শহর কলকাতা

শহর কলকাতা শহর কলকাতার ফেইসবুক পেজে আপনাকে স্বাগতম 🙏🏻🙏🏻
(2)

১লা আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে "বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ"। 'বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ' অথবা 'বিশ্ব স্তন্যপান সপ্তাহ' একটি বার্ষিক ...
06/08/2026

১লা আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে "বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ"।
'বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ' অথবা 'বিশ্ব স্তন্যপান সপ্তাহ' একটি বার্ষিক উদ্‌যাপন যা প্রতি বছর পৃথিবীর ১২০টিরও বেশি দেশে ১ থেকে ৭ আগস্ট পালন করা হয়। শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোয় উৎসাহ দিতে এবং শিশুদের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটাতে এই কর্মসূচি।
ডব্লিউবিডব্লিউ ওয়েবসাইটের ২৬ আগস্ট, ২০১০ এর তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ সালের 'বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ' উপলক্ষ্যে ৭৯টি দেশের ৪৮৮টি সংস্থা এবং ৪০৬,৬২০ জন অংশগ্রহণকারী বিশ্বব্যাপী ৫৪০টি কর্মসূচির আয়োজন করে। এখানে উল্লেখ্য যে ১৯৯২ সালে সর্বপ্রথম ওয়ার্ল্ড অ্যালায়েন্স ফর ব্রেস্টফিডিং অ্যাকশন (ডব্লিউএবিএ) "বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ" পালন করেছিল এবং বর্তমানে ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং তাদের অন্যান্য সহযোগী ব্যক্তি, সংস্থা ও সরকার দ্বারা ১২০টিরও বেশি দেশে এটি পালন করা হয়। বিশ্বব্যাপী বুকের দুধ খাওয়ানোর চর্চা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং সর্বত্র স্তন্যদানের জন্য সহায়তা প্রদানের লক্ষ্য নিয়ে ১৯৯১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি, ডব্লিউএবিএ গঠিত হয়েছিল।
'বিশ্ব স্তন্যপান সপ্তাহ' প্রকৃতপক্ষে মায়েরা যাতে সচেতন হয়ে শিশুদের ঠিকমতো স্তন্যপান করান সেজন্য উৎসাহ প্রদান করা এই সপ্তাহের অন্যতম গুরুত্ব। মাতৃদুগ্ধ শিশুদের পক্ষে কত উপকারী, সে বিষয়ে সঠিক বিজ্ঞানসম্মত ধারণা প্রতিটি মায়ের থাকা ভালো। বিভিন্ন প্রচারণার মাধ্যমে মাতৃদুগ্ধের উপকারিতা বিষয়ে আলোকপাত করা হয়। প্রসঙ্গতঃ মাতৃদুগ্ধের উপকারিতার বিষয় এখানে উল্লেখ করা হলো।
বুকের দুধ খাওয়ানো শিশুদের কিছু তীব্র দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা এবং রোগ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করতে পারে। যেসব শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো হয় তাদের হাঁপানি, স্থূলতা, টাইপ ১ ডায়াবেটিস এবং হঠাৎ শিশু মৃত্যু সিন্ড্রোম হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। বুকের দুধ খাওয়ানো শিশুদের পেটের রোগ বা কানের সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনাও কম থাকে। শিশুটি মায়ের দুধের মাধ্যমে মায়ের কাছ থেকে অ্যান্টিবডি গ্রহণ করে। এই অ্যান্টিবডিগুলি শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার বিকাশে সহায়তা করে এবং রোগ থেকে তাদের রক্ষা করে। আবার বুকের দুধ খাওয়ালে মায়েরও ডিম্বাশয়, স্তন এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে, পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপও কমে এবং মায়েদের মধ্যে টাইপ ২ ডায়াবেটিস, কিছু নির্দিষ্ট ক্যান্সার এবং উচ্চ রক্তচাপের প্রবণতা কম থাকে। তাই বিশ্ব স্তন্যপান সপ্তাহ প্রচারণায় মহিলাদের তাদের শিশুদের বুকের দুধ খাওয়ানোর জন্য শিক্ষিত এবং সহায়তা করার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।
২০২৬ সালের 'বিশ্ব স্তন্যপান সপ্তাহ'-এর প্রতিপাদ্য হলো---
"মূল লক্ষ্য ও বিষয়সমূহ টেকসই সূচনা : জীবনের শুরুতে শিশুর সঠিক পুষ্টি ও স্বাস্থ্য নিশ্চিত করা"।
তথ্যসূত্র সৌজন্যে:: বাংলা উইকিপিডিয়া।
ছবি অন্তর্জাল প্রাপ্ত।। সুজয় ঘোষ।।

আজ সেই অমানবিক সকাল ৮টা বেজে ১৫মিনিট।আজ ৬ই আগস্ট। পৃথিবীর ইতিহাসে এই দিনটি এক কলঙ্কিত দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছে। ১৯৪৫ ...
06/08/2026

আজ সেই অমানবিক সকাল ৮টা বেজে ১৫মিনিট।
আজ ৬ই আগস্ট। পৃথিবীর ইতিহাসে এই দিনটি এক কলঙ্কিত দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছে। ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্টে সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে জাপানের হিরোশিমা নগরীর আকাশ-বাতাস বিদীর্ণ হয়ে যায় ‘লিটল বয়’ নামের পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণে। ঘুম থেকে জেগে ওঠা প্রায় ৭০ হাজার মানুষ কিছু বুঝে ওঠার আগেই পোড়া লাশে পরিণত হয়। সব মিলিয়ে নিহত এক লাখ ৪০ হাজার মানব সন্তানের স্মৃতি বুকে নিয়ে হিরোশিমা ফেলে এসেছে ৮০টি বছর। আজ শান্তির জন্য বিশ্ব পালন করছে হিরোশিমা দিবস।
এর পরিপ্রেক্ষিতে একটি মর্মস্পর্শী ঘটনার কথা বলি। অবশ্যই পড়বেন।

সাদাকো কাহিনি।
মেয়েটির পুরো নাম সাসাকি সাদাকো। হিরোশিমায় যেদিন বোমা পড়লো তখন তার বয়স মাত্র দুই। এপিক পয়েন্ট থেকে সাদাকোদের বাড়ি ছিল দুই কিলোমিটার দুরে। সাদাকো ঘরে ছিল। বোমার ঝাপটায় সাদাকো-সহ ঘরের সবকিছু ছিটকে বেরিয়ে গেল। মা বাইরে ছিলেন, ভাবলেন মেয়ে শেষ। গিয়ে দেখেন সুস্থ স্বাভাবিক বিনা আঘাতে মেয়ে তার দিকে তাকিয়ে আছে। সাদাকো স্বাভাবিক ভাবেই বড় হয়ে উঠছিল। ১৯৫৫ সালে ১২ বছর বয়সে সাদাকোর এক রোগ স্পষ্ট হয়ে উঠল। লিউকোমিয়া। এই রোগের নাম স্থানীয় নাম ছিল এটম-বোম-রোগ। একই রোগে অনেক শিশু মারা যাচ্ছিল। সাদাকো এই খবর জানতো।
একদিন সাদাকোর বন্ধু এসে এক অদ্ভুত কাহিনি শুনিয়ে গেল। বলল-
সুস্থ হতে চাও ?
তাহলে কাগজ দিয়ে ১ হাজার সারস পাখি বানাও।
জাপানিরা বিশ্বাস করে যে সারস পাখি ১০০ বছর বাঁচে। সাদাকো বাঁচতে চাইল। বন্ধুর কথা বিশ্বাস করে কাগজ দিয়ে এক এক করে সারস পাখি বানানো শুরু করলো। ৫শ সারস বানানোর পর সাদাকো সুস্থ অনুভব করলো। ডাক্তার হাসপাতাল থেকে বাড়ি যাবার অনুমতি দিল। কিছুদিনের মধ্যেই আবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হল। সারস পাখি বানানো শুরু করলো। ৬৪৪ টা পর্যন্ত বানিয়ে আর পারলো না।
তবে স্কুলের বন্ধুরা সাদাকোকে অমর করতে চাইলো। ১ হাজার সারসের বাকী সংখ্যাটা পূরণ করতে ৩৫৬টি সারস বানিয়ে বন্ধুরা সাদাকোর কবরে দিয়ে আসবে এটাই প্ল্যান। এই খবর দেশবিদেশে ছড়িয়ে গেলে বিশ্বের ৩ হাজার ১০০টি স্কুল তাদের ডাকে সারা দিল। মিলিয়নস অব সারস পাখি সাদাকোর কবরে স্থান পেল। ৩ বছরের মাথায় স্কুল ছাত্রদের উদ্যোগে ফান্ড তৈরি হলো। সেই ফান্ড দিয়ে তৈরি হল একটি মনুমেন্ট। Hiroshima Peace Park এর ভিতর, বোমা খানা যেখানে পড়েছিল, তার পাশেই। মনুমেন্টে লেখা শিশুদের স্লোগানটি হলো-
This is our cry, This is our prayer, Peace in the world".
মানুষ মরবেই। বোমার আঘাতে তাৎক্ষণিক মৃত্যুর ব্যথা আর অজানা অচেনা রোগে ধুঁকে ধুঁকে মরার ব্যথা আলাদা। হিরোশিমা যাবার সুযোগ হলে লক্ষ লক্ষ কাগজের সারস পাখি দিয়ে ঢাকা সাদাকো মনুমেন্টটি দেখে আসতে পারেন। ঘটনাটি জানা থাকলে সাদাকোদের আর্তনাদ শুনতে পাবে।
তথ্যসূত্র সৌজন্যে-বাংলা উইকিপিডিয়া।
ছবি গুগল প্রাপ্ত। সু ঘো।

🔱মহাদেবের নাম স্মরণ ও মন্ত্রজপ🕉️শাস্ত্রে বলা হয়েছে, শিব মানে শুধু একজন দেবতা নন, তিনি কল্যাণ, চৈতন্য ও পরম শান্তির প্রত...
06/08/2026

🔱মহাদেবের নাম স্মরণ ও মন্ত্রজপ🕉️

শাস্ত্রে বলা হয়েছে, শিব মানে শুধু একজন দেবতা নন, তিনি কল্যাণ, চৈতন্য ও পরম শান্তির প্রতীক। ভক্তিভরে শিবের নাম জপ করলে মন ক্রমশ শান্ত, নির্মল ও ঈশ্বরমুখী হয়।
🙏🕉️🔱

© Piyali Karmakar

05/08/2026

Guess this place 🤔

জন্মদিনে সশ্রদ্ধ স্মরণ করি তাঁকে ।এক ঝলকে কিশোর কুমার।।🎙🎸🎷🥁🎧🎻🎺🎤📯🎶💿🔊📻🎼🎙🎤জন্ম :- ১৯২৯ সালের  ৪ঠা আগষ্টপ্রকৃত নাম : আভাষ কু...
04/08/2026

জন্মদিনে সশ্রদ্ধ স্মরণ করি তাঁকে ।
এক ঝলকে কিশোর কুমার।।
🎙🎸🎷🥁🎧🎻🎺🎤📯🎶💿🔊📻🎼🎙🎤
জন্ম :- ১৯২৯ সালের ৪ঠা আগষ্ট
প্রকৃত নাম : আভাষ কুমার গাঙ্গুলি
পিতা : কুঞ্জলাল গাঙ্গুলি
মাতা : গৌরী দেবী
ভাইবোনে : অশোক কুমার,সতী দেবী,অনুপ কুমার
স্ত্রী : রুমা দেবী,মধুবালা,যোগীতাবালী,লীনা দেবী
সন্তান : অমিত কুমার,সুমিত কুমার

কিশোর কুমারের সম্ভাব্য গানের তালিকা।
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
মোট গানের সংখ্যা =২৯০৫ +
(অন্যমতে ২৭০৩)।
হিন্দি ছবির গান =২৬৪৮ +
হিন্দি আধুনিক= ১৩ +
বাংলা ছায়াছবির গান =১৫৪ +
বাংলা আধুনিক =৬৭ +
অসমিয়া = ১+
ভোজপুরি =৪+
গুজরাটি=৮+
কান্নাড়=১+
মালয়ালম =১+
মারাঠি=৩ +
ওড়িয়া=৩ +
পাজ্ঞাবি=১ +
ইংরেজি = ১ +
মোট ১৩৫ + জন সুরকারের সাথে কাজ করেছেন
রাহুল দেব ২২৩টি ছবিতে ৫৮৮টি
লক্ষিকান্ত ১৯২টি ছবিতে ৩৯৯টি
বাপ্পী লাহিড়ি ১৪৭টি ছবিতে ৩১৮টি
(জীবনের শেষ গান বাপ্পী লাহিড়ির সুরে "গুরু গুরু আ জাও গুরু"। বাপি লাহিড়ির প্রথম অভিনেতা এবং গায়ক হিসাবে আত্মপ্রকাশ কিশোর কুমার পরিচালিত ও সুরারোপিত ছবি "বাড়তি কা নাম দাঁড়ি"তে। আবার বাপি লাহিড়ির প্রথম সুরারোপিত ছবি "নান্হা শিকারি"র প্রথম গান টা - টাইটেল কিশোর কুমার গেয়ে ছিলেন।)
কল্যাণজি ১৩৬টি ছবিতে ২৬৯টি
রাজেশ রোশন ৫৮টি ছবিতে ১৫৯টি
শচীন কর্তা ৪৭টি ছবিতে১২৫টি
শচীন কর্তা ছ'নম্বরে থাকলে কিশোর কে গায়ক হিসাবে পরিচিত করে তোলার কৃতিত্ব তাঁর
শঙ্কর জয় ৪৭টি ছবিতে ১২৫টি
চিএগুপ্ত ২৩টি ছবিতে ৩৮টি
মদনমোহন ১৭টি ছবিতে ৩৮টি
সলিল চৌধূরী ১৪টি ছবিতে ২৯টি
হেমন্ত কুমার ১৩টি ছবিতে ৩৭টি
ও.পি.নাইয়ার ১০টি ছবিতে ৩৯টি
খৈয়াম ১০টি ছবিতে ২৪টি
সি. রামচন্দ্র ৯টি ছবিতে ২১টি
নৌশাদ ১টি
দ্বৈত সঙ্গীত সবচেয়ে বেশি গেয়েছেন আশা ভোঁসলের সাথে ৫৯১টি
তারপর লতাজী ৩১২টি
সামসাদ বেগম ২৪টি
গীতা দত্ত ১৩টি
মহম্মদ রফি ৩৬টি
মান্না দে ১৮টি
মহেন্দ্র কাপুর ২৫টি
অমিত কুমার ২৮টি
মুকেশ ২টি
একাধারে গীতিকার, সুরকার,গায়ক, সঙ্গীত পরিচালক, চিত্রপরিচালক, অভিনেতা ও প্রয়োজক, প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজের প্রতিভার সাক্ষর রেখেছেন।
নীচের ছবিতে অশোককুমার, অনুপকুমার ও কিশোরকুমার ও সঙ্গে তাদের মা।
তথ্যসূত্র সৌজন্যে:: বাংলা উইকিপিডিয়া।
ছবিগুলো নেট থেকে সংগৃহীত। সু ঘো।

আর কদিন মাত্র। মহালয়া আগতপ্রায়।বাঙালির কাছে মহালয়া মানেই "বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র"এবং "বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র" মানেই "মা" আসছেন...
04/08/2026

আর কদিন মাত্র। মহালয়া আগতপ্রায়।
বাঙালির কাছে মহালয়া মানেই "বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র"এবং "বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র" মানেই "মা" আসছেন।
আজ বাঙালির প্রিয় সেই বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র মহাশয়ের জন্মদিবস। ঠিক কতটুকু আপন বা প্রিয় তিনি বাঙালির কাছে। একটুখানি পিছনে তাকানো যাক---
১৯৭৬ সালের মহালয়া তিথির ভোরবেলা। সারা বিশ্বে সকল বাঙালির চিরকালীন আবেগ "মহিষাসুরমর্দিনী" পরিবর্তে নতুনভাবে উপস্থাপিত "দেবী-দুর্গতিহারিনীম" এর প্রভাতী বেতার অনুষ্ঠান শুরু হতে চলেছে। তিনবার শঙ্খধ্বনি দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা।
আর তারপরেই মহা ছন্দপতন------------
কিন্তু কেন এই ছন্দপতন!! "মহিষাসুরমর্দিনী"তে শঙ্খধ্বনি
দিয়ে শুরু হওয়ার পর সমবেত কণ্ঠে "যা চণ্ডী মধুকৈটভাদি" গানটির রেশ মিলতে না মিলতেই উদাত্ত কন্ঠে শুরু হতো----
"আশ্বিনের শারদ প্রাতে বেজে উঠেছে আলোক মঞ্জরী।
ধরণীর বহিরাকাশে অন্তরিত মেঘমালা।
প্রকৃতির অন্তরাকাশে জাগরিত
জ‍্যোতির্ময়ী জগন্মাতার আগমণ বার্তা।
আনন্দময়ী মহামায়ার পদধ্বনি
অসীম ছন্দে বেজে উঠে
রূপলোক ও রসলোক আনে নবভাব মাধুরীর সঞ্জীবন।
তাই আনন্দিত শ‍্যামলী মাতৃকা
চিন্ময়ী কে মৃন্ময়ীতে আবহান"।
আর ছন্দপতন সেখানেই এবং বিশ্বজুড়ে বাঙালি হতবাক।তোলপাড় কলকাতা। সেই ঘটনার বিবরণ পরদিনের দৈনিক সংবাদপত্রগুলোর--------
""নতুন অনুষ্ঠানটি চলাকালীন আকাশবাণী ভবনে অসংখ্য ফোনকল আসতে থাকে প্রতিবাদ জানিয়ে। প্রতিবাদের ভাষা সেদিন শালীনতার সীমা ছাড়িয়েছিল। ভোর থেকেই আকাশবাণী ভবনের সামনে বহু মানুষ জড়ো হতে থাকে। অনুষ্ঠান শেষে প্রচুর জনসমাগমে বিশৃঙ্খল পরিবেশের সৃষ্টি হয়। চারিদিকের বিরূপ সমালোচনায় আকাশবাণী কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয় সেইবারেই মহাষষ্ঠীর ভোরে "মহিষাসুরমর্দিনী" অনুষ্ঠানটি পুনরায় প্রচার করতে।""
এখানে উল্লেখ্য যে নতুন অনুষ্ঠানটির শ্লোকপাঠে ছিলেন বাঙালির আর এক গর্ব ও আবেগ স্বয়ং উত্তমকুমার। হেমন্তকুমারের সংগীত পরিচালনায় গান গেয়েছিলেন মান্না দে, সন্ধ্যা মুখার্জি, লতা মঙ্গেশকর ও আরতি মুখার্জিরা। তবুও বাঙালি মেনে নিতে পারে নি এই পরিবর্তিত অনুষ্ঠানটি।
মানে বোঝা গেল কি !! মানে--বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র মহাশয়। বাঙালী যতদিন বাঙালিয়ানায় থাকবে ততদিন ওঁনার কণ্ঠে চন্ডীপাঠ প্রতি মহালয়াতে অবশ্যই থাকতেই হবে। পরিবর্তনে যতই উত্তমকুমার,হেমন্ত মুখোপাধ্যায় বা মান্না দের মতন কালজয়ী শিল্পীদের উপস্থিতি থাকুক না কেন!!! এখানে বাঙালি বড়ই কৃপন। এটাই বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র মহাশয়ের মাহাত্ম্য। আবার এই চন্ডীপাঠের ধর্মীয় ভাবধারা সহ একটি সামাজিক মূল্যও আছে। সমগ্র হিন্দু সমাজে এই চন্ডীপাঠই একমাত্র উদাহরন যা একজন অব্রাহ্মণ করেছেন যেখানে বিশ্ববাঙালী হিন্দু সমাজ সাগ্রহে তাকে গ্রহন করেছে l
এবার তাঁর জীবনে একটু উঁকি মারা যাক--------
বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র একজন বিশিষ্ট বাঙালি বেতার সম্প্রচারক, নাট্যকার, অভিনেতা ও নাট্য পরিচালক ছিলেন। বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ১৯৩০-এর দশক থেকে সুদীর্ঘকাল অল ইন্ডিয়া রেডিওয় বেতার সম্প্রচারকের কাজ করেছেন। এই সময় তিনি একাধিক নাটক রচনা ও প্রযোজনাও করেন।বীরেন্দ্রকৃষ্ণের সর্বাধিক পরিচিতি তাঁর মহিষাসুরমর্দিনী নামক বেতার সঙ্গীতালেখ্যটির জন্য। ১৯৩১ সাল থেকে আজ পর্যন্ত মহালয়ার দিন ভোর চারটের সময় কলকাতার আকাশবাণী থেকে এই অনুষ্ঠানটি সম্প্রচারিত হয়। ব্যতিক্রম ঐ একবারই ১৯৭৬ সাল। তাঁর মৃত্যুর পর আজও তাঁর রেকর্ড করা সেই পুরনো মহিষাসুর পালা মহালয়ার ভোরে প্রচার করা হয়।
বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র একাধিক নাটকে অভিনয় ও পরিচালনার কাজও করেন। ১৯৫৫ সালে নিষিদ্ধ ফল নামে একটি চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যও রচনা করেছিলেন তিনি। বীরেন্দ্রকৃষ্ণ একাধিক ধ্রুপদি কাহিনিকে বেতার নাট্যের রূপ দেন। ১৯৩০-এর দশকে তিনি যোগ দেন অল ইন্ডিয়া রেডিওয়। বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র একাধিক নাটক রচনা করেন। বিমল মিত্রের সাহেব বিবি গোলাম উপন্যাসটিকে তিনি মঞ্চায়িত করেছিলেন। ১৯৫২ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সুবর্ণ গোলক গল্পটিকে তিনি নাট্যায়িত করেন।
আর হ্যাঁ---রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুর দিন তিনি শেষযাত্রার পুরো ধারাবিবরণী যেমন দিয়েছিলেন তেমনি উত্তমকুমারের শেষযাত্রার বর্ণনাও আকাশবাণী থেকে প্রচার করেন।
২০০৬ সালের মহালয়ার দিন বীরেন্দ্রকৃষ্ণের কন্যা সুজাতা ভদ্রকে সারেগামা ইন্ডিয়া লিমিটেডের তরফ থেকে তাঁর পিতার এই মহান কীর্তির রয়্যালটি স্বরূপ ৫০,৯১৭ টাকার একটি চেক প্রদান করা হয়।
তিনি বিরুপাক্ষ ছদ্মনামে সাহিত্যের নানা আঙ্গিকে নিজের প্রতিভাকে বিকাশ করেন। সম্ভাব্য তালিকা-------'
ক) রচনাবলি সম্পাদনা----
হিতোপদেশ, ১৯৪৮
বিশ্বরূপ-দর্শন, ১৯৬৩
রানা-বেরানা, ১৯৬৫
ব্রতকথা সমগ্র, ১৯৮৫
শ্রীমদ্ভাগবত: সম্পূর্ণ দ্বাদশ স্কন্দ, উপেন্দ্রচন্দ্র শাস্ত্রীর সঙ্গে, ১৯৯০
খ) নাটক সম্পাদনা----
ব্ল্যাকআউট[১২]
সাত তুলসী, ১৯৪০ [১৩]
তিনি ছিলেন বাঙালির এমন একটা আবেগ যেখানে বাঙালির প্রাণের মানুষ উত্তমকুমারকে পর্যন্ত প্রবেশাধিকার দেয়নি।
বিখ্যাত বাঙালি বেতার সম্প্রচারক,নাট‍্যকার,অভিনেতা ও পরিচালক বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র মহাশয়ের জন্মদিবসে তাঁকে জানাই অান্তরিক শ্রদ্ধা। সশ্রদ্ধ স্মরণ করি বাঙালির খুব কাছের এই মানুষটিকে।
নীচের একটি ছবিতে আকাশবাণীর একটি অনুষ্ঠানে পঙ্কজ কুমার মল্লিক,আঙুরবালা,হীরেন বসু এবং বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র (একেবারে ডানদিকে) মহাশয়কে একসাথে দেখা যাচ্ছে।
তথ্যসূত্র সৌজন্যে - বাংলা উইকিপিডিয়া।
দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা।
ছবিগুলি গুগল থেকে সংগৃহীত। সু ঘো।

আজ শ্রাবণ মাসের তৃতীয় সোমবার 🌿🌼🔱সকলের মঙ্গল করো প্রভু 🙏 🕉️হর হর মহাদেব 🔱🌼🔱
03/08/2026

আজ শ্রাবণ মাসের তৃতীয় সোমবার 🌿🌼🔱
সকলের মঙ্গল করো প্রভু 🙏 🕉️
হর হর মহাদেব 🔱🌼🔱

গফুরের সংসারে পেটে ঠিকমতো ভাত জোটে না, বাপ-মেয়ে দুবেলা উপোস থাকে। এর মধ্যে রয়েছে তাদের আদরের গরু , যাকে ঠিকমতো খাবার দ...
02/08/2026

গফুরের সংসারে পেটে ঠিকমতো ভাত জোটে না, বাপ-মেয়ে দুবেলা উপোস থাকে। এর মধ্যে রয়েছে তাদের আদরের গরু , যাকে ঠিকমতো খাবার দিতে পারে না গফুর।

গল্পটার নাম কি বলতে পারবেন?

তিনি ছিলেন বিজ্ঞানীদের বিজ্ঞানী ; সেই শিক্ষক জগতের পথ প্রদর্শক আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের আজ ১৬৫ তম জন্মবার্ষিকী।।🙏🙏🙏🙏...
02/08/2026

তিনি ছিলেন বিজ্ঞানীদের বিজ্ঞানী ; সেই শিক্ষক জগতের পথ প্রদর্শক আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের আজ ১৬৫ তম জন্মবার্ষিকী।।
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
এই প্রখ্যাত বাঙালী রসায়নবিদ, শিক্ষক, দার্শনিক, কবি ও শিল্প উদ্যোগী বাংলাদেশের খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার রাডুলি গ্রামে ১৮৬১ সালের ২রা আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন ভুবনমোহিনী দেবী এবং হরিশচন্দ্র রায়ের পুত্র।
ক) শিক্ষা জীবন------
তাঁর পড়াশোনা শুরু হয় বাবার প্রতিষ্ঠিত এম ই স্কুলে। ১৮৭২ খ্রীষ্টাব্দে তিনি কলকাতার হেয়ার স্কুলে ভর্তি হন কিন্তু অসুস্থতার কারণে আবার নিজ গ্রামে ফিরে যেতে হয়। ঐ সময়টা পিতার গ্রন্থাগারে প্রচুর বইপাঠ তার জ্ঞানমানসের বিকাশসাধনে প্রভূত সহযোগিতা করে। ১৮৭৪ খ্রীষ্টাব্দে তিনি কলকাতায় পুনরায় ফিরে এসে অ্যালবার্ট স্কুলে ভর্তি হন। এই স্কুল থেকেই ১৮৭৮ খ্রীষ্টাব্দে তিনি স্কুল ফাইনাল তথা প্রবেশিকা পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। এরপর তিনি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মেট্রোপলিটন কলেজে (বর্তমান বিদ্যাসাগর কলেজ) ভর্তি হন। ১৮৮১ খ্রীষ্টাব্দে সেখান থেকে কলেজ ফাইনাল তথা এফ এ পরীক্ষায় (ইন্টারমিডিয়েট বা এইচএসসি) দ্বিতীয় বিভাগে পাশ করে তিনি প্রেসিডেন্সী কলেজে বি এ ক্লাসে ভর্তি হন। প্রেসিডেন্সী থেকে গিলক্রিস্ট বৃত্তি নিয়ে তিনি স্কটল্যান্ডের এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে যান। এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বি এসসি পাশ করেন।
পরবর্তীকালে এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়েই ডি এসসি ডিগ্রী লাভের জন্য গবেষণা শুরু করেন। তার সেই গবেষণার বিষয় ছিল কপার ম্যাগনেসিয়াম শ্রেণীর সম্মিলিত সংযুক্তি পর্যবেক্ষণের উপর। দুই বছরের কঠোর সাধনায় তিনি এই গবেষণা সমাপ্ত করেন এবং পিএইচ ডি ও ডি এসসি ডিগ্রী লাভ করেন। এমনকি তার এই গবেষণাপত্রটি শ্রেষ্ঠ মনোনীত হওয়ায় তাকে হোপ প্রাইজে ভূষিত করা হয়।
খ) অবদান---
ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ঘুরে ১৮৮৮ খ্রীষ্টাব্দে প্রফুল্লচন্দ্র রায় স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। দেশে ফিরে প্রেসিডেন্সী কলেজের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগদানের করেন। প্রায় ২৪ বছর তিনি এই কলেজে অধ্যাপনা করেছিলেন। অধ্যাপনাকালে তাঁর প্রিয় বিষয় রসায়ন নিয়ে তিনি নিত্য নতুন অনেক গবেষণাও চালিয়ে যান। তাঁর উদ্যোগে নিজস্ব গবেষণাগার থেকেই বেঙ্গল কেমিক্যাল কারখানা সৃষ্টি হয় এবং পরবর্তীকালে ১৯০১ খ্রীষ্টাব্দে তা কলকাতার মানিকতলায় ৪৫ একর জমিতে স্থানান্তরিত করা হয়। তখন এর নতুন নাম রাখা হয় বেঙ্গল কেমিক্যাল এন্ড ফার্মাসিউটিক্যাল ওয়ার্কস লিমিটেড। বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে ভারতীয় উপমহাদেশের শিল্পায়নে তার ভূমিকা অনস্বীকার্য।
১৮৯৫ খ্রীষ্টাব্দে তিনি মারকিউরাস নাইট্রাইট আবিষ্কার করেন যা বিশ্বব্যাপী আলোড়নের সৃষ্টি করে। এটি তাঁর অন্যতম প্রধান আবিষ্কার। তিনি তার সমগ্র জীবনে মোট ১২টি যৌগিক লবণ এবং ৫টি থায়োএস্টার আবিষ্কার করেন।
সমবায় ধারনার পুরোধা আচার্য পি সি রায় ১৯০৯ খ্রীষ্টাব্দে নিজ জন্মভূমিতে একটি কো-অপারেটিভ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯০৩ খ্রীষ্টাব্দে বিজ্ঞানী পি সি রায় পিতার নামে আর কে বি কে হরিশ্চন্দ্র স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়া বাগেরহাট জেলায় ১৯১৮ সালে তিনি নিজের নামে "পি সি কলেজ" নামে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। যা আজ বাংলাদেশের শিক্ষা বিস্তারে বিশাল ভূমিকা রাখছে।
গ) সম্মান ------
সি আই ই: ১৯১১ খ্রীষ্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে তৃতীয়বারের মত তিনি ইংল্যান্ড যান এবং সেখান থেকেই সি আই ই লাভ করেন।
সম্মানসূচক ডক্টরেট: ১৯১১ খ্রীষ্টাব্দে ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয় তাকে এই ডিগ্রী দেয়। এছাড়া ১৯৩৬ খ্রীষ্টাব্দে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং পরবর্তীকালে মহীশুর ও বেনারস বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও তিনি ডক্টরেট পান।
নাইট : ১৯১৯ খ্রীষ্টাব্দে তিনি ব্রিটিশ সরকার প্রদত্ত নাইট উপাধি লাভ করেন।
ঘ) গ্রন্থ রচনা-----
ভারত : সিপাহী বিদ্রোহের আগে ও পরে।
সরল প্রাণিবিজ্ঞান, বাঙ্গালী মস্তিষ্ক ও তার অপব্যবহার
হিন্দু রসায়নী বিদ্যা--প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগ।
মোট গবেষণাপত্রের সংখ্যা ১৪৫ টি।
তথ্যসূত্র সৌজন্যে::বাংলা উইকিপিডিয়া।
ছবিটি গুগল প্রাপ্ত। সু ঘো।।

Address

Kolkata

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শহর কলকাতা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share