলজ পাখি ও জলচর জীবের সমারোহ থাকতেই হবে। এখানে শীতকালীন পরিযায়ী পাখিদের ভীড় এবং মাছচাষের সক্রিয়তা নিশ্চিতভাবে আবশ্যক।
আমার বাড়ি থেকে একটু হাঁটাপথে এগোলে, রাজ্যের দুধ তৈরির কারখানাটার আশপাশের এলাকা টি থেকে শুরু হয়ে একটু এগিয়ে বাঁদিকে এম আই জি সরকারি আবাসনের গলিতে ঢুকে বাঁদিক বরাবার এই Ramsar Site শুরু হয়ে যাবে। প্রায় ০. ৫০ কিমি রাস্তা এই আবাসন পেড়িয়ে একটু এগোনোর পরে একটা বড়ো দীঘি বা ঝিল পড়বে ; এই জলাধারটি বিভিন্ন মৎস্য - রুই, কাতলা, মাগুর, সিঙ্গি, কালবোস, মৃগেলে পরিপূর্ণ। রমেন বর্মন ঐ পুকুরে নিয়মিত ছিপ নিয়ে বসতেন, তাঁর মুখে শোনা, কিছুদিন আগেও সপ্তাহে ২০০০/- পুকুর কমিটিকে দিয়ে যত খুশি মাছ ছিপ দিয়ে ধরা যেত।
আবাসনের ভিতরে বাঁদিকে তিনটে মাঝারি ও ছোট পুকুর আছে, যেগুলি মাছে পরিপূর্ণ, এবং মাঝেমধ্যে মাছ ধরা হয় বলেও শুনেছি। এই পুকুরগুলির পিছনে একটি মাঠ এবং সেটিতে দুর্গাপূজার মঞ্চ রয়েছে, যেখানে পূজা হয়। এই জলাশয়গুলির সংলগ্ন বনাঞ্চল এবং জলাভূমি ও প্রাকৃতিক বৈচিত্রে ভরা। ছায়াশীতল শান্ত ও স্থির জলের আশপাশের জঙ্গলে বহু পাখি ও জলচর পাখি সারাদিন দেখা যায়। গ্রীষ্মের দুপুরে রাস্তাটা দিয়ে গেলে কাক - চড়াই ছাড়াও কোকিল, বুলবুলি, ঘুঘু, শালিক, ফিঙে, কাটঠোকরা, কোঁচ বক, নিশি বক , আর কখনো সখনো এর্গেট (লম্বা গলার সাদা বক ) ও পানকৌড়ি চোখে পড়ে। শীতকালে শুধু এই জলাভূমি গুলোতেই এতো পরিযায়ী জলচর পাখি ও বকের আগমন ঘটে যে দত্তবাগান ও বেলগাছিয়া যাওয়ার পথে রাস্তা সহ গাছগুলো পাখির বিষ্ঠায় সাদা আকার ধারণ করে, এবং এই পাখিগুলো মাংসাশী হওয়ায় বিষ্ঠাগুলির আঁসটে গন্ধে চলাপথে হাঁটা দায় হয়ে পড়ে। দূর থেকে দেখলে জায়গাটি পুঞ্জিভূত বরফে ঢাকা একটা স্থান বলে মনে হয়।
