Jana sangha

Jana sangha Jana Sangha - We are the group of BJP OBC MORCHA. We Organized All Type Of Event Of BJP Party. Jana Sangha page

10/08/2026

ষড়যন্ত্র যতই গভীর হোক, সত্যের কাছে শেষ পর্যন্ত তার পরাজয় নিশ্চিত। আজ ষড়যন্ত্রকারীদের সমস্ত ষড়যন্ত্রই বিশ বাঁও জলে।
অন্যায়েহয়র সঙ্গে আপস যেমন কোনোদিন করিনি, তেমন ভবিষ্যতেও করব না। কারণ আমার রাজনীতি কোনো পদের জন্য নয়—আমার রাজনীতি মানুষের জন্য, ন্যায়ের জন্য এবং সত্যের পক্ষে।

....চিঠির হেডারে Sudip Bandyopadhyay, Senior MP (Lok Sabha)-এর নাম রয়েছে। নিচে তাঁর সংসদীয় পদ ও বিভিন্ন কমিটির সদস্যপদ...
08/08/2026

....চিঠির হেডারে Sudip Bandyopadhyay, Senior MP (Lok Sabha)-এর নাম রয়েছে। নিচে তাঁর সংসদীয় পদ ও বিভিন্ন কমিটির সদস্যপদের উল্লেখ আছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে যে, কিছু এলাকায় হিংসা, হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং মানুষকে ভয় দেখানোর মতো ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

চিঠিতে প্রশাসন ও পুলিশের কাছে জরুরি ভিত্তিতে কয়েকটি ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে:

আক্রান্ত এলাকায় পর্যাপ্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করতে হবে।
সাধারণ মানুষ, মহিলা, শিশু ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলিকে নিরাপত্তা দিতে হবে।
হিংসা, অগ্নিসংযোগ, হামলা ও ভয় দেখানোর বিষয়ে তদন্ত করতে হবে।
এসব ঘটনার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের গ্রেফতার করতে হবে, রাজনৈতিক পরিচয় না দেখে।
এলাকায় শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে যে Maniktala, Beleghata, Chowringhee, Jorasanko ইত্যাদি বিধানসভা এলাকায় মানুষ ভয় ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয় ।

📌 দ্বিতীয় পাতায় কী আছে?
দ্বিতীয় পাতায় বলা হয়েছে যে পুলিশকে নাকি আগেও একাধিকবার জানানো হয়েছে এবং সতর্ক করা হয়েছে, কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি।

এরপর কয়েকটি নির্দিষ্ট ঘটনার কথা বলা হয়েছে। যেমন:

Ward No. 40-এর একটি Railway Co-operative Bank-এ কিছু ব্যক্তি ঢোকার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ।

Ward No. 49-এর Surendra Nath College-এর অফিস ভবনে কিছু লোক হামলা/অশোভন কাজ করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

আরও বলা হয়েছে যে কয়েকজন ব্যক্তি আগে Trinamool Congress-এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ৪ মে-র আগে BJP-তে যোগ দিয়েছিলেন, এবং তার পর থেকে হিংসা বেড়েছে—এমন অভিযোগ চিঠিতে রয়েছে।

এরপর ১ থেকে ৩৭ নম্বর পর্যন্ত অনেক ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ চিঠির লেখক তাঁদের এই ঘটনাগুলোর সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন।

শেষে প্রশাসনকে বলা হয়েছে, এই ব্যক্তিদের মধ্যে যারা সত্যিই হিংসা, ভয় দেখানো, হামলা, ভাঙচুর বা অগ্নিসংযোগের সঙ্গে জড়িত, তাঁদের বিরুদ্ধে FIR দায়ের করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে।

এক কথায়
চিঠিটির উদ্দেশ্য হলো পুলিশ ও প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়ে দ্রুত তদন্ত, FIR, নিরাপত্তা এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা।

এক কথায়

চিঠিটির উদ্দেশ্য হলো পুলিশ ও প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়ে দ্রুত তদন্ত, FIR, নিরাপত্তা এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা।

