Beauty Of West Bengal

Beauty Of West Bengal Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Beauty Of West Bengal, Public & Government Service, Nabadwip.

03/12/2016
@[945183835569658]
28/11/2016

@[945183835569658]

*** LIKE -  Beauty Of West Bengal ****** LIKE -  Beauty Of West Bengal ****** কুমারটুলি : কলকাতার উত্তরভাগে অবস্থিত একটি...
17/03/2016

*** LIKE - Beauty Of West Bengal ***
*** LIKE - Beauty Of West Bengal ***
*** কুমারটুলি :
কলকাতার উত্তরভাগে অবস্থিত একটি অঞ্চল। এই অঞ্চলটি ‘পটুয়াপাড়া’ বা মৃৎশিল্পীদের বসতি অঞ্চল হিসেবে বিখ্যাত। কুমারটুলি অঞ্চলের মৃৎশিল্পীদের দক্ষতার কথা সর্বজনবিদিত। কলকাতার এই অঞ্চল থেকে দেবদেবীর প্রতিমা কেবলমাত্র শহরের সর্বজনীন ও ঘরোয়া পূজার জন্যই সরবরাহ করা হয় না, অনেক ক্ষেত্রেই তা দেশের বাইরেও রপ্তানি করা হয়। কুমারটুলি পশ্চিমবঙ্গের একটি বিখ্যাত হস্তশিল্প (মৃৎশিল্প) কেন্দ্রও বটে।

কুমারটুলি অঞ্চল অতীতের কলকাতার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তির বাসস্থান ছিল। ১৭০০ সালে কুমারটুলির নন্দরাম সেন কলকাতার প্রথম কালেকটর নিযুক্ত হন। তাঁকে ব্ল্যাক ডেপুটি বলা হত।কুমারটুলি অঞ্চলে বর্তমানে তাঁর নামে একটি রাস্তা আছে। পরবর্তী ব্ল্যাক ডেপুটি গোবিন্দরাম মিত্র এই অঞ্চলে ৫০ বিঘা (১৬ একর) জমিতে এক বিরাট প্রাসাদোপম বাড়ি নির্মাণ করেছিলেন।

লৌকিক ছড়ায় উল্লিখিত বনমালী সরকারের বাড়ি ঊনবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত কুমারটুলিতে অবস্থিত ছিল। কুমারটুলিতে তাঁর নামে একটি গলিপথ রয়েছে। এছাড়া কলকাতার বিখ্যাত মৃৎশিল্পীদের অধিকাংশই কুমারটুলিতে বাস করেন।

জনপ্রিয় লেখক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছেলেবেলা কেটেছিল এই অঞ্চলে।

********************

কুমারটুলির শিল্পীদের দুর্গাপ্রতিমার বিশেষ খ্যাতি রয়েছে। বর্তমানকালে কুমারটুলির দুর্গাপ্রতিমাআমেরিকা, ইউরোপ ও আফ্রিকায় প্রবাসী বাঙালিদের কাছে সরবরাহ করা হয়। ১৯৮৯ সালে প্রথম অমরনাথ ঘোষের তৈরি করা শোলার দুর্গাপ্রতিমা সুইডেন,অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া ও নাইজেরিয়ায় পাঠানো হয়। মাত্র তিন কিলোগ্রামের এই প্রতিমাগুলি বিমানযোগে প্রেরণের ক্ষেত্রে আদর্শ ছিল।

২০০৬ সালে কুমারটুলি থেকে ১২,৩০০টি দুর্গাপ্রতিমা সরবরাহ করা হয়। প্রতি বছর বিশ্বের ৯৩টি রাষ্ট্রে কলকাতার এই পটুয়াপাড়া থেকে প্রতিমা প্রেরণ করা হয়ে থাকে। এই সংখ্যা বর্তমানে আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক পূর্ব ইউরোপীয় দেশ, যেখানে পূর্বে ধর্মীয় উৎসব নিষিদ্ধ ছিল, সেখান থেকেও এখন অনেক বরাত আসে। কুমারটুলি শিল্পী সংঘের এক মুখপাত্রের মতে, হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া, রাশিয়া, অস্ট্রিয়া ওপোল্যান্ড থেকে অনেক অনাবাসী ভারতীয় কলকাতায় এসে দুর্গাপ্রতিমা কিনে নিয়ে যান। আবার বেঙ্গলি অ্যাসোসিয়েশন অফ সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া, বেঙ্গলি অ্যাসোসিয়েশন অফ গ্রেটার শিকাগো, দক্ষিণী, সংস্কৃতি, গার্ডেন স্টেট পূজা কমিটি অফ নিউ জার্সি, ইস্ট কোস্ট দুর্গা পূজা কমিটি অফ নিউ ইয়র্ক প্রভৃতি সংস্থার পক্ষ থেকে মার্কিননিবাসী ভারতীয়েরা কুমারটুলিতে এসে প্রতিমা পছন্দ করে নিয়ে যান। এছাড়া কলকাতায় অনাবাসীদের প্রতিমা কেনায় সাহায্য করার জন্য শতাধিক এজেন্টও কাজ করেন।

যদিও কুমারটুলির প্রতিমাশিল্পীরা অনেকেই দারিদ্র্যের মধ্যে দিনযাপন করেন। কুমারটুলির প্রতিমাশিল্পীদের মধ্যে সর্বাধিক জনপ্রিয় হলেন মোহনবাঁশী রুদ্রপাল ও তাঁর দুই পুত্র সনাতন রুদ্রপাল ও প্রদীপ রুদ্রপাল, রাখাল পাল, গণেশ পাল, অলোক সেন, কার্তিক পাল, কেনা পাল প্রমুখ। বর্তমান যুগে ‘থিম শিল্পী’দের রমরমা সত্ত্বেও সনাতন প্রতিমার গুণগ্রাহী আজও কুমারটুলির মৃৎশিল্পীদের দিয়ে প্রতিমা নির্মাণ করান। পুরুষদের পাশাপাশি কুমারটুলিতে প্রায় ৩০ জন মহিলা প্রতিমাশিল্পী রয়েছেন। এঁদের মধ্যে মিনতি পাল, সোমা পাল, কাঞ্চী পাল ও চম্পারাণী পাল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এঁরা দীর্ঘকাল ধরে প্রতিমানির্মাণ শিল্পের সঙ্গে জড়িত।কুমারটুলি অঞ্চলের নিজস্ব সর্বজনীন দুর্গাপূজার সূচনা হয় ১৯৩৩ সালে। সেযুগের বিশিষ্ট প্রতিমাশিল্পী গোপেশ্বর পাল ছিলেন কুমারটুলি সর্বজনীনের প্রতিমার নির্মাতা।

আরো তথ্য পেতে এক্ষুনি লাইক করুন পেজে LIKE ✔
Beauty Of West Bengal

INVITE ✔ Beauty Of West Bengal SHARE ✔
[ বিদ্রঃ নিয়মিত আমাদের পেজের পোষ্টের আপডেট
পেতে প্রতিটা পোস্ট অবশ্যই লাইক, কমেন্ট, শেয়ার
করবেন অন্যথায় ফেসবুকের নিয়ম অনুসারে এই পেজের
পোস্ট আপনার হোম পেজে ধীরে ধীরে আসা বন্ধ হয়ে
যাবে। প্রতিটা আপডেটের নোটিফিকেশান পেতে Get
Notification অপশান অন করে রাখুন। ]

** LIKE - Beauty Of West Bengal **** LIKE - Beauty Of West Bengal **চাণক অন্নপূর্ণা মন্দির : পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা...
14/03/2016

** LIKE - Beauty Of West Bengal **
** LIKE - Beauty Of West Bengal **

চাণক অন্নপূর্ণা মন্দির :
পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ব্যারাকপুর-টিটাগড় অঞ্চলের একটি সুপ্রসিদ্ধ অন্নপূর্ণা মন্দির। ১৮৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মন্দিরটির স্থাপত্য দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়ির অনুরূপ হওয়ার লোকমুখে এটি দ্বিতীয় দক্ষিণেশ্বর নামে পরিচিত। এই মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন জগদম্বা দেবী। মন্দিরটি বঙ্গীয় স্থাপত্যশৈলীর নবরত্ন মন্দির ধারায় নির্মিত। ব্যারাকপুর-টিটাগড় অঞ্চলের প্রাচীন নাম চাণক; সেই সূত্রে এই মন্দিরটি চাণক মন্দির নামে পরিচিত।

মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা জগদম্বা দেবী ছিলেন দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়ির প্রতিষ্ঠাতা রাণী রাসমণির কণিষ্ঠা কন্যা। মন্দিরের নিকটবর্তী প্রাচীন ঘাটটিতে জগদম্বা দেবী প্রথম এসেছিলেন ১৮৭১-৭২ সালে। জগদম্বা দেবীর স্বামী মথুরানাথ বিশ্বাস ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির তৎকালীন চিফ ইঞ্জিনিয়ার সি বি স্লেওয়ার্টের এস্টেটের জমি থেকে বর্তমান মন্দিরের ভূখণ্ডটি তাঁর চার পুত্রের নামে ক্রয় করেন। মথুরবাবুর মৃত্যুর পর জগদম্বা দেবী পুত্রদের কাছ থেকে দানপত্রের মাধ্যমে সেবাইতরূপে এই জমির উত্তরাধিকারিণী হন। এই জমিতে একটি মন্দির প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে রামকৃষ্ণ পরমহংস তাঁর ইচ্ছায় সম্মতি জ্ঞাপন করেন। তারপর অক্লান্ত পরিশ্রম, নিষ্ঠা ও অর্থব্যয়ে নির্মিত এই মন্দিরে দেবীপ্রতিষ্ঠা হয় ১৮৭৫ সালের ১২ এপ্রিল চৈত্রসংক্রান্তির দিন। জমি নির্বাচন, ভিত্তিস্থাপন, মন্দির প্রতিষ্ঠা ও পরে ১৮৮২ সালে উল্টোরথ উপলক্ষে মোট চারবার শ্রীরামকৃষ্ণ এই মন্দিরে আসেন।

জানা যায়, মন্দিরের সিংহদ্বারের উপর একটি সিংহমূর্তির স্থাপনা নিয়ে ব্রিটিশ সরকার মন্দির কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আইনি দ্বন্দ্ব্বে জড়িয়ে পড়ে। ব্রিটিশ রাজশক্তির প্রতীক সিংহ তারা নেটিভদের নিজস্ব মন্দিরে সংযোজন মেনে নিতে পারেনি। কিন্তু দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর আদালত রায় দিয়েছিলেন, সিংহ বিক্রমের প্রতীকরূপে যে কেউ গ্রহণ করতে পারে।

চাণকের মন্দিরটি বঙ্গীয় স্থাপত্যশৈলীর নবরত্ন মন্দির ধারায় নির্মিত। মূলমন্দিরটি দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলে নির্মিত বলে এটি দ্বিতীয় দক্ষিণেশ্বর নামে পরিচিত। দক্ষ শিল্পী না পাওয়ায় দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের মতো এখানেও টেরোকোটার অলংকরণ ব্যবহার করা যায়নি। যদিও এই মন্দিরে সুবিন্যস্ত কার্ণিসগুলিতে পঙ্খের কাজ অত্যন্ত সুনিপূণ।

আরো তথ্য পেতে এক্ষুনি লাইক করুন পেজে Beauty Of West Bengal LIKE ✔

INVITE ✔ Beauty Of West Bengal SHARE ✔
[ বিদ্রঃ নিয়মিত আমাদের পেজের পোষ্টের আপডেট
পেতে প্রতিটা পোস্ট অবশ্যই লাইক, কমেন্ট, শেয়ার
করবেন অন্যথায় ফেসবুকের নিয়ম অনুসারে এই পেজের
পোস্ট আপনার হোম পেজে ধীরে ধীরে আসা বন্ধ হয়ে
যাবে। প্রতিটা আপডেটের নোটিফিকেশান পেতে Get
Notification অপশান অন করে রাখুন। ]

** Like - Beauty Of West Bengal **** Like - Beauty Of West Bengal **রাসমঞ্চ : বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর শহরের একটিপুরাতাত...
02/03/2016

** Like - Beauty Of West Bengal **
** Like - Beauty Of West Bengal **
রাসমঞ্চ : বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর শহরের একটি
পুরাতাত্ত্বিক স্থাপনা। মল্লরাজা বীরহাম্বীর
আনুমানিক ১৬০০ খ্রিষ্টাব্দে এই মঞ্চটি নির্মাণ
করেন। বৈষ্ণব রাস উৎসবের সময় বিষ্ণুপুর শহরের
যাবতীয় রাধাকৃষ্ণবিগ্রহ এখানে জনসাধারণের
দর্শনের জন্য আনা হত। ১৬০০ থেকে ১৯৩২ সাল পর্যন্ত
এখানে রাস উৎসব আয়োজিত হয়েছে।

**** LIKE ✔ COMMENT ✔ SHARE ✔ ****╔══**************═════**************═══╗       ***Like - Beauty Of West Bengal ***╚══*...
29/02/2016

**** LIKE ✔ COMMENT ✔ SHARE ✔ ****
╔══**************═════**************═══╗
***Like - Beauty Of West Bengal ***
╚══**************═════**************═══╝
বেলুড় মঠ :
রামকৃষ্ণ পরমহংসের প্রধান শিষ্য স্বামী বিবেকানন্দ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনেরপ্রধান কার্যালয়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হাওড়াশহরের বেলুড় অঞ্চলে হুগলি নদীর পশ্চিম পাড়ে অবস্থিত বেলুড় মঠ কলকাতা-সন্নিহিত অঞ্চলের অন্যতম দ্রষ্টব্যস্থল।বেলুড় মঠের রামকৃষ্ণ মন্দির রামকৃষ্ণ ভাব-আন্দোলনের প্রাণকেন্দ্র। এই মন্দিরটিহিন্দু, ইসলামি, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান স্থাপত্যের মিশ্রণে নির্মিত একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্য নিদর্শন।

৪০ একর জমির উপর অবস্থিত মূল মঠপ্রাঙ্গনেরামকৃষ্ণ পরমহংস, সারদা দেবী, স্বামী বিবেকানন্দেরদেহাবশেষের উপর অবস্থিত মন্দির ও রামকৃষ্ণ মিশনের সদর কার্যালয় অবস্থিত। এছাড়াও রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের ইতিহাসকে তুলে ধরার লক্ষ্যে একটি সংগ্রহশালাও এখানে স্থাপিত হয়েছে। বেলুড় মঠ-সন্নিহিত একটি প্রাঙ্গনে গড়ে উঠেছে রামকৃষ্ণ মিশন অনুমোদিত বিভিন্ন শিক্ষাকেন্দ্র।স্বামী বিবেকানন্দের পূর্বপরিকল্পনা অনুসারে মন্দিরের নকশা নির্মাণ করেছিলেন রামকৃষ্ণ পরমহংসের অপর সাক্ষাতশিষ্যস্বামী বিজ্ঞানানন্দ। বেলুড় মঠ ভারতের একটি প্রধান পর্যটন আকর্ষণ এবং ভক্তদের নিকট একটি পবিত্র তীর্থ।

বেলুড় মঠ বিভিন্ন স্বাস্থ্য পরিষেবা, শিক্ষা, নারীকল্যাণ, শ্রমিক ও অনগ্রসর শ্রেণীর স্বার্থে গ্রামোন্নয়ন, ত্রাণ, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে।রামকৃষ্ণ পরমহংস, সারদা দেবী, স্বামী বিবেকানন্দের জন্ম ও প্রয়াণতিথি, বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও বড়দিনউৎসব উদযাপন করে এই কেন্দ্র। দুর্গাপূজা, বিশেষত মহাষ্টমীর কুমারীপূজা দেখতে এখানে প্রতি বছর প্রচুর জনসমাগম হয়।

বেলুড় মঠের অভ্যন্তরে দ্রষ্টব্য স্থানগুলি হল : শ্রীরামকৃষ্ণ মন্দির, পুরনো ঠাকুরঘর, স্বামী বিবেকানন্দের বাসকক্ষ, স্বামী ব্রহ্মানন্দ মন্দির, শ্রীমা সারদাদেবী মন্দির, স্বামী বিবেকানন্দ মন্দির, সমাধি পীঠ, পুরনো মঠ, রামকৃষ্ণ মিউজিয়াম ইত্যাদি। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বহিরাগত দর্শক ও পূণ্যার্থীদের দর্শনের নিমিত্ত মঠ ও মন্দিরের দ্বার খোলা রাখা হয়। দেশ ও বিদেশ থেকে বহু মানুষ প্রতিদিন এই মন্দিরে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসেন।

****** আরো তথ্য পেতে এক্ষুনি লাইক করুন পেজে LIKE ✔
INVITE ✔ SHARE ✔
Beauty Of West Bengal
Beauty Of West Bengal

[ বিদ্রঃ নিয়মিত আমাদের পেজের পোষ্টের আপডেট
পেতে প্রতিটা পোস্ট অবশ্যই লাইক, কমেন্ট, শেয়ার
করবেন অন্যথায় ফেসবুকের নিয়ম অনুসারে এই পেজের
পোস্ট আপনার হোম পেজে ধীরে ধীরে আসা বন্ধ হয়ে
যাবে। প্রতিটা আপডেটের নোটিফিকেশান পেতে Get
Notification অপশান অন করে রাখুন। ]

**... Like this picture ,type  - " Jai Hind " **
28/02/2016

**... Like this picture ,type - " Jai Hind " **

Like - Beauty Of West Bengal  ......   .....  ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হল বা ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধ :পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় ...
26/02/2016

Like - Beauty Of West Bengal
...... .....

ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হল বা ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধ :
পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় অবস্থিত রানি ভিক্টোরিয়ার একটি স্মৃতিসৌধ। উল্লেখ্য, ভিক্টোরিয়া ভারতসম্রাজ্ঞী উপাধির অধিকারী ছিলেন। বর্তমানে ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধ একটি জাদুঘর এবং কলকাতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন আকর্ষণ।

বেলফাস্ট সিটি হলের স্থাপত্যশৈলীর আদলে ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধের নকশা প্রস্তুত করেন স্যার উইলিয়াম এমারসন।প্রথমে তাঁকে ইতালিয়ান রেনেসাঁ স্থাপত্যশৈলীতে স্মৃতিসৌধের নকশা প্রস্তুত করতে বলা হলেও, তিনি শুধুমাত্র ইউরোপীয় স্থাপত্যশৈলীর প্রয়োগের বিরোধিতা করেন এবং ইন্দো-সারাসেনিক শৈলীর সঙ্গে মুঘল উপাদান যুক্ত করে মূল সৌধের নকশা প্রস্তুত করেন। ভিনসেন্ট এসচ ছিলেন এই সৌধের অধীক্ষক স্থপতি। সৌধ-সংলগ্ন বাগানটির নকশা প্রস্তুত করেছিলেন লর্ড রেডেসডেল ও স্যার জন প্রেইন। কলকাতার মার্টিন অ্যান্ড কোং সংস্থার উপর নির্মাণকার্যের দায়িত্ব অর্পিত হয়েছিল।

কলকাতা ময়দানের দক্ষিণ কোণে অবস্থিত এবং সুরম্য উদ্যান পরিবেষ্টিত শ্বেতপাথরে নির্মিত সুবৃহৎ ভিক্টোরিয়া স্মৃতিসৌধের নির্মাণকার্য শুরু হয় ১৯০৬ সালে। সৌধটির উদ্বোধন হয় ১৯২১ সালে। সৌধের সর্বোচ্চ গম্বুজে বিউগল-ধারিণী বিজয়দূতীর একটি কালো ব্রোঞ্জমূর্তি রয়েছে। বায়ুপ্রবাহ শক্তিশালী হলে বল-বিয়ারিং যুক্ত একটি পাদপীঠের উপর স্থাপিত মূর্তিটি হাওয়ামোরগের কাজ করে। বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সায়েন্স ইউনিভার্সিটি-প্রাক্তনী এ. সি. মিত্র ভিক্টোরিয়ার নির্মাণপ্রকল্পের কার্যনির্বাহী বাস্তুকার।

   .......     ..........              ::::::} Beauty Of West Bengal {::::::::দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়ি :কলকাতার অদূরে হুগলি...
23/02/2016

....... ..........
::::::} Beauty Of West Bengal {::::::::

দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়ি :

কলকাতার অদূরে হুগলি নদীর তীরে অবস্থিত একটি কালীমন্দির। এটি উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার কামারহাটি শহরের অন্তঃপাতী দক্ষিণেশ্বরে অবস্থিত। ১৮৫৫ সালে প্রসিদ্ধ মানবদরদিজমিদার রানি রাসমণি এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন।এই মন্দিরে দেবী কালীকে "ভবতারিণী" নামে পূজা করা হয়।ঊনবিংশ শতাব্দীর বিশিষ্ট যোগী রামকৃষ্ণ পরমহংস এই মন্দিরে কালীসাধনা করতেন।

কথিত আছে, রানি রাসমণি দেবী কালীর স্বপ্নাদেশ পেয়ে এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। মন্দির প্রতিষ্ঠাকালে রামকৃষ্ণ পরমহংসের দাদা রামকুমার চট্টোপাধ্যায় রানিকে প্রভূত সাহায্য করেছিলেন। রামকুমারই ছিলেন মন্দিরের প্রথম প্রধান পুরোহিত।১৮৫৭-৫৮ সালে কিশোর রামকৃষ্ণ পরমহংস এই মন্দিরের পূজার ভার গ্রহণ করেন।পরবর্তীকালে তিনি এই মন্দিরকেই তাঁর সাধনক্ষেত্ররূপে বেছে নেন।

দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়ি চত্বরে কালীমন্দির ছাড়াও একাধিক দেবদেবীর মন্দির ও অন্যান্য ধর্মস্থল অবস্থিত। মূল মন্দিরটি নবরত্ন মন্দির। এটিটালিগঞ্জের রামনাথ মণ্ডল নির্মিত নবরত্ন মন্দিরের আদর্শে নির্মিত।মূল মন্দির ছাড়াও রয়েছে "দ্বাদশ শিবমন্দির" নামে পরিচিত বারোটি আটচালা শিবমন্দির। মন্দিরের উত্তরে রয়েছে "শ্রীশ্রীরাধাকান্ত মন্দির" নামে পরিচিত রাধাকৃষ্ণ মন্দির এবং মন্দিরের দক্ষিণে রয়েছে নাটমন্দির। মন্দির চত্বরের উত্তর-পশ্চিম কোণে রয়েছে রামকৃষ্ণ পরমহংসের বাসগৃহ।মূল মন্দির চত্বরের বাইরে রামকৃষ্ণ পরমহংস ও তাঁর পরিবারবর্গের স্মৃতিবিজড়িত আরও কয়েকটি স্থান রয়েছে, যা আজ পুণ্যার্থীদের কাছে ধর্মস্থানরূপে বিবেচিত হয়।

ইতিহাস :

১৮৬৫ সালের তোলা ছবিতে দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়ি

১৮৪৭ সালে ধনী বিধবা জমিদারনি রানি রাসমণিদেবী অন্নপূর্ণাকে পূজার মানসে কাশীতে তীর্থযাত্রার আয়োজন করেন। ২৪টি নৌকায় আত্মীয়স্বজন, দাসদাসী ও রসদ নিয়ে তিনি রওয়ানা হন। কিংবদন্তি অনুসারে যাত্রার পূর্বরাত্রে রানি দেবী কালীর স্বপ্নদর্শন পান। দেবী তাঁকে বলেন,

কাশী যাওয়ার প্রয়োজন নেই। গঙ্গাতীরেই একটি নয়নাভিরাম মন্দিরে আমার মূর্তি প্রতিষ্ঠা করে পূজা কর। সেই মূর্তিতে আবির্ভূত হয়েই আমি পূজা গ্রহণ করব।

এই স্বপ্নের পর রানি অবিলম্বে গঙ্গাতীরে জমি ক্রয় করেন এবং মন্দির নির্মাণকাজ শুরু করেন। ১৮৪৭ সালে এই বিরাট মন্দিরের নির্মাণকাজ শুরু হয়; শেষ হয় ১৮৫৫ সালে।

মন্দিরের ২০ একরের প্লটটি জন হেস্টি নামে এক ইংরেজের কাছ থেকে কেনা হয়। লোকমুখে জায়গাটি পরিচিত ছিল সাহেবান বাগিচা নামে। এর একটি অংশ ছিল কচ্ছপাকার মুসলমান গোরস্থান। তাই তন্ত্রমতে স্থানটি শক্তি উপাসনার জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হয়।আটবছরে নয় লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই মন্দির নির্মিত হয়। ১৮৫৫ সালের ৩১ মে স্নানযাত্রার দিন মহাসমারোহে মন্দিরে মূর্তিপ্রতিষ্ঠা করা হয়। পূর্বে মন্দিরের আরাধ্যাকে মাতা ভবতারিনি কালিকা নামে অভিহিত করা হয়েছিল। রামকুমার চট্টোপাধ্যায় প্রধান পুরোহিত পদে বৃত হন, তাঁর ছোটোভাই গদাধর বা গদাই (পরবর্তীকালে রামকৃষ্ণ পরমহংস) তাঁর সহযোগী হন। পরে তাঁর ভাগনে হৃদয়ও তাঁকে সহায়তা করতে থাকেন।

পরের বছরই রামকুমার দেহরক্ষা করেন। শ্রীরামকৃষ্ণ মন্দিরের প্রধান পুরোহিতের স্থলাভিষিক্ত হন। তাঁর সহধর্মিনী সারদা দেবী মন্দির চত্বরের বাইরে নহবতখানায় অবস্থান করতে থাকেন। এই নহবতখানা এখন সারদা দেবীর মন্দির।

এই সময় থেকে ১৮৮৬ পর্যন্ত প্রায় তিরিশ বছর শ্রীরামকৃষ্ণ এই মন্দিরে অবস্থান করেন। তাঁর অবস্থানের কারণে পরবর্তীকালে এই মন্দির পরিণত হয় একটি তীর্থক্ষেত্রে।

স্থাপত্য :

মন্দিরটি বঙ্গীয় স্থাপত্যশৈলীর নবরত্ন স্থাপত্যধারায় নির্মিত। মূল মন্দিরটি তিন তলা। উপরের দুটি তলে এর নয়টি চূড়া বণ্টিত হয়েছে। মন্দির দক্ষিণমুখী। একটি উত্তোলিত দালানের উপর গর্ভগৃহটি স্থাপিত। এই দালানটি ৪৬ বর্গফুট প্রসারিত ও ১০০ ফুট উঁচু।

গর্ভগৃহে (স্যাঙ্কটাম স্যাঙ্কটোরিয়াম) শিবের বক্ষোপরে ভবতারিণী নামে পরিচিত কালীমূর্তিটি প্রতিষ্ঠিত।

মূল মন্দিরের কাছে যে বারোটি একই প্রকার দেখতে পূর্বমুখী শিবমন্দির রয়েছে সেগুলি আটচালাস্থাপত্যরীতিতে নির্মিত। গঙ্গার একটি ঘাটে দুই ধারে এই মন্দিরগুলি দণ্ডায়মান। মন্দির চত্বরের উত্তর-পূর্বে রয়েছে বিষ্ণুমন্দির বা রাধাকান্ত মন্দির। এই মন্দিরে একটি রুপোর সিংহাসনে সাড়ে একুশ ইঞ্চির কৃষ্ণ ও ষোলো ইঞ্চির রাধামূর্তি প্রতিষ্ঠিত।

*** আরো তথ্য পেতে এক্ষুনি লাইক করুন পেজে LIKE ✔
INVITE ✔ SHARE ✔
Beauty Of West Bengal
[ বিদ্রঃ নিয়মিত আমাদের পেজের পোষ্টের আপডেট
পেতে প্রতিটা পোস্ট অবশ্যই লাইক, কমেন্ট, শেয়ার
করবেন অন্যথায় ফেসবুকের নিয়ম অনুসারে এই পেজের
পোস্ট আপনার হোম পেজে ধীরে ধীরে আসা বন্ধ হয়ে
যাবে। প্রতিটা আপডেটের নোটিফিকেশান পেতে Get
Notification অপশান অন করে রাখুন। ]

  ✔   ✔   ✔   ✔=  Beauty Of West Bengal  =আমি বাংলায় গান গাইআমি বাংলার গান গাইআমি, আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে প...
21/02/2016

✔ ✔ ✔ ✔
= Beauty Of West Bengal =

আমি বাংলায় গান গাই
আমি বাংলার গান গাই
আমি, আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই ।।

আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন
আমি বাংলায় বাঁধি সুর
আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেঁটেছি এতটা দূর ।।

বাংলা আমার জীবনানন্দ
বাংলা প্রানের সুর
আমি একবার দেখি, বার বার দেখি, দেখি বাংলার মুখ ।।
আমি বাংলায় কথা কই
আমি বাংলার কথা কই
আমি বাংলায় ভাসি, বাংলায় হাসি, বাংলায় জেগে
রই ।।

আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে
করি বাংলায় হাহাকার
আমি সব দেখে শুনে ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায়
চিৎকার ।।

বাংলাই আমার দৃপ্ত স্লোগান
ক্ষিপ্ত তীর ধনুক
আমি একবার দেখি, বার বার দেখি, দেখি বাংলার মুখ ।।

আমি বাংলায় ভালবাসি
আমি বাংলাকে ভালবাসি
আমি তারি হাত ধরে সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে
আসি ।।

আমি যা কিছু মহান বরণ করেছি বিনম্র শ্রদ্ধায়
মেশে তেরো নদী সাত সাগরের জল গঙ্গায় পদ্মায় ।।

বাংলা আমার তৃষ্ণার জল
তৃপ্ত শেষ চুমুক
আমি একবার দেখি, বার বার দেখি, দেখি বাংলার মুখ
।।
আমি বাংলায় গান গাই
আমি বাংলার গান গাই
আমি, আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই ।।

আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন
আমি বাংলায় বাঁধি সুর
আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেঁটেছি এতটা দূর ।।

বাংলা আমার জীবনানন্দ
বাংলা প্রানের সুর
আমি একবার দেখি, বার বার দেখি, দেখি বাংলার মুখ ।।

Address

Nabadwip

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Beauty Of West Bengal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share