আবাসন পার হয়ে সোজা বেলগাছিয়া মেট্রো স্টেশনের দিকে না এগিয়ে, ঝিলের বাঁদিক দিয়ে একটা পিচ বাঁধা রাস্তা, যেটি দূরে চিৎপুর ইয়ার্ড এর দিকে চলে গেছে, এবং রাস্তাটির বাঁদিকটি একটানা বেশ ঘন বনে আকীর্ণ , যা শেষ হয়েছে দুগ্ধগারের শেষমাথার গেটের সামনে আরেকটি জলাশয়ের কাছে এসে। শুরু থেকে শেষ অবধি রাস্তাটি প্রায় ১. ২ কিমি , এটি শালবনি ঝিল নামে পরিচিত, এই ঝিলের জল বর্ষায় প্লাবিত হয়ে সংলগ্ন রেলপথটি জলমগ্ন করে দেয় । পাশেই শালবনি আবাসন থাকায় ঝিলটির এরকম নামকরণ হয়ে থাকতে পারে। ইয়ার্ড বরাবর এই রাস্তার ঠিক শুরুতে লালরঙের তাঁরা শঙ্করী পীঠ মন্দির, পুরোহিত তরুণ রায় ও তাঁর পরিবার আমার রুগী।
রাস্তাটার মাঝামাঝি দুগ্ধগারের বিশাল ওভার হেড জলাধার। এই জায়গাটি অতি নির্জন, রাতে শিয়াল, ভাম, কাঠবেড়ালি ছাড়াও গরমকালে ও বর্ষায় প্রচুর সাপ ও কাঁকড়া বিছা দেখা যায়। রেলের ট্র্যাক ম্যান বা গ্যাং ম্যান অথবা আর পি এফ, যারা আমার কাছে আসেন তাঁদের মুখে শুনেছি এই ক্রেট বা চন্দ্রবোড়া এবং কাঁকড়াবিছা গুলো কোনো পাহাড়ি এলাকার থেকে ভরা পাথর বোঝাই মালগাড়িতে চেপে চিৎপুর টারমিনালে চলে আসে। ট্যাংক টির কাছে জায়গাটা ছায়াঘন ও স্যাৎসেতে হওয়ায় এই বিষাক্ত শীতলস্রোনিত প্রাণীগুলি এখানেই বেশি দেখা যায়।
সম্পূর্ণ এলাকাটিতে বহু প্রজাতির উদ্ভিদ আছে, এর মধ্যে বৃক্ষ, ঝোপযুক্ত উদ্ভিদ, ঔষধি উদ্ভিদ ও লতানো উদ্ভিদ এবং গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ দেখা যায়। সিরিশ, খিরিশ, আম, জাম, বট, পাকুড়, অশথথ, বেল, ডুমুর, নারকেল, তাল, সুপারি, কাঁঠাল, নিম, পেঁপে, পেয়ারা, কলা, ছাতিম, আকাশমনি, বাবলা শিমুল, তেঁতুল, অর্জুন বহেরা র মতো বৃক্ষ, থানকুনি, বাসক, এলো ভেরা, তুলসী র মতো ঔষধি, লান্টানা, বৌগেনভিলিয়া র মতো ঝোপ যুক্ত উদ্ভিদ, তেলাকুচো, লতা বট, ডেইসি র মতো লতানো উদ্ভিদ এলাকাটিকে সুদীর্ঘ কাল যাবৎ সবুজ সতেজতায় ভরা এক অবহেলাময়তা দ্বারা পরিপূর্ণ করে রেখেছে।

******* পরিবেশ প্রেমী হিসাবে এই এলাকাটি বন বিভাগের কাছে একটি Ramsar Site হিসাবে ঘোষিত হওয়ার জন্য আবেদন জানালাম।

আমার অনুধাবন ক্ষমতায় সম্ভবত ধার কমে এসেছে। নিজেকে ধিক জানিয়ে লেখা টা শুরু করলাম। আমি ও Rik Chowdhury মল্লিকার্জুনা স্বাম...
21/05/2026

আমার অনুধাবন ক্ষমতায় সম্ভবত ধার কমে এসেছে। নিজেকে ধিক জানিয়ে লেখা টা শুরু করলাম।

আমি ও Rik Chowdhury মল্লিকার্জুনা স্বামীর দর্শনে এতটাই টেন্সড ছিলাম, তার একটা ভ্যালিড কারণ ও ছিল বটে, ব্যাপার টা হলো খুব সকালে বেড়ানো এবং অনেক রাতে ফেরা ছাড়াও, ঘুম ভাঙা ও সারা দিনের ৫০০ কিমির হারভাঙ্গা ধকল, সাথে পুজোর ব্যাপারগুলো ও থাকা।
দেখা গেল আমাদের থেকেও বেশি সতর্ক ছিল আমাদের ড্রাইভার, তার নাম আজমল, হায়দ্রাবাদের ছেলে, ভোর ৫ টাতেই এসে হাজির, আমরা তারই ফোনে ঘুম থেকে উঠে গুছিয়ে নিয়ে স্নান টান সেরে বেরোতে প্রায় সকাল ৬ টা বাজিয়ে ফেললাম। রাস্তা তখনও অন্ধকার।
এক দীর্ঘ যাত্রাময় দিনের শুরু হলো হাইওয়ে তে উঠে। মসৃণ, পিচ্ছিল রাস্তায় গাড়িতে বসে একটু ঝিমঝিম ভাব এসেছে এমন সময় Jyotirmay Pal এর ফোন এলো। হতচকিত হয়ে ফোনটা ধরলাম, যে আশঙ্কা করেছিলাম, তাই.... ওর বাবা খুবই অসুস্থ দেখে আমি মহারাষ্ট্রে বেরিয়েছিলাম, বেচারির আজ সকালেই পিতৃবিয়োগ হয়েছে। খুবই খারাপ লাগছিলো। কারণ আমি প্রায় ২০০০ মাইল দূরে, সংগত কারণে ওর কাছে পৌঁছে সান্ত্বনা দেওয়ার কোনো উপায় নেই।
রাস্তায় একটু চা পান করে ভারাক্রান্ত মনটা হাল্কা করে গাড়িতে বসলাম, আরো ঘন্টাখানেক যাওয়ার পরে রাস্তায় একটা ভ্যান গাড়ির ওপরে তৈরী দোকানে দক্ষিণ ভারতীয় প্রাতরাশটা করার পরে গাড়ি আরও এগিয়ে চলল। প্রায় ৩ ঘন্টা চলার পরে হাইওয়ে থেকে ডানদিকে একটা বাঁক নিয়ে তুলনায় ছোট একটা রাস্তায় গাড়িটা প্রবেশ করে এগোতে থাকলো। এদিকটায় ছোট ছোট বাড়ি, দোকান, কিছু চাষ জমি আর ফাঁকা মাঠ, আরও আধ ঘন্টা চলার পরে, একটা জনপদ পেরিয়ে গাড়ি এসে থামলো তুলনায় ফাঁকা একটা স্থানে, এখানে ড্রাইভার আমাদের ফ্রেস হয়ে নিতে বলে খাবার জল কিনতে গেল, এবং ফিরে এলো, তার থেকে জানলাম এখানে ৫ লিটারের নিচে জল বিক্রি হয় না, তাই সে জল আনতে পারেনি। তাকে পয়সা দিয়ে পুনরায় পাঠানো হলো, এবং ফিরে আসার পরে গাড়ি কিছুটা এগিয়ে একটা চেকপোষ্টের সামনে এসে পৌঁছলো, এটাই হলো নাল্লামুলা অরণ্যের প্রবেশদ্বার, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলেঙ্গানা দুটো রাজ্যের অন্তবর্তী এই বনাঞ্চল, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাঘের আবাসস্থল ও বটে এবং ডোর নালা, শিখরম ও মান্নানুর গেট দিয়ে প্রবেশের অনুমতি মেলে। চেকপোস্ট থেকে ১০০ টাকার এন্ট্রি টিকিট কাটা হলো, ফরেস্ট গার্ডেরা জানালা দিয়ে গাড়ির ভেতরে কোনো প্লাস্টিকের বস্তু বা বর্জ্য পদার্থ আছে কি না দেখে গাড়ি এগোনোর অনুমতি দিল।