20/07/2026
🙏🙏🇮🇳🙏🙏
06/07/2026

🙏🙏🇮🇳🙏🙏

18/06/2026

পশ্চিমবাংলায় বিজেপির এখন যা অবস্থা
তাতে মন্ডল প্রেসিডেন্ট তুলে দিয়ে জেলা প্রেসিডেন্ট আর ওয়ার্ড প্রেসিডেন্ট এই দুটো ভিত্তিতে কাজ করা উচিৎ

26/04/2026

পশ্চিমবাংলার হিন্দু বাঙ্গালীদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য আমাদের ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জী এবং গৃহ মন্ত্রী অমিত সাহ জী অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে ।
এই দুটো মানুষ কে আমার প্রণাম 🙏 ।।।


#পশ্চিমবাংলা
#বিজেপি

21/04/2026
ভারতবর্ষে মহাভারতের একটি শ্লোক ভুল  পড়ানো হয়, কিন্তু কেন ভুল পড়ানো হয়???"অহিংসা পরম ধর্ম"।এটি একটি অসম্পূর্ণ শ্লোক। এই শ...
14/04/2026

ভারতবর্ষে মহাভারতের একটি শ্লোক ভুল পড়ানো হয়, কিন্তু কেন ভুল পড়ানো হয়???

"অহিংসা পরম ধর্ম"।

এটি একটি অসম্পূর্ণ শ্লোক। এই শ্লোকটির
অর্ধেক অংশ বাদ দিয়েছিলেন গান্ধীজী।

আসল পূর্ন শ্লোকটি হল-

"অহিংসা পরম ধর্ম"
ধর্মহিংসা তদৈব চ ।

-অর্থাৎ অহিংসা মনুষ্য জীবনের পরম ধর্ম, এবং
ধর্ম রক্ষার স্বার্থে হিংসা করা তার চেয়েও শ্রেষ্ঠ।

মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী শুধু এই শ্লোকটাই
নয়, সনাতন ধর্মের একটি প্রসিদ্ধ ভজনকেও
পাল্টে দিয়েছিলেন।

"রঘুপতি রাঘব রাজারাম" এই ভজনটির আসল নাম ছিল "রাম ধুন", যা খুবই প্রসিদ্ধ ভজন ছিল যেটাকে গান্ধীজী বদলে দিয়ে "আল্লাহ" যুক্ত করে দিয়েছিলেন।

▶️গান্ধীজীর দ্বারা পরিবর্তিত ভজনটি হল-

রঘুপতি রাঘব রাজা রাম
পতিত পাবন সীতারাম ।
সীতারাম সীতারাম,
ভজ প্যারে তু সীতারাম
ঈশ্বর আল্লাহ তেরে নাম
সবকো সুমতি দে ভগবান ।

✅কিন্তু আসল রামধুন ভজনটি হল-

রঘুপতি রাঘব রাজারাম
পতিত পাবন সীতারাম,
সুন্দর বিগ্রহ মেঘশ্যাম
গঙ্গা তুলসী শালিগ্রাম,
ভদ্র গিরিশ্বর সীতারাম
জগৎ-জনপ্রিয় সীতারাম,
জানকীরমনা সীতারাম
জয় জয় রাঘব সীতারাম।

বড় বড় পন্ডিত বক্তা পর্যন্ত এই ভজনটি ভুল গায়,
আজ অবধি কেউ উনাদের বাধা পর্যন্ত দেননি।

সর্বধর্ম সমন্বয়ের মানসিকতা আপাত মানবিক
হলেও সত্যকে জানা ও গ্রহণ করা প্রয়োজন।

শ্রী রামচন্দ্রের এই ভজনটির রচয়িতা হলেন লক্ষ্মনাচার্য, এই ভজনটি বিখ্যাত হিন্দু গ্রন্থ "শ্রী নমঃ রামনায়নম" থেকে নেওয়া হয়েছে।

বিঃদ্রঃ সঠিক ইতিহাস জানা ও সম্মুখে আসা খুব জরুরী।🦚

10/04/2026

২০২৬ শে এবার চাই পরিবর্তন

Address

Howrah Bridge
Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jana sangha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share