ভালোবাসা যা দেয় তারচেয়ে বেশী কেড়ে নেয়

  • Home
  • India
  • Krishnagar City
  • ভালোবাসা যা দেয় তারচেয়ে বেশী কেড়ে নেয়

ভালোবাসা যা দেয় তারচেয়ে বেশী কেড়ে নেয় Plz like my page and sharh plz a paga sudo kosto kata paby so plz like any my swite frnds. https://m.facebook.com/profile.php?id=274892949354723

23/07/2015

তোমার তো এখানে বসে থাকার কথা ছিলনা। তবে এখানে কেন বসে আছ? শাহিন কে শাসানোর মত করে কথা গুলো বলতে থাকে নীলা। পাক্কা ১৫ মিনিট ধরে পুরো পার্ক তন্ন তন্ন করে শাহিন কে খুজেছে নীলা। দুজনের দেখা করার কথা ছিল পার্কের অন্য কোনায় যেখানে অনেক গুলো ফুল গাছ আছে। লাল রঙের ফুল নীলার খুব পছন্দ। শাহিন নীলা কে সবসময় লাল রঙের ফুল দিয়েই প্রপোজ করে। পার্কে আসলে যখনই নীলার অভিমান হয় তখনই গাছ থেকে একটা লাল ফুল এনে নীলা কে দেয়। আজ সে ধরনের কোনো সুযোগ নেই। নীলার দিকে না তাকিয়েই শাহিন জবাব দিতে থাকে।

*এখানে অনেক ঘাস আছে তাই বসে আছি।
-তুমি কি ছাগল যে ঘাস দেখে বসতে হবে?
*আমি ঘাস দেখে বসিনি, ঘাসের উপর বসে আছি। চাইলে তুমিও বসতে পার।
-আমি তোমার মত ছাগল না।
*আমি জানি তুমি ছাগল না। ছাগলের স্ত্রী লিঙ্গ ছাগী।
-কি আমাকে তুমি ছাগী বললে!!!!????
*এখনো বলিনি। তবে ছাগলের বউ ছাগীই হয়।
-আমি তোমার বউ না।
*আমি তো বলিনি তুমি আমার বউ।
-এত কথা প্যাঁচাও কেন? তুমি একটা রামছাগল।
*রামছাগলের তুর্কি দাড়ি থাকে। আমি একদম ক্লিন শেভ।
-ওহ অসহ্য! কেন যে তোমার মত ইডিয়ট এর সাথে প্রেম করি?
*আমরা প্রেম করছি না। আমরা ঝগড়া করছি।
-তোমার মত #রামছাগলের সাথে আমার ঝগড়া করতে বয়েই গেছে?
*আমি একটু আগেই শেভ করে এসেছি। আমার দাড়ি উঠলে হালকা চাপ দাড়ি ওঠে তা তুমি জানো
-শেভ করেছ কেন? আমার হালকা চাপ দাড়িই ভাললাগে।
*তোমার মুখে কখনো দাড়ি দেখিনি। আগে তো জানতাম না তোমার দাড়ি হয়!!
-আমাকে কটা টাকা ধার দাও তো
*কি করবে?
-প্রথমে একটা পিস্তল আর গুলি কিনব। তারপর তোমাকে গুলি করে মারব। গরু কোথাকার। আমি কি আমার দাড়ির কথা বলেছি?
*আমার কাছে সিগারেট কেনার টাকা থাকে। পিস্তল কেনার নয়
-কি তুমি সিগারেট খেয়েছ!!??
*সিগারেট খেলে ক্যান্সার হয়ে মরার সম্ভাবনা আছে। তোমাকে আর কষ্ট করে মারতে হবেনা।
-একদম অলক্ষুনে কথা বলবে না। গরু ছাগল ভেড়া কোথাকার, বসে বসে ঘাস খাও প্রিয়তমার মুখ থেকে গরু ছাগল ভেড়া ডাক শুনতে খারাপ লাগে না। বরং ভালই লাগে। অন্যান্য প্রেমিকের মত শাহিনও তার ব্যাতিক্রম নয়। সব প্রেমিক অবশ্য সিগারেট খায় না। নীলা যেইসব বিষয়ে রেগে যায় শাহিন সেইগুলোই বেশি করে। এভাবে রাগানোর ভিতর একটা ভালবাসা থাকে। নীলা কে এভাবে রাগানোর অধিকার শুধু রাতুলেরই আছে।
*আমি ঘাস খাচ্ছিনা। আমি বাদাম খাচ্ছি।
-কই এতক্ষন তো খেয়াল করিনি! বাদাম কেন খাচ্ছ? নীলার খেয়াল করার কথা না। কারন ও এখনো রাতুলের সামনে যায়নি। পেছন থেকেই কথা চালিয়ে যাচ্ছিল। তাই ঘাস খাওয়া আর বাদাম খাওয়ার পার্থক্য ধরতে পারেনি। *বাদাম খেলে ত্বক ভাল হয়।
-হঠাত ত্বক ভাল করার নেশা চাপল কেন?
*আরেকটা প্রেম করব তাই -তুমি আমাকে ছেড়ে আরেকটা ডাইনির সাথে প্রেম করবে!!?? ভালবাসার ভাগ কেও দিতে চায়না। নীলাও তার ব্যাতিক্রম নয়। শাহিন অন্য মেয়ের দিকে তাকালেই সেই মেয়ে নীলার কাছে ডাইনি।
*তুমি যে ডাইনি তাতো জানতাম না।
-আমি ডাইনি না, তুমি যার সাথে প্রেম করবে তাকে ডাইনি বলেছি। নীলার প্রিয় রং নীল নয়, কালো। রাগে নীলার মুখের রং কালো হয়ে গেছে। নীল হওয়ার কথাও নয়। কারন নীল বিষাদের রং। নীলার মনে বিষাদ নেই। সেখানে শুধুই আছে শাহিনের ভালবাসা।
*ও ডাইনি না। ওর নাম নীলা
-থাকো পড়ে তোমার নীলা ফিলা কে নিয়ে। আমার সাথে কথা বলতে আসবে না। রেগে গেলে নীলা নিজের নাম ভুলে যায়। রাতুল নীলা কে অযথা রাগাতে ভালবাসে এটা নীলাও জানে। "ভালবাসায় মান অভিমান না হলে ঠিক জমে না" এটা কোনো মনিষী বলেছেন কিনা নীলা বা শাহিন কারোরই জানা নেই। হয়ত জগতের কোনো প্রেমিক প্রেমিকারই জানা নেই। তবু সবাই মান অভিমানের খেলায় মেতে ওঠে। রাগারাগি মান অভিমান ভালবাসার মাঝে অলিখিত চুক্তি।
*আমার পাশে একটু বসবে? জায়গাটা পরিষ্কার আছে।
-না বসবো না। তুমি একটা ফাযিল। আমার মন নিয়ে খেলা করবে। আমার মন নরম। তাই যখন তখন তোমার খেয়ে ফেলতে ইচ্ছে হবে।
*একটু বসো। আমি তোমার মন নিয়ে খেলব না। তোমার চুলগুলির সাথে দুষ্টুমি করবো। তোমার চুলের মিষ্টি ঘ্রানে মাতাল হয়ে যাব
- এহ শখ কত! আমি মাতাল ছেলেকে পছন্দ করিনা। কথাটা বলতে বলতেই নীলা রাতুলের পাশে বসল। যখন ভালবাসাটা অনুভব করা যায় তখন প্রেমিক প্রেমিকা দুজনেই মাতাল হয়ে যায়। আবল তাবল কথা বলতে ভাল লাগে। নীলাও এখন মাতাল রাতুলের ভালবাসায়। আচ্ছা মাতালের স্ত্রী লিঙ্গ কি? না থাক। সব ক্ষেত্রে ব্যাকরন টানলে চলে না। ভালবাসার কোনো ব্যাকরন হয় না।
*ফুচকা খাবে? ফুচকা খেলে মাতাল হওয়ার চান্স নেই
-না। যা খাচ্ছিলে তাই খাব বাদামের খোসাগুলো নীলার দিকে এগিয়ে দিল রাতুল। দু চারটা বাদামের খোসা মুখে চালান করে দিল নীলা। আস্ত একটা মাতাল মেয়ে। বাদামের খোসাও চেনে না। সেগুলো দিব্যি চাবিয়ে যাচ্ছে। একটু দেরিতে চিনলেও রাতুল কে তাড়া দিতে দেরি করলো না নীলা। পার্কে একটা ছেলে দৌড়াচ্ছে, একটা মেয়ের তাড়া খেয়ে। তারা হাপিয়ে গেলে ফুচকা ওয়ালার সামনে থামবে। ফুচকার খোসাগুলো বাদামের খোসার মত নয়। ওটা খাওয়া যায়। ভালবাসায় বিভোর জোড়া গুলো এভাবেই যুগে যুগে মাতলামির সংজ্ঞা বদলে দেবে।

06/07/2014

এই
পৃথিবীতে সবচেয়ে বোকা সেইই.......
যে তার
ভালোবাসা প্রকাশ
করতে পারে না।
কারন,
ভালোবাসা প্রকাশের
মাঝেও এক অজানা সুখ
আছে।
যা ভালোবাসা পাওয়ার
মাঝেও
নেই.......
সবসময়
যে ভালোবাসা পেতে হবে অথবা ভালোবাসায়
সফলতা আসবে তা তো কোন
কথা নয়।
দুর
থেকে ভালোবেসে ভালোবাসার
মানুষটির মঙ্গল কামনার
মাঝেও
জীবনের অনেক সুখ
অন্তর্নিহিত ।ভালোবাসা কি_?ναĻσναѕнα кι_?

03/07/2014

একটি ছেলে তিন বছর
সম্পর্কের
পরমেয়েকে বলতেছে ,ছেলেঃ আমার
মনে হচ্ছে আমি তোমাকে ভালোবাসি না ।
মেয়েঃ কি ??
ছেলেঃ হ্যা ,
আমি আমার
জীবনকে তোমার
সাথে থেকে নষ্ট
করতে পারবো না ।
মেয়েঃ তুমি এই
গুলো কি বলতেছ??? এই রকম
করো না আমার সাথে ।
আমার ভুলটা কোথায় ?
প্লিস বল ।
ছেলেঃ আমি ব্রেক আপ
চাচ্ছি ।
মেয়েঃ আমি তোমাকে ছাড়া থাকতে পারবো নাছেলেঃ কিন্তু
আমার ব্রেক আপ চাই।
এইটা বলে ছেলে টা চলে গেল

মেয়েটি রাত্রে বেলা অনেক
কান্নাকাটি করল ।
সে বুঝে উঠতে পারছেলিনা যে সে কি হারিয়েছে ।
এই রকম কিছু দিন যাওয়ার
পর ও ছেলেটি মেয়েটির
সাথে যোগাযোগ
করলনা । তখন
মেয়েটি নিজেকে অনেক
শক্ত করল । এবং সে তার
বাবমাকে তাকে বিয়ে দেওয়ার
জন্যে পাত্র দেখতে বলল ।
তারপর সে অন্য
একটি ছেলে কে বিয়ে করল
। সে সবসময় ভাল থাকার
চেষ্টা করত কিন্তু পারত
না ।এমনকি তার বিয়ের
পর ও প্রত্যেক
রাতে সে কাঁদত সেই
ছেলেটির
জন্যে যে তাকে অন্ধকারে একা রেখে চলে গেছে ।
সে এখনো বিশ্বাস
করে তার সেই
মানুষটি তার
কাছে আসবে ,
এবং তাকে নিয়ে একসাথে থাকবে,কিন্তু
তা আর হল না ।বিয়ের ২
বছর পর
মেয়েটি ছেলেটির
বাড়িতে গেল তার
বোনের
সাথে দেখা করতে । তার
বোনতাকে ছেলেটির
রুমে নিয়ে গেল
এবং তারহাতে একটি চিঠি দিল
এবং কেঁদে কেঁদে বলল ,
যে তার ভাই ২ বছর
আগে ক্যান্সার এ
মারা গেছে । তারপর
মেয়েটি বাড়িতে গেল ,তারপর
চিঠি টি খুলে পড়তে লাগলো "জান
আমি জানি তুমি এখনো আমার
জন্যে অপেক্ষা করছ ,কিন্তু
এই তা হয়ত আমাদের
নিয়তিতে নেই । তুমি মন
খারাপ করো না , আমি এই
কাজ করেছি শুধু
তোমাকে শক্ত করার
জন্যে,তোমাকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার
জন্যে।
কখনো নিজেকে দোষারোপ
করো না কোন কিছুর
জন্যে ।
আমি এখনো বেচে আছি তোমার
হৃদয়ের মাঝে ।
আছি না ?? এবং তোমার
ভালবাসা কখনো হারাবে না ।
আশা ছেড়ো না , সবসময়
হাসি খুশি থাকবে ,তুমি জানো আমি তোমার
হাসি মুখ
তা দেখতে অনেক
ভালোবাসি ।আমি সব
সময় তোমার
সাথে ছিলাম , আছি ,
থাকব ।

28/06/2014

মেয়েটির
সাথে ছেলেটির সম্পর্ক
আজ প্রায় ৫ বছর।
ছেলেটি মেয়েটিকে একদিন
একটি বারবি ডল উপহার
দিয়েছিল। ছোট্ট
একটি কোম্পানিতে সামান্য
কিছু বেতনের
চাকরি করত বিধায়
ইচ্ছা থাকলেও বড় কিছু
কিনে দেবার সামর্থ্য
তার ছিল না।
ছেলেটি ভাবতো সে যদি মেয়েটিকে বিয়ে করে তবে সারা জীবনেও
তাকে ঐশ্বর্যের সুখ
দিতে পারবে না।
হঠাত্ কোনও এক
বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যায়
মেয়েটি সেই
ছেলেটির বাসার
সামনে এসে হাজির।
মেয়েটি বলল,
আগামিকাল সন্ধ্যায়
সে তার বাবা মার
সাথে প্যারিসে চলে যাচ্চে এবং কোনও
দিনও ফিরবে না।
সুতরাং তাদের সম্পর্ক
আজ এখানেই শেষ।
ছেলেটি কি বলবে বুঝতে পারছিলো না,
তবে চোখের
পানি সামলে নিয়ে শুধু
আস্তে করে বললো-
"ঠিক আছে"
পরদিন সন্ধ্যায়
আজও গতদিনের
মতো বৃষ্টি হচ্ছে,
ছেলেটি এক কাপ
চা হাতে বারান্দায়
দাঁড়িয়ে ছিল।
হঠাত্ খেয়াল
করে দেখলো দূর
আকাশে একটি প্লেন
ভেসে চলছে। গন্তব্য
জানা না থাকলেও
ছেলেটি বিড় বিড়
করে আপন মনে তার
ভালোবাসার
মানুষটিকে দূর থেকেই
গুড বাই জানালো।
রাত ১টা.....
ছেলেটা ঘুমোতে পারছে না।
কয়েক ডোজ ঘুমের ওষুধ
খেয়ে চোখ মুখ
জ্বালা করছে তবুও ঘুম
নেই। যেই
মানুষটিকে ভেবে ভেবে সে প্রতি রাত
পার
করছে,যাকে নিয়ে ভাবতে ভাবতে তার
প্রতিটি সকাল
হয়েছে সেই
মানুষটি তাকে ছেড়ে চলে গেছে স্পষ্টই
বুঝতে পারছিলো সে,
নিজের কাছে কিছু সত্য
ভালোবাসা ছাড়া আর
এমন কিছুই ছিল না যার
মাধ্যমে সে তার
ভালোবাসাকে আঁকড়ে রাখবে।
ঐশ্বর্যের
ভেতরে থেকে যে মানুষ
হয়েছে সে কেন মনের
আবেগে অন্ধকারে পা দেবে,
কথাগুলো ভাবতে ভাবতেই
ছেলেটি মন শক্ত করল।
যে ঐশ্বর্যের
টানে মেয়েটি আজ
তাকে ছেড়ে চলে গেল
একদিন সমপরিমাণ
ঐশ্বর্য নিয়েই
সে মেয়েটির
সামনে হাজির হবে।
কঠোর পরিশ্রম আর
নিয়তির নির্মম
পরিহাসে ছেলেটি আজ
অঢেল সম্পত্তির
মালিক, নিজস্ব
কোম্পানি, আর লাখ
টাকা মূল্যের
গাড়ি নিয়ে সে আজ
সম্পূর্ণ প্রস্তুত সেই
মেয়েটির
সামনে হাজির হতে।
আজও সন্ধ্যা হয়েছে,
আকাশ মেঘ
করে অঝোরে বৃষ্টি নামছে,ঠিক
যেন সেই দিনের
বৃষ্টি যেদিন তার
ভালোবাসা তাকে ছেড়ে চলে গিয়েছিল
আনমনে এসব
কথা ভাবতে ভাবতে গাড়ি চালাচ্ছিল
ছেলেটি।
এয়ারপোর্ট, রাত ৮টায়
ফ্লাইট
গন্তব্য প্যারিস
সেই মেয়েটির খোঁজে।
গাড়ি চালাতে চালাতে হঠাত্
সামনের রাস্তায় দুইজন
মধ্য বয়সী নারী পুরুষের
দিকে চোখ গেল তার।
চিনতে অসুবিধা হয়নি তারা সেই
মেয়েটির বাবা মা।
ইচ্ছে হচ্ছিলো কাছে যেয়ে মেয়েটির
ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করতে,
কিন্তু মনের
আকুলতা সামলে নিয়ে সে গাড়ির
গতি কমিয়ে মেয়েটির
বাবা মার পিছু পিছু
যেতে লাগল। কিছুক্ষণ
পর সে খেয়াল করল
মেয়েটির
বাবা মা একটি কবর
স্থানের ভেতর ঢুকছে।
দম বন্ধ
হয়ে আসছে ছেলেটির।
গাড়ি থামিয়ে দ্রুত
সে নিজেও
কবরস্থানে গেলো,
যেয়ে দেখতে পেল সেই
মেয়েটির
ছবি সম্বলিত
একটি কবরে তার
বাবা মা ফুল দিচ্ছে।
কবরের এক
পাশে রয়েছে একটি বাক্স।
ছেলেটিকে দেখে মেয়েটির
বাবা মা এগিয়ে এলো।
কেমন করে এসব
হলো জানতে চাইলে তারা বলে,
"ওকে আমরা উন্নত
চিকিত্সার জন্য
প্যারিসে নিয়ে যেতে চেয়েছিলাম।
কিন্তু ও যেতে চায় নি,
ও তোমার
কথা বলেছিল।
বলেছিল-তার
ভালোবাসাকে রেখে সে কিছুতেই
যেতে পারবে না।
ওর আসলে ক্যান্সার
হয়েছিল। ডাক্তার ওর
মৃত্যুর দিন ঠিক
করে দিয়েছিল। কিন্তু
এ সব তোমাকে ও বুঝতেই
দেয় নি। ও কোন দিনও
তোমার
হতে পারবে না জেনেই
ও নিজেকে তোমার
থেকে আলাদা করে নিয়েছিল।
ও মৃত্যুর
আগে বলে গিয়েছিল-
ওর ভালোবাসা অবশ্যই
তোমাকে ওর
কাছে ফিরিয়ে আনবে।
এরপর তারা কবরের
পাশের সেই বাক্সটার
দিকে দেখিয়ে বললো,
সম্ভবত তোমার জন্য
ওটাতে কিছু আছে।
ছেলেটি বাক্স
খুলে দেখে এর
ভেতরে সেই বারবি ডল
আর একটি চিঠি।
চিঠিতে লেখা রয়েছে-"আমাকে ক্ষমা করো,তোমাকে কষ্ট
দেয়ার কোন ইচ্চাই
আমার ছিলো না। স্বপ্ন
ছিল তোমার
সাথে আমার ভূত-
ভবিষ্যত গড়ব, কিন্তু
ডাক্তার আমার
চলে যাবার টিকিট
দিয়ে দিয়েছিল, তাই
আমাকে একলা চলে আসতে হলো।"
চিঠির একদম শেষ
প্রান্তে লেখা ছিল-
"খবরদার কাঁদবে না..ভালোবাসা কি_?ναĻσναѕнα кι_?

24/06/2014

শুধু একবার বল
"ভালবাসি"....
একটা তাজমহল
হয়তো বানাতে পারব
না,
তবু গড়বো বাবুই পাখির
মত
ছোট্ট সুখের এক নীড় ।|।
--
শুধু একবার হাসো
আমার পানে চেয়ে....
আকাশের ঐ
চাঁদটা হয়তো
এনে দিতে পারব না,
তবু চাদনী রাতে সেই
হাসির সৌন্দর্যে মুগ্ধ
হব ।|।
--
শুধু একবার
কাছে ডাকো আমায়...
সাত-সমুদ্র, তের-নদী
হয়তো পাড়ি দিতে পারব
না,
তবু ছুটে আসব তোমার
হৃদয়ের
আহ্বানে সাড়া দিতে ।|।
--
শুধু একবার আসো
আমার সাথে...
এভারেস্ট
কিংবা মঙ্গলে
হয়তো নিয়ে যেতে পারব
না,
তবু দেখাব তোমায়
আমার
হৃদয়ে থাকা অজস্র
সপ্নের পাহাড় ।|।
--
শুধু এক টুকরো
ভালবাসা দাও আমায়..
প্রতিদানে হয়তো তেমন
কিছুই দিতে পারব না,
তবু সেই
ভালবাসা ধরে রাখব
জীবনের শেষ
নিশ্বাসটি পর্যন্ত ।|।
--
আজ আর তোমাকে
কিছুই বলবো না,
শুধু বলবো
খুব
বেশি ভালবাসি তোমায়,
যার শেষ
হয়তো কখনো হবে না ।।। #রাজু

18/06/2014

যদি কোনদিন
তুমি তোমার
অতীত
কে ভুলে যাও,
ফিরে এসো আমার
কাছে..
আমি যত্ন করে আমার
ভাঙ্গা হৃদয়টা,
তোমার হাতে তুলে দেব...
তুমি না হয় আবারো কিছু
মিথ্যা অভিনয়ে টুকরো টুকরো করে দিও

আমি এবারো চুপ
করে দেখে যাবো শুধু ।
যদি কোনদিন
পুরনো স্মৃতি তোমার
বর্তমানকে থমকে দেয়,
ভেবে নিও আমার অদৃশ্য
ভালোবাসার
স্পর্শটুকু এখনো তোমায়
ছোঁয়ে যায় ।
যা তোমার জানার
অন্তরালেই
থেকে যাবে.……

18/06/2014

এক সময় আমি মনে করতাম
যে,
কাউকে ভুলে যাওয়া খুব
কঠিন ।
কিন্তু বাস্তবতার
সামনে দাড়িয়ে আজ
আমি বলছি,
আসলে ভূলে যাওয়া নয়...
একজন মানুষকে সত্যিকার
ভাবে চিনতে পারা খুব
কঠিন...

16/06/2014

"Gf বা Bf থাকা মানেই
ভালোবাসা না,,,,,কিন্তু
জীবনে এমন
একজন থাকা দরকার, যার
প্রতি আপনার
অন্ধ বিশ্বাস
আছে ,,,,,আপনি যদি তাকে সর্বোচ্চ
পরিমাণ কষ্ট দেন, তবুও
সে আপনার হাত
ধরে রাখবে, আর
বলবে,আমি আছি,
আমি ছিলাম, আর
আমি সব সময়
তোমারি পাশে থাকবো,,,,,এটাই
ভালোবাসা, এটাই
জীবন,,,,,,আছে কি এমন
মানুষ এই
দুনিয়া তে"s.m

13/06/2014

প্রিয়
মানুষকে খুশি করার জন্য
আমরা নিজেদের
দু:খ গুলো আড়াল করি...
দু:খের মাঝেও সুখের
হাসি উপহার দেই..
শুধু মাত্র তার একটু মুখের
হাসির জন্য....
কত নাটক....
অভিনয় ....যাকে ভালোবাসো তাকে কখনো বুঝতে দিওনা, তাকে তুমি খুব বেশি ভালোবাসো| যদি সে বুঝতে পারে, তুমি তাকে অনেক বেশি ভালোবাসো| তবে সে তোমাকে কষ্ট দিতে শুরু করবে| কারন মানুষ কিছু পেলে তার মযার্দা দিতে জানে না!!!!

11/06/2014

এক ছেলে এক
মেয়েকে Love করত। তাই
ছেলেটি একদিন সাহস
নিয়ে মেয়েটিকে Propose
করল ,মেয়েটি কিছুক্ষণ পর
বলল.....।মেয়ে :- শোন
তোমার এক মাসের বেতন
আমার একদিনের হাত
খরচ। তোমার
সাথে relation করব আমি!,
ভাবলে কি করে !!!
আমি তোমাকে কখনই love
করতে পারব্ না । তাই
তুমি ভুলে যাও আমাকে।
তোমার Level’র
কাউরে দেখে Engaged
হয়ে যাও।.. ১০ বছর পরের একদিন ...ওই
মেয়েটি আর
ছেলেটি একদিন এক
শপিং Centre
দেখা হয়ে গেলো।
দেখা হবার পর
মেয়েটি বলল,মেয়ে :--Hey,
তুমি !!! কেমন আছ? শোন
আমার
বিয়ে হয়ে গেছে আর
আমার Husband এর বেতন
কতো জানো? ৫০,০০০/- পার
Month !!!.Can you imagine !!!
আর আমার Husband
দেখতেও অনেক স্মার্ট ।
সেইরকম । বুঝলে তুমি !!!
মেয়েটির এমন
কথা শোনে ছেলেটির
চোখে পানি এসে গেলো।.....এর কিছু সময় পরেই
মেয়েটির Husband
চলে আসল। তখনমেয়েটির
কিছু বলার আগেই ওর
Husband
বলতে লাগলো ছেলেটিকে দেখে।
Husband: - আর এ স্যার
আপনি !!
এখানে কি মনে করে !!
তারপরমেয়েটিকে উদ্দেশ্য
করে ওর Husband
বলতে লাগলো....। এ স্যার
এর ২০০ কোটি টাকার
প্রোজেক্ট আমি এ assist
করতেছি। আর মজার
ব্যাপার কি জান !!
স্যার একটা মেয়েকে Love
করত। তাই এখনও পর্যন্ত
বিয়েই করে নাই।
মেয়েটি ক

10/06/2014

যখন মানুষের খুব প্রিয়
কেউ তাকে অপছন্দ,
অবহেলা কিংবা ঘৃণা করে তখন
প্রথম প্রথম
মানুষ খুব কষ্ট পায়
এবং চায় যে সব ঠিক
হয়ে যাক ।
কিছুদিন পর সে সেই
প্রিয়
ব্যক্তিকে ছাড়া থাকতে শিখে যায়

আর অনেকদিন
পরে সে আগের চেয়েও
অনেকবেশী খুশি থাকে যখন
সে বুঝতে পারে যে কারো ভালবাসায়
জীবনে অনেক কিছুই
আসে যায় কিন্তু
কারো অবহেলায় সত্যিই
কিছু আসে যায় না ।

10/06/2014

কাঁদবেন না গল্পটা পড়ে ।
ভালো লাগলে শেয়ার
করুন পাড়ার শেষ হলে ।
একবার প্রেমিক
প্রেমিকা বিয়ে করবে বলে ঠিক
করলো, বিয়ের কয়েক মাস
আগে মেয়েটির
এক্সিডেন্ট হল আর তাঁর
চেহারা পুরো পুরি নষ্ট
হয়ে গেল! এর পর
মেয়েটি ছেলেটিকে লিখল
আমি তোমাকে বিয়ে করতে পারবোনা,কারনআমি
সারাজীবন এমন কুৎসিত
থেকে যাব,তুমি তোমার
জন্য সুন্দরি কোন
মেয়ে খুজে বের কর কারন
আমি তোমার যোগ্য না !
এরপর সে তাঁর প্রেমিক এর
কাছ
থেকে উত্তরপেল"যাই
হোক আমার নিজের ও
একটা সমস্যা হয়েছে আমার
চোখে সমস্যা হয়েছে ডাক্তার
বলেছে আমি অন্ধহয়ে থাকব
এর পরেও
যদি তুমি আমাকে গ্রহন
করতে পারো তাহলে আমি তোমাকে বিয়ে করব!
এভাবেই
তারা বিয়ে করে আর
ভালোবাসা বোঝাপড়া আর
আনন্দে ২০ বছর
পারকরে দেয়...মেয়েটি অন্ধ
স্বামীর চোখের
আলো আর পথ প্রদর্শক
হয়ে থাকে !এরপর একদিন
মেয়েটি মৃত্যু
সজ্জাতে চলে যায় কিন্তু
মন খারাপ
করে ফেলেযে সে তাঁর
প্রিয়তমকে আবার অন্ধ
অবস্থায় ফেলে যাবে !!
শেষ
পর্যন্তসে মারা যায় !
যেদিন সে মারা যায়
সেদিনই তাঁর
স্বামী সবাইকে অবাক
করে দিয়ে চোখ খোলে!
সে বলে "
আমি অন্ধছিলাম
না,আমি ভান করতাম
যে আমি অন্ধ
কারনসে যাতে তাঁর
অসুন্দর চেহারার জন্য
নিজেকে কখনো ছোটমনে করতে না পারে কারন
আমার ভালোবাসা তাঁর
চেহারার
প্রতি ছিলনা,ছিল
তাকে ঘিরেই"

Address

Nabadwip
Krishnagar City

Telephone

8759189431

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ভালোবাসা যা দেয় তারচেয়ে বেশী কেড়ে নেয় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category