প্রবেশের কিছু পরেই এর ব্যাপ্তি চোখে পড়লো, প্রায় ৩৭০০ বর্গকিমি ব্যাপী এই অরণ্য নান্দিয়াল, প্রকাশম, পালনাড়ু, নালগোন্দা ও মেহেবুবনগর, এই ৫ টি জেলার মধ্যবর্তী বিস্তীর্ণ এক বনভূমি। দুদিকে দিগন্তব্যাপী মাঠ, শাল, পাহাড়ি অঞ্চল টি আমরাবাদ, শ্রী শৈলম, পেড্ডাচেরেভু, শিবাপুরম ও নেক্কান্তি নামের মালভূমি দ্বারা গঠিত এক সুপ্রাচীন ভুখন্ড, যা পূর্বঘাট পর্বতমালার এক অংশবিশেষ, লক্ষ বছর পূর্বে আগ্নেয় লাভার উদগীরণে তৈরী হয়েছে। পাহাড়ের ওপর মৌসুমী বায়ুর ধাক্কার প্রবাহে সৃষ্ট কৃষ্ণা নদীধারার প্রবাহ নাগার্জুনাসাগরে থমকে গিয়ে উছলে পড়েছে, এবং তেলেঙ্গানা ও অন্ধ্রপ্রদেশের বিভাজন রেখাকে উপেক্ষা করে বঙ্গপসাগরের দিকে বয়ে চলেছে।
উত্তরে হায়দ্রাবাদ থেকে আমরা দক্ষিণের দিকে চলেছি, এই শ্রী শৈলম পেরিয়ে আরও কিছু মাইল গেলে তিরুপতি পর্বতমালায় পৌঁছে যাওয়া যাবে। দক্ষিণে বাসবপূরাম ও চেলামা দিয়েও শ্রী শৈলম আসার পথ রয়েছে, আর কাছাকাছি রেল স্টেশন কুম্বম ও মার্কাপুর, এই রেলপথে একটি দীর্ঘ টানেল আছে, যা লেপার্ড দের আস্থানা ও বটে ।
অরণ্যভূমি প্রবেশের প্রায় কিছু পরেই আমরাবাদ ব্যাঘ্র প্রকল্পের শুরু। একটি সুসজ্জিত গেট, একটা বাঘের মূর্তি, আর তেলেঙ্গানা ভাষায় লেখা প্রস্তুরফলক। অন্ধ্রর রায়ালাসেমা এবং তেলেঙ্গানার নাগারকুরনুল এর পূর্ব থেকে পশ্চিমে বিস্তৃত। অরণ্যটির বৈশিষ্ট্য হলো এর কোর অঞ্চল বাফারের তুলনায় বেশি, বাফার অঞ্চলে কিছু গ্রাম দেখা যায়। এই গ্রামের অধিবাসিরা দক্ষিণে গাজুলাপল্লী ও উত্তরে এপ্পালাপাদ্দি বা আত্মাকুড় দিয়েও অরণ্যে প্রবেশ করে থাকে।
আমরাবাদ এর জঙ্গলটির দক্ষিনাঞ্চল ঘন অরণ্যপূর্ণ, দক্ষিনাঞ্চলের দ্রাবিদিয়ন অরণ্যগুলির মতোই শুষ্ক, পর্ণমোচি অরণ্য। অনেক গুলো প্রজাতির ছত্রাক দেখলাম, তারমধ্যে ব্ল্যাক ফাংগাস চোখে পড়লো যা অন্য বড়ো গাছের শেকড়ে জন্মায়। ফার্ণের মধ্যেও অনেক গুলো প্রজাতির দেখা মিললো, যার মধ্যে ড্রায়প্টেরিস অন্যতম।
এছাড়া, বাঁশ, চন্দন, জুঁই, সেগুন, অর্জুন এবং দীর্ঘ সভান্না ঘাসের সমারোহ সহ, বাঘ, লেপার্ড, স্লথ ভাল্লুক, সম্বর, চৌশিঙ্গা, চিনকারা, নীলগাই সহ অনেক হরিণ প্রজাতির সঙ্গে পাইথন, কোবরা জাতীয় সাপ এবং মনিটর লিজার্ড বা গোসাপ ও আছে বলে জানলাম, যদিও আমরা শুধুমাত্র Rhesus প্রজাতির বাঁদর বহুসংখ্যায় দেখেছি, আর কোনো প্রাণী আমাদের চোখে পড়েনি।
প্ৰখ্যাত অরণ্যপ্রেমী কেনেথ আন্ডারসন এই অরণ্যে অনেকগুলি অভিযান করেছিলেন, তারমধ্যে পেদ্দেচেরেভু এবং মার্কাপুরের কাছে দ্বিগুভামেট্টার অভিযান দুটি অসাধারণ। জঙ্গলে সাধারণ মানুষের গাড়ি ছাড়া প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ হলেও এখানের আদিবাসী সম্প্রদায়, যারা চেঞ্চচু নামে পরিচিত তাদের জঙ্গলে অবাধ প্রবেশাধিকার। এরা এখনও পর্যন্ত সেভাবে সভ্যতার সাথে মিলে যেতে পারেনি। আমরা অরণ্যে প্রবেশের ঠিক আগে একটা চেঞ্চচু দলকে চেকপোস্ট পার হয়ে বেরিয়ে আসতে দেখেছিলাম, তাদের হাতে গাড়ি থেকে ফেলে দেওয়া কিছু খাদ্যদ্রব্য ও অন্যান্য বর্জ্য বস্তু দেখে মনে হয়েছিল এরা হয়তো বনকর্মীদের এইভাবে সাহায্য করে থাকে। তবে এই চেঞ্চচু রা শুধু অন্ধ্রে নয়, এরা কর্ণাটক, মহারাষ্ট্র, ছত্রিসগড় এবং উরিষ্যয় ও থাকে বলে শুনেছি।
জঙ্গলে যেমন গাড়ি থামানো, ৩০ কিমি এর বেশি গতিতে গাড়ি চালানো, হর্ন বাজানো নিষিদ্ধ ;তেমনি জীবজন্তুদের কোনো কিছু খেতে দেয়া ও কঠোরতার সাথে নিষেধ থাকলেও প্রচুর খাবার বাঁদর, হরিণ ও অন্যান্য তৃণভোজীদের জন্য চলমান গাড়ি থেকে ছুঁড়ে দেওয়া হচ্ছে দেখলাম। প্রায় ৩০ কিমি দীর্ঘ এই জঙ্গল সকাল ৬টা থেকে - রাত ৮ টা পর্যন্ত পর্যন্ত প্রবেশের জন্য খোলা থাকে। রাত ৯ টায় বন্ধ হয়ে যায়।
জঙ্গল শেষ হলে আমাদের গাড়ি এক পাহাড়ি খাড়া রাস্তায় উঠতে শুরু করলো, পাহাড়ের চারদিকে ঘুরতে ঘুরতে প্রায় ৮০০-৯০০ মিটার উঠতে উঠতে বিপরীত দিক থেকে আসা গাড়িকে পাশ দিতে অনেক ক্ষেত্রেই খাদের দিকে ঝুঁকে দাঁড়াতে হচ্ছিল, আমরা প্রায় ৪ ঘন্টার রাস্তা পাড়ি দিয়ে এই পাহাড়ে উঠেছিলাম। এখান থেকে গুগল ম্যাপ অনুযায়ী আরও প্রায় ৫০ কিমি পথ বাকি রয়েছে।
অসমান, সু উচ্চ এই পাহাড়িপথে অনেক চন্দন ও জুঁই ফুলের লম্বা লম্বা গাছ দেখলাম, এই জুঁই ফুলের মালা দিয়ে এই শিবের পূজা দেওয়া হয় বলে মল্লিকার্জুনা স্বামী নামে ভগবান পূজিত হন। পাহাড়ের ধাপে কিছু চাষ জমি দেখলাম, প্রধানত ধান চাষে ব্যবহৃত হয়েছে, কাটা খড়ের নুটি গুলো দেখে বুঝতে পারলাম। দূরে চোখে পড়লো মাল্লেলা থির্থম জলধারা, এবং আক্ষা মহাদেবীর গুহা ;এগুলো পেরিয়ে একটা চুলের কাঁটার মতো বাঁকে এসে গুগল জানালো এই স্থানটি ইগালাপেন্টা, সত্যিই, অসাধারণ.... এইখান থেকে শৈলশীর্ষের এবং গভীর উপত্যকা দুই স্থানের দৃশ্যপট অতিমাত্রায় নয়নাভিরাম।
গাড়ি আরও ২০০ মিটার ওঠার পরে পৌঁছলাম শ্রী শৈলম ভিউ পয়েন্টে।
আমি দুঃখিত, এখানে ভিডিওটা আপলোড করতে পারলাম না, তেলেঙ্গানা ও অন্ধ্রপ্রদেশের প্রধান জল এবং জলবিদ্যুৎ সরবরাহ কারী এই ড্যাম সত্যিই এক আশ্চর্যের বস্তু। ১৬০ ফুট উচ্চ থেকে হয়ে চলা এক অবিরত বারিধারার শীতের সকালের এক তরঙ্গপ্রবাহের সরলতা বর্ষাকালীন ভয়ঙ্কর তীব্রতার যে উন্মাদ বারিপাত ঘটিয়ে থাকে তা ভেবেও চকিত হয়ে যাচ্ছিলাম।
আমরা শ্রী শৈলম ঘাট ধরে এগিয়ে চলেছিলাম, ডানদিকে বাঁক নিয়ে কৃষ্ণা নদীর ল-ম্বা ব্রিজ পেরিয়ে এপারে এসে একটা বড়ো জলবিদ্যুৎ জেনারেশন হাউসের সামনে দিয়ে ঘুরে লিঙ্গলাগাট্টু তে এসে উপস্থিত হলাম। এটাই এখানকার মাছের আড়ৎ। বাজার এলাকা টাতে সকাল থেকে মাছ বিক্রি চলে, তখন একটু বেলা ছিল, তাও কিছু শুটকি মাছ নিয়ে কয়েকজন মেছেনি কে বসে থাকতে দেখলাম, তারা হাতে একটা প্লাস্টিক মোড়া লাঠি নিয়ে মাছি তাড়াচ্ছিল।
লিঙ্গমপেট রোড ধরে গাড়ি আরও এগোনোর পরে সাক্ষী গণপতি স্বামীর মন্দির, সেখান থেকে ১ কিমি মতো দূরত্ব হলো অন্ধ্রপ্রদেশের সরকারি বাস টার্মিনাল, আরও ৩০০ মিটার এগোলে পাহাড়ের একদম শীর্ষদেশে মল্লিকার্জুনা স্বামীর মন্দিরের মূল প্রবেশ তোরণ দ্বার।

24/04/2026

# শ্যামবাজার মোড়ে Rhesus macaque কলা ছেড়ে ঠান্ডার স্বাদ নিচ্ছে....

21/04/2026

Sloth bear and peacock in a waterhole during summer afternoon. Godewada

Sambar deer in the park
21/04/2026

Sambar deer in the park

A female tiger sitting beside the fence. It's manageable to keep 2/3  female tigers in this allotted 25 ha land, but a m...
21/04/2026

A female tiger sitting beside the fence. It's manageable to keep 2/3 female tigers in this allotted 25 ha land, but a male tiger, I think should not be captivated in such short spaces. He needs at least 100 ha areas.

Black buck, reproduced here is an unique efforts of zoo authority, found couple of albino black buck. This is a dominant...
21/04/2026

Black buck, reproduced here is an unique efforts of zoo authority, found couple of albino black buck. This is a dominant male aggressively moving

21/04/2026

This is my first video to capture a dancing peacock.

Address

Priya Mitra Road
Kolkata
700048

Telephone

+919831128809

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when XNAT - Explore the Nature posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to XNAT - Explore the Nature:

Shortcuts

Share