Bristi Veja Udit - বৃষ্টি ভেজা উদিত

Bristi Veja Udit - বৃষ্টি ভেজা উদিত বৃষ্টি ভেজা উদিত (উপন্যাস) - জে. কে. নীলাকাশ।

14/02/2026
প্রকাশ পাচ্ছে খুব শীগ্রই রসমালাই পরিব্রাজকয়ের সিজিন ২ উপন্যাস বৃষ্টি ভেজা উদিত ২
16/12/2025

প্রকাশ পাচ্ছে খুব শীগ্রই
রসমালাই পরিব্রাজকয়ের
সিজিন ২ উপন্যাস
বৃষ্টি ভেজা উদিত ২

16/12/2025
এই কথা শুনে আমি ডলির বুক থেকে তুলে ওর নাইটিটা গলার কাছে উঠিয়ে দিলাম। আর তাতে ওর সুন্দর কাঁচা হলুদের মত গায়ের রঙ যেন আমার...
06/02/2021

এই কথা শুনে আমি ডলির বুক থেকে তুলে ওর নাইটিটা গলার কাছে উঠিয়ে দিলাম। আর তাতে ওর সুন্দর কাঁচা হলুদের মত গায়ের রঙ যেন আমার চোখ ঝলসিয়ে দিলো। আমি একটু চুপ করে থেকে ডলির নিজে থেকে ভাঁজ করে রাখা হাঁটুদুটো ফাঁক করে দিলাম। আমার বাড়া ডলির গুদের ফুটোতে লাগিয়ে একটু জোরে চাপ দিতেই মুন্ডিটা ঢুকে গেল। আর ডলি সুখে ও কষ্টে "আহঃ" করে উঠলো। ধীরে ধীরে আমার পুরো বাড়া ডলির গুদে ঢুকে গেল। আর আমি ওর দুটো মাই দুই হাতের থাবাতে চেপে ধরে ঠাপ মারা শুরু করলাম। ডলি পাস থেকে একটা বালিশ নিয়ে নিজের মুখে চেপে ধরলো আওয়াজ বন্ধ করতে। আমি ক্রমাগত জোর কদমে রাম চোদোন ঠাপিয়ে গেলাম প্রায় দশ মিনিট ধরে। আর এর মধ্যে ডলির শরীর বেশ কয়েকবার কেঁপে উঠেছে। তাছাড়া আজ আমার স্বল্প অভিজ্ঞতায় এইটা বুঝতে পারলাম যে 'ডলি কয়েকবার জল খসিয়েছে।'

এবার ডলির মুখ থেকে বালিশ সরিয়ে দিয়ে এক মুখ হাসি ছড়িয়ে আমার মাথা টেনে গভীর একটা চুমু দিলো। আর বলল "আদিত্য তুমি আমাকে যে সুখ দিলে সেটা আমি কোনোদিনও ভুলবো না। বিয়ের পর থেকে এটাই আমার প্রথম রস বের করা। তোমার ক্ষমতা দেখে আমি সত্যিই অবাক। জীবনের প্রথম টেস্টে যে এতো ভালো ব্যাট করতে পারে। সে আর যাইহোক শুধু পড়ানোর মাস্টার নয়, চোদার মাস্টারও বটে।" তারপর আবার একটু চুপ করে থেকে ডলি বলল "নাও আদিত্য। তুমি ঠাপাও। না হলে তো তোমার মাল বেরোবে না।"

আমি বললাম "সেতো ঠাপাতেই হবে। কেননা আমার সকাল থেকে জমে থাকা বীর্য যতক্ষণ না বেরোবে আমার শান্তি নেই।"

