Noor Pur

Noor Pur Beautiful river bank

এই ছবির নাম কেউ দিতে পারেনি।না পাঠক, কেউই পারেনি। এমনকি ছবির চিত্রগ্রাহকও—যিনি ওয়ার্ল্ড প্রেস ফটো’র একজন খ্যাতিমান ফটোগ্...
16/11/2025

এই ছবির নাম কেউ দিতে পারেনি।
না পাঠক, কেউই পারেনি। এমনকি ছবির চিত্রগ্রাহকও—যিনি ওয়ার্ল্ড প্রেস ফটো’র একজন খ্যাতিমান ফটোগ্রাফার—আজীবন নিরব থেকেছেন এই ছবির নাম নিয়ে প্রশ্ন করা হলে। কারণ, এ ছবির নাম দেয়া যেন শব্দকে অপমান করা।

ছবিতে দুইজন মানুষ। একজন মা—সোমায়েহ্ মেহরি, মাত্র ২৯ বছর বয়সী এক তরুণী। আরেকজন তাঁর মেয়ে—মাত্র ৩ বছর বয়সী রানা আফগানিপোর। তাঁরা থাকেন দক্ষিণ ইরানের ব্যাম শহরে।

কিন্তু এক ভয়াল রাতে, তাঁদের সবচেয়ে প্রিয় মানুষটি—সোমায়েহ্'র স্বামী, রানা'র পিতা—অ্যাসিড ছুঁড়ে দিল স্ত্রীর ও সন্তানের শরীরে। ভয়াবহ সেই হামলায় হারিয়ে গেল দুজনের চিরচেনা চেহারা। চিরতরে।

বহু অস্ত্রোপচার, অসংