21/12/2023
একসময় এখানকার জমিদার ছিলেন চ্যাটার্জি বাবুরা। কৃষ্ণনগর থেকে যে রাস্তা করিমপুর চলে গেছে , সে রাস্তায় আন্দুলিয়া ছাড়িয়ে শোনপুকুর এবং শোনপুকুর থেকে ৩ কিলোমিটার গেলে পরবে হাতিশাল গ্রাম।
এই গ্রামের চারপাশে এখনকার জমিদার কাটিয়েছিলেন পরিখা এবং তাদের হাতি ও ঘোড়ার সংখ্যাও ছিল অধিক। জনশ্রুতি হিসেবে যে স্থানে হাতি রাখাহতো সেখান থেকে হয়তো এই গ্রামের নাম পরবর্তীতে 'হাতিশালা' নাম বেশি পরিচিতি পায়।
একসময় এই জমিদার বাড়ির দুর্গাপুজোতে ১০৮ ই ঢাকের সহযোগে পূজা সম্পন্ন হতো এবং নবমীর দিন হতো মহিষ বলি।
এই হাতিশালা গ্রামের একটি বিখ্যাত স্থান হলো ' কালিতলা ' , এই কালীতলায় সিঁদুর মাখানো পাথর খন্ডকে দেবী রূপে পূজা করেন গ্রামের মানুষজন। এখানকার বাউল গান ও বোলান গান খুবই জনপ্রিয়।
এই সিরিজে আমাদের ঐতিহ্যের বিচারে আমরা নদিয়ার কিছু গ্রামকে সিলেক্ট করেছি। তারই সিরিজ চলছে এই সপ্তাহ জুড়ে । আমরা আমাদের সীমিত যা তথ্য আছে আপনাদের সাথে তুলে ধরবো এবং আমরা চাই আপনারাও আপনাদের জানা তথ্য আমাদের সাথে তুলে ধরুন । তাতে করে আমরা সবাই মিলে আমাদের জানার পরিধি বাড়িয়ে তুলতে পারবো ।
বিঃদ্রঃ এখন আর কোনো গ্রামই আর সেরকম গ্রাম নেই। তার পরিবর্তন ঘটেছে অনেক। এই কনটেন্ট যখন ডিজাইন করা হয়েছে প্রাচীন সময়কে মনে রেখেই করা হয়েছে। কনটেন্ট এ ব্যবহৃত ছবির সাথে গ্রামের ছবির কোনো মিল নেই।
বি:দ্র: আমাদের অফিসিয়াল ইউটুবের লিংক কমেন্ট এ দেওয়া হয়েছে।
Content copy is completely protected by InKrishnanagar
#হাতিশালা #গ্রাম #গ্রামবাংলা #নদিয়ারগ্রাম