এবার বেশি করে আমি আমার বাড়া বের করে জোরে ডলির গুদের ভিতর ঢুকিয়ে দিতে লাগলাম। এক পর্যায়ে গুদে ফেনা কেটে ছিটকে পড়তে লাগল সারা বিছানাতে। ওর গায়ে। আর ডলি শুয়ে দুহাতে বিছানার চাদর চেপে ধরে 'ওক ওক' আওয়াজ করতে লাগল। আরো কিছুক্ষন ডলিকে ঠাপিয়ে আমার বাড়াটা সম্পূর্ণ ওর গুদে গেঁথে দিয়ে আমার বীর্য খালাস করলাম। তারপর ক্লান্তিতে ডলির বুকের ওপরে শুয়ে পড়লাম। ডলি পরম মমতায় আমার মাথায় গায়ে হাত বুলিয়ে দিতে লাগল। ঘড়িতে দেখলাম ১:৩০ টা বাজে। "একটু পরেই টিটোন স্যার এসে যাবেন।" এই কথা ডলিকে বলতেই ঝটপট উঠে নিজের নাইটি ঠিক করে নিলো। আর আমার পায়ের কাছে জড়ো হয়ে থাকা প্যান্ট উঠাতে গিয়ে দেখল আমার বাড়া রসে জবজবে হয়ে আছে। তাই ডলি ওর একটা প্যান্টি বের করে আমার বাড়াটা ভালো করে মুছিয়ে দিলো। আর নিজেও গুদ মুছে খাটের নিচে প্যান্টিটা ছুঁড়ে ফেলে দিলো।

ডলি বলল "আদিত্য তুমি আমার চোদার গুরু।" এই কথা বলেই আমার পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করল। আর বলল "তুমি বসো। আমি বাথরুম থেকে আসি।"

আমিও ডলির ঘরে যে টেবিল আর চেয়ার ছিলো। সেখানে বসে সামনে রাখা ইংরেজি টেক্সট বুক খুলে কিছু প্রশ্ন লিখতে লাগলাম। আর ডলি আসতেই ওকে বললাম "শিগগিরি এগুলোর উত্তর লেখো। যা তোমার মনে আসে। তারপর আমি ঠিক করে দেব কেমন।" আমার কথামত ডলি লিখতে শুরু করলো। টেবিলের উপর এক গ্লাস জল ছিল। আমি চটপট জলটা ঢক ঢক করে খেয়ে নিলাম। ডলি সবকটা প্রশ্ন পড়ে তার উত্তর লিখে আমাকে দিলো। আমি ওর লেখা দেখতে লাগলাম।

বাইরে টিটোন স্যারের গলা পেলাম। জিজ্ঞেস করছেন কাকিমাকে "কি গো কেমন আছো আর আদিত্য এসেছিলো।" কাকিমা কি বললেন আমরা শুনতে পেলাম না। টিটোন স্যার হঠাৎ করেই আমাদের ঘরে ঢুকে আমাকে দেখে বললেন "কিরে আদিত্য তোর ছাত্রী কোথায়? তোকে একা বসিয়ে রেখে কোথায় গেল মেয়েটা।"

আমি বললাম "স্যার ছিল তো এখানেই।"

টিটোন স্যার বললেন "তা ডলিকে কেমন বুঝছিস। কিছু পারছে। নাকি ওর মাথায় কিছু ঢুকছে না ?"

আমি বললাম "না না স্যার। সবই ঠিক আছে। কিন্তু ভীষণ লেজি। কোনো একটা জিনিস করতে দিলে অনেক সময় নিয়ে নিচ্ছে।"

আমাদের কথোপকথনের মাঝেই ডলি ঘরে ঢুকেই আমাকে বলল "আমি জানতাম বাবার কাছে তুমি নালিশ করবে। তা আমার মাথা যদি একটু মোটা হয়। তাহলে আমি কি করতে পারি।"

আমি বললাম "না না ডলি। আমি কোনো নালিশ করিনি। কারণ তুমি সবই ঠিক করেছো। তবে।"

টিটোন স্যার বললেন "তবে কি?"
আমি বললাম "অজস্র বানান ভুল।"

আরো কয়েকটা জ্ঞান দিয়ে আমি সেদিনের মত বিদায় নিলাম।

ছাত্রীকে চুদার দ্বিতীয় অধ্যায়

ছাত্রীকে চুদার দ্বিতীয় অধ্যায়

আমিঃ আই লাভ ইউ ইরি।ইরিঃ থাপ্পড় চিনেন?- চিনি তো- খাবেন?- কে দেবে?- আমি।- দেরী করছো কেনো?এক্ষুনি দাও।- লজ্জা করেনা আপনার?...
01/10/2020

আমিঃ আই লাভ ইউ ইরি।
ইরিঃ থাপ্পড় চিনেন?
- চিনি তো
- খাবেন?
- কে দেবে?
- আমি।
- দেরী করছো কেনো?
এক্ষুনি দাও।
- লজ্জা করেনা আপনার?
- আমি তো প্যান্ট পরে আছি।
- আপনাকে যে কি করি?
- বিয়ে করো।
- আসলেই একটা থাপ্পড় দেয়া উচিত
আপনাকে।
- চাইলে কিস ও করতে পারো।
- সামনে থেকে সরুন।
- পেছন পেছন আসবো নাকি?
- আপনি কি করেন?
- স্টাডি করি।
- আপনার বাবা কি করেন?
- বাবা নেই।
-মারা গেছেন?
- না,আসলে আমি জানি না,
আমার বাবা কে?
আমি পিতৃ পরিচয় হীন।
- আপনার মা?
-আমার মা আমার জন্মের সময় মারা
গেছেন।
- থাকেন কোথায়?
-বস্তিতে,
এক ভিক্ষুকের সাথে।
এখন তিনিই আমার মা।
- আমি আপনাকে ভালোবাসতে
পারবোনা।
- কেনো?
- ভিখারীর ছেলেকে কি করে বয়ফ্রেন্ড
বানাই?
ফকিন্নির ছেলের আবার ভালোবাসার
শখ!!
- আচ্ছা।
- কি আচ্ছা?
- আর ডিস্টার্ব করবো না তোমাকে।
- ধন্যবাদ।
আমি আর কিছুই বললাম না।
নীরবে চলে আসলাম।
আসলে জোর করে ভালোবাসা হয় না।
তাছাড়া আমি যেহেতু ভিখারীর সন্তান,
সেহেতু এসব ভাবাও
আমার জন্য পাপ।
আমি রাজেশ।
ডাক নাম রাজু।
শহরের একটা বস্তিতে থাকি।
বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিজিক্সে অনার্স
করছি।
আমার বাবা কে তা
আমি জানিনা।
মা জন্মের সময় মারা
গেছেন।
মাকে কখনো তাই দেখতে
পারিনি।
বড় হয়েছি এক ভিখারীর কাছে।
তিনিই এখন আমার মা।
কিছুটা বুঝতে যখন শিখেছি,
তখন টোকাই দলে নাম লিখেছি।
সারাদিন টোকাই গিরি
করে যা পেতাম তাতে
আমার দিন যেতো।
একদিন পাশের মহল্লার কিছু
টোকাই ছেলে আমাকো মেরেছিলো।
তারপর আমার মা (যার কাছে থাকি)
তিনি আমাকে স্কুলে ভর্তি করে
দিলেন।
আর তিনি ভিক্ষা করতেন।
প্রাইমারী পাশ দেবার পর
আসি হাইস্কুলে ভর্তি হলাম।
বেশ মেধাবী ছিলাম আমি।
সবসময় সব ক্লাসে ফার্স্ট হতাম।
পাশাপাশি একটা প্লাস্টিক কারখানাতেও
জব করতাম।
যে টাকা বেতন
দিত,
তাতে পেট চলতো।
পড়ালিখার টাকা মা ভিক্ষা করে
জোগাড়
করতো।
মোটামুটি চলে যেতো দিন।
খুব ভালো খাবার খেতে পারতাম না।
নিম্ন মানের চালের ভাত আর পিয়াজ
বা
কাঁচামরিচের ঝাল হলেই পেট ভরে
খেতাম।
মাঝে মাঝে মা ডাস্টবিন হতে বড়
লোকদের ফেলে দেয়া আধখাওয়া পঁচা
বাসি খাবার নিয়ে আসতেন।
আমার চোখ খাবার লোভে চকচক
করতো।
আমি গপাগপ গিলতাম।
খাবার শেষে তৃপ্তির
ঢেঁকুর তোলে মায়ের দিকে
তাকাতাম।
দেখতাম আমার মায়ের
দুচোখে জল চিকচিক
করছে।
আমি তাকালেই মা
মুখ ঘুরিয়ে নিত।
আঁচলে চোখ মুছতো
আমাকে আড়াল করে।
মাঝে মাঝে বলতো,
"বা'জান, চোকে মনে অয় সমেস্যা দেহা
দিচে।
খালি জব্ল পড়ে
চোক দিয়া।
কবে বড় অবি তুই
বা'জান?
আমারে মেম সাএব গো মতোন এককান
সসমা কিন্না দিবি কবে?"
আমার গলা ধরে আসে।
আমি তো জানি,
আমার মায়ের চোখের জলের উৎস।
আমাকে বড় হতে
হবে।
অনেক বড়।
অনেক......

• EP/01. All My Bengali Stories 2020 •• স্বরচিত বাংলা গল্প : প্রতীক্ষা।• লেখক : আয়ুষ্মান বিশ্বাস (গিরগিটি)।::::::::::::...
06/09/2020

• EP/01. All My Bengali Stories 2020 •
• স্বরচিত বাংলা গল্প : প্রতীক্ষা।
• লেখক : আয়ুষ্মান বিশ্বাস (গিরগিটি)।
:::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::

[বাস্তব কাহিনী অবলম্বনে সকলের জন্য লেখা, প্লিজ সময় হলে একটু পড়বেন]
:
• সোমনাথ : কাছে অায়।
* দূর্গা : কেন?
• সোমনাথ : তোর বাম গালে কষে একটা থাপ্পড় মারব।
* দূর্গা : কি বললি? মারবি। আমি করলামটা কি?(Gasp Emoticon)
• সোমনাথ : কতবার তোকে খুঁজে গেলাম এখানে। কোথায় ছিলি এতক্ষণ? আচ্ছা আমাকে তুই ভাবিসটা কি?
* দূর্গা : এত খোঁজারই বা আছেটা কি? অামি কি
ছোটমানুষ, যে হারিয়ে যাবো?
• সোমনাথ : খুব পেকেছিস। এতক্ষণ তোর ফোনটা অফ ছিলো কেন?
* দূর্গা : ফোন অফ, চার্জ নেই।
• সোমনাথ : কেয়ারলেস একটা। মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে তোকে রেসলারদের মত উপরে তুলে ছুঁড়ে মারি নীচে।
* দূর্গা : হা হা হা। তো মারবি নাকি এখন?
• সোমনাথ : একদম ফাজলামি করবি না। সহ্য হয় না অামার।
* দূর্গা : তোর এত রাগ কেন বলতো?
• সোমনাথ : জানি না। এবার চল তোকে বাড়ি পৌঁছে দিয়ে অাসি। দুদিনও হয়নি তোর জ্বরটা ভাল হয়েছে। অার ঘোরাঘুরি করতে হবে না। সিক হয়ে পড়বি।
:
(সোমনাথ অার দুর্গা দুজনেই খুব ভাল বন্ধু। সেই ছেলেবেলা থেকে একসাথে বড় হয়েছে। স্কুল লাইফটা দুজনের দুজায়গায় কাটলেও পারিবারিক সূত্রে ওদের প্রায়ই দেখা হত। দুজনেরই বাবা ছোটবেলার বন্ধু। তাই দুজনেই এখন একই মহল্লায় অাছে। যত যাইহোক সোমনাথ কিন্তু দুর্গার অনেক কেয়ার করে। শুধু তাইই নয়, মাঝে মাঝে অন্য কারোর সাথে দুর্গার মেলামেশাও সহ্য করতে পারে না। তখনি ধমক শুরু হয়ে যায় সোমনাথের)
:
* বিরক্ত হয়ে তখন দুর্গা বলে : এতো জ্বালাস কেন অামাকে?
• সোমনাথ : কই জ্বালাই?
* দুর্গা : জ্বালাস না? একটু নিজের মত কলেজ ক্যাম্পাসে চলতে পারিনা। সব কিছুতে তুই নাক গলাস। মেজাজটা বড্ড খারাপ লাগে।
• সোমনাথ : অাচ্ছা শোন! অামি কি একটু বেশি বেশি করি? ঠিক অাছে Sorry দুর্গা। (Smile Emoticon) এবার একটু হাস প্লিজ। (এটা বলা মাত্রই দুর্গা ফিক করে হেসে ফেলল)
:
(দুর্গার ইদানিং ক্লাস মিস যায়। কারন ওর প্রায়ই জ্বর জ্বর থাকে। অনেক টেস্ট করানো হলো। তেমন কিছু ডাক্তার বলতে পারেননি। এর মাঝে কিছু দিন দুর্গার শরীর ভাল ছিল তখন ক্লাস করেছে ঠিক মত। কিন্তু কিছু দিন যেতেই অাবার সিক। সোমনাথ কিছুটা এলোমেলো হয়ে গেছে।কোন কিছুরই ঠিক নেই। রাগটাও হয়ত একটু বেড়ে গেছে। সোমনাথের বাড়িতে সেদিন অালোচনা চলছিল। শুনলো দুর্গার কি জানি একটা ক্যান্সার হয়েছে। তবে সেটা জটিল, হয়ত দুর্গার কখনো বিয়েই হবে না বাইরের কেউ জানলে। তাই সবাই একটু চেপে চেপে রোগের নামটা বলে। ওই দিন সারারাত সোমনাথ ঘুমাতে পারেনি। তাই খুব সকালে দুর্গার বাড়ি গিয়ে হাজির হল। ওদের বাড়িতে গিয়ে সোমনাথ জানতে পারে দুর্গা হাসপাতালে। অাজ ওর প্রথম কেমোথেরাপি। আজ পা টা কেমন জানি অচল হয়ে যাচ্ছে সোমনাথের। অনেক কস্ট করে মনটাকে শক্ত করে সোমনাথ হাসপাতালে পৌছালো। কয়েক ঘন্টা পরে সোমনাথ দুর্গার মুখটা দেখতে পেলো।কি সুন্দর করে ঘুমাচ্ছে, ঠিক ছোট কোন অাদুরে মেয়ে। ডেকে কথা বলতে ইচ্ছে করছে সোমনাথের। অপলক মুখটার দিকে তাকিয়ে অাছে। ইচ্ছে করছে দুর্গাকে বুকে জড়িয়ে ধরে সব অসুখের কাছ থেকে অাড়ালে নিয়ে যেতে। কিন্তু চোখ দুটো ছল ছল করে উঠলো। কিছুই বলতে পারলো না। অাজ সোমনাথ বাসায় যাবেনা ঠিক করেছে। যে যাই বলুক অাজ সে হাসপাতালেই থাকবে। যা ভাবা তাই কাজ। সারা রাত জেগে কাটিয়েছে সোমনাথ। কখনো কখনো রুমে উঁকি মেরে দেখেছে দুর্গার মুখটা। ডাক্তার ও দুর্গার পরিবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, দুর্গাকে দেশের বাইরে পাঠাবে চিকিৎসার জন্য। বয়সটা যেহেতু একটু কম দুর্গার, সে ক্ষেত্রে ভাল চিকিৎসা পেলে সুস্থ হবার সম্ভাবনা বেশি। এবার সোমনাথ জানতে পারল দুর্গার ওভারিয়ান ক্যান্সার। দুর্গাকে দেশের বাইরে নিয়ে যাবার সব কিছুই রেডী। হাসপাতালে সবার মাঝখানে থেকে দুর্গার সাথে তেমন কথা বলতে পারেনি সোমনাথ। শুধু দূর থেকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকত। দুর্গা যখনই সোমনাথের চোখে চোখ পড়ত তখন মুখটা অন্যদিকে সরিয়ে নিত। সেদিন দুর্গার পাশে গিয়ে বসলো সোমনাথ। দুর্গা হাসপাতালের খাটে একটু হেলান দিয়ে বসা)
:
• সোমনাথ : দুর্গা!
* দুর্গা : কিছু বলবি? (কথাটা শেষ না হতেই সোমনাথ দূর্গাকে জড়িয়ে ধরে কান্না শুরু করে
দিলো)
* দূর্গা : (কান্না কান্না কন্ঠে) কি হলো রে, কাঁদছিস কেন?
• সোমনাথ : অামাকে ছেড়ে যাবি না বল।
* দূর্গা : কোথায় যাবো রে! অার চাইলেই কি সবাই থাকতে পারে?
• সোমনাথ : প্লিজ তোর পায়ে পড়ি, অামাকে
ছেড়ে কোথাও যাসনে। (বলেই হাউ হাউ করে কাঁদতে লাগলো)
* দূর্গা : (দূর্গা শক্ত করে সোমনাথকে জড়িয়ে ধরলো) যদি মরে যাই। অামার অসুখটাতো ছাড়বে না অামাকে। একটু লুকিয়ে রাখনা অামাকে কত দিন খোলা অাকাশ, রিক্সা, রাস্তার পাশের ফুচকা...। কলেজ ক্যাম্পাসে যাইনা, তোকে খুব মিস করি। অার তোর যত বকাঝকা। ওটাও মিস করি। জানিস, প্রথম কেমো যখন নেই কস্টে তখন বেঁচে থাকার অাশাটাও অনেক কমে যায়। অামি তো আর বাঁচবো না।
• সোমনাথ : ভুল কথা। তুই বাঁচবি। আমার জন্যে বাঁচবি। পৃথিবীতে এখনো অনেকে এমন অাছে যারা তোর মত ক্যান্সার নিয়ে বেঁচে অাছে। একটু মনের জোর রাখিস। অামি অাছি সবসময় তোর পাশে।তুই সুস্থ হয়ে দেশে ফিরে অায়। তোকে নিয়ে অামি অনেক দূরে চলে যাবো, অনেক দূর....
* দুর্গা : ভালবাসিস অামাকে।
• সোমনাথ : (কান্না কন্ঠে) না বাসিনা। তুই ভালবাসবি অামাকে? আমায় তোর নিজের করে নিবি।
* দুর্গা : (এবার দুহাত দিয়ে দুর্গা সোমনাথকে
ছাড়িয়ে নিলো। বলল) তুই কি জানিস অার কয়েকটা কেমো নিলেই অামার সব চুল পড়ে যাবে। অামাকে দেখতে কুৎসিত পেত্নীর মতো লাগবে। পারবি তারপরেও ভালোবাসতে?
• সোমনাথ : লাগুক সব চুল ঝড়ে যাক। অামি
সেদিনও তোকে আজকের মতো ভালবাসবো।
* দুর্গা : এতটা ভালোবাসিস আমাকে। (বলে দুজনেই গলা জড়িয়ে অঝোরে বিজয়ার কান্না কাঁদতে থাকে)
:
(দুজনের কেউই বা আমরা জানিনা, ভবিষ্যৎ কী লেখা আছে। তবে বিজয়া শেষে দুর্গা যেন আবার সুস্থ শরীর নিয়ে দেশে ফিরে আসে। সোমনাথ আর দুর্গার জীবন পূর্ণতা পাবে। ঈশ্বরের কাছে এই প্রার্থনা নিয়ে বিজয়া দশমীতে আজকের লেখা শেষ করছি)
:::::
[আর এই সাথে আমার গল্পটি শেষ হলো। ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। পরবর্তী গল্পগুলি পড়তে আপনার প্রতিক্রিয়া সহ মূল্যবান মতামত জানিয়ে অপেক্ষা করুন।
:
আশা রাখি আপনাদের ভালো লাগবে। বিশেষ অনুরোধ : আমার গল্পগুলি দয়া করে পড়বেন। লাইক শেয়ার করবেন। মতামত জানাবেন। লক আউট না হয়ে লক ডাউন মেনে ঘরে থাকুন। নিজেদের অস্তিত্ব বাঁচান। প্রকৃতির কোলে আমাদেরকে একটু সুস্থভাবে বাঁচার সুযোগ করে দিন]
___________________________________________
• বাংলা রোমান্টিক গল্পগুচ্ছ ২০২০ •
• কলমে #আয়ুষ্মান_বিশ্বাস (গিরগিটি)।
@ Ayusman Biswas (Girgiti).
• ১৯/০৪/২০২০ (রবিবার)।
• Now Facebook Following & Like us :
https://www.facebook.com/AuthorAyusmanBiswas
• ℗ 2020, GOLPER FERIOALA - গল্পের ফেরিওয়ালা।
• © & ® সাহিত্য সংলাপ প্রকাশনী।
• পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
___________________________________________
* বিঃ দ্রঃ • রচনার বছর : ২০১৫।
• কলমে : আয়ুষ্মান বিশ্বাস।
• প্রথম প্রকাশ : ২০১৬।
• প্রকাশ সূত্র : স্বনির্বাচিত বাংলা গল্পগুচ্ছ।
___________________________________________

• EP/02. All My Bengali Stories 2020 •• স্বরচিত বাংলা গল্প : কাকতলীয়।• লেখক : আয়ুষ্মান বিশ্বাস (গিরগিটি)।:::::::::::::...
06/09/2020

• EP/02. All My Bengali Stories 2020 •
• স্বরচিত বাংলা গল্প : কাকতলীয়।
• লেখক : আয়ুষ্মান বিশ্বাস (গিরগিটি)।
:::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::

[বাস্তব কাহিনী অবলম্বনে সকলের জন্য লেখা, প্লিজ সময় হলে একটু পড়বেন]
:
• (রং নাম্বারে ফোন লাগিয়ে) উদিত : হ্যালো।
* মেয়ে : কে আপনি?
• উদিত : না মানে। আমি একজনকে।
* মেয়ে : কাকে ফোন দিয়েছেন?
• উদিত : সরি! আমি ভুল নাম্বারে কল দিয়ে ফেলেছি তোমাকে।
* মেয়ে : ওকে, আর ফোন দিও না।
(লাইন "কাট")
:
(উদিত পরের দিন আবার কল দিলো ইচ্ছে করেই)
* মেয়ে : এই ছাগল তোকে না বলেছি, ফোন দিবি না।
(লাইন "কাট")
:
(বারণ সত্ত্বেও উদিত পরের দিন আবার কল দিল)
* মেয়ে : এই কুত্তার বাচ্চা আজকেও কেন ফোন দিলি?
(লাইন "কাট")
:
(উদিত এইভাবে আড়াই মাস বকাঝকা শুনল। নীরবে কোনো প্রতিবাদ ছাড়াই। মেয়েটাকে উদিত কোনোদিন কখনোই কিচ্ছু বলেনি। আজ উদিত আবার কল দিল)
* মেয়ে : এই ছাগলের বাচ্চা প্রতিদিন তোকে যে আমি এত বকা দিই, তারপরেও কেন ফোন দিস, না না আমার তো মনে হয়, তোর আসলে জন্মেরই ঠিক নেই, তোর মা তোকে যে কিভাবে জন্ম দিয়েছে। কে জানে।
• উদিত : (এত বড় বকা শুনে দুচোখে অশ্রুবারি ঝরাতে ঝরাতে বলল) সুইটহার্ট আমি ইচ্ছা করেই আড়াই মাস ধরে তোমার বকাঝকা শুনেছি। শুধুমাত্র তোমার মিষ্টি কণ্ঠটা শুনবার জন্য। কিন্তু আজ তুমি এত বড় বকা দিলে। তবুও কিচ্ছুটি বলব না। শুধু এটুকুই বলব। তোমার কণ্ঠটা অনেক সুন্দর। যা সবসময় আমাকে মোহিত করে।
(লাইন "কাট")
:
(মেয়েটা ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটিতে পড়ে। আড়াই মাস পর একদিন হঠাৎ মেয়েটি প্রচণ্ড মানসিক চাপে পড়ে গেল। ঠিকমত ঘুমাইনা। খায়না। কারো সাথে কথাও বলে না। একরকম হীনমন্যতায় ভুগতে থাকে। ইউনিভার্সিটির ফাইনাল পরীক্ষা শেষ। কিছুই ভাল লাগে না আর। বসে বসে খালি এটাই ভাবে। ছেলেটাকে এত বড় বকা দিলাম অথচ ছেলেটা একটু প্রতিবাদও করল না। নাহ্ ছেলেটার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। এই ভেবে মেয়েটা কল দিল। কিন্তু ৬ মাস হয়ে গেল উদিতের ফোন বন্ধ। উদিতের জন্য ওর মা-বাবা বিয়ে ঠিক করেছেন। রাত পোহালেই উদিতের বিয়ে। তাই কি মনে করে হঠাৎ বন্ধ সিমটা চালু করতেই দেখলো পাঁচ হাজারেরও বেশি মিসকল এসেছে ঐ মেয়েটার। ভাবনার অবকাশ ঘটিয়ে ৫মিনিট পরেই মেয়েটা কল দিলো)
:
• উদিত : হ্যালো।
* মেয়ে : (কান্নার সুরে বলে) তুমি এতদিন কোথায় ছিলে?
• উদিত : আমি কোথায় ছিলাম তা জেনে তোমার কি প্রয়োজন।
* মেয়ে : আমাকে তুমি ক্ষমা করে দাও। আমি তোমাকে খুব ভালোবেসে ফেলেছি।
• উদিত : তুমি আড়াই মাস বকাঝকা দিয়ে ভালোবেসেছো আর আমি প্রথম বকা খেয়েই তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছিলাম। ঠিক আছে ক্ষমা করে দিতে পারি। যদি তুমি কাল অামার বিয়েতে আসো।
* মেয়ে : আমি কি করে আসব। কাল তো আমারও বিয়ে।
• উদিত : আসতে হবে না। বাই।
(লাইন "কাট")
:
(বিয়ে শেষে উদিত বউ নিয়ে বাড়িতে আসলো। বাসর রাতে যখন বৌএর কাছে এলো। দেখে মেয়েটা অনেক কান্নাকাটি করছে। উদিতকে দেখে কান্না থামিয়ে মেয়েটা বলে)
* মেয়ে : প্লিজ আমার একটা কথা রাখবেন।
• উদিত : নিশ্চয় রাখব। বলো কি কথা।
* মেয়ে : আমি বিয়ের আগে একটা ছেলেকে আড়াই মাস বকা দিয়েছি, তাই তার কাছে ক্ষমা চেয়ে আমি আপনার সাথে বাসর করব। বলুন না আপনি এই ইচ্ছেটা পূরণ করবেন।
• উদিত : ও আমার জান। আমার তো বিশ্বাসই হচ্ছে না। তুমি যাকে বকা দিয়েছিলে, আমিই সেই ভাগ্যবান ছেলে উদিত। আর আমার ভাগ্য দেখ। মাবাবা যে বেছে বেছে আমার জন্য পায়েল মানে তোমাকে ঠিক করেছে তা আমি আগে জানতাম না। ওহ আমার কি যে অনুভূতি হচ্ছে। গাইতে ইচ্ছে করছে তুমি ছাড়া ভাষা নেই আমার জীবনে।
* পায়েল : আমিও সারাজীবন বলতে চাই Love U Only UDIT.
:
(এই কথা বলেই দুজন দুজনের গলা জড়িয়ে ধরল এবং এই আনন্দে উদিত পায়েল দুজনেই বাসরের কথা ভুলেই গেলো।)
:::::
[আর এই সাথে আমার গল্পটি শেষ হলো। ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। পরবর্তী গল্পগুলি পড়তে আপনার প্রতিক্রিয়া সহ মূল্যবান মতামত জানিয়ে অপেক্ষা করুন।
:
আশা রাখি আপনাদের ভালো লাগবে। বিশেষ অনুরোধ : আমার গল্পগুলি দয়া করে পড়বেন। লাইক শেয়ার করবেন। মতামত জানাবেন। লক আউট না হয়ে লক ডাউন মেনে ঘরে থাকুন। নিজেদের অস্তিত্ব বাঁচান। প্রকৃতির কোলে আমাদেরকে একটু সুস্থভাবে বাঁচার সুযোগ করে দিন]
___________________________________________
• বাংলা রোমান্টিক গল্পগুচ্ছ ২০২০ •
• কলমে #আয়ুষ্মান_বিশ্বাস (গিরগিটি)।
@ Ayusman Biswas (Girgiti).
• ১৯/০৪/২০২০ (রবিবার)।
• Now Facebook Following & Like us :
https://www.facebook.com/AuthorAyusmanBiswas
• ℗ 2020, GOLPER FERIOALA - গল্পের ফেরিওয়ালা।
• © & ® সাহিত্য সংলাপ প্রকাশনী।
• পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
___________________________________________
* বিঃ দ্রঃ • রচনার বছর : ২০১৫।
• কলমে : আয়ুষ্মান বিশ্বাস।
• প্রথম প্রকাশ : ২০১৬।
• প্রকাশ সূত্র : স্বনির্বাচিত বাংলা গল্পগুচ্ছ।
___________________________________________

Address

Tehatta-Nadia
Krishnagar City
741160

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bristi Veja Udit - বৃষ্টি ভেজা উদিত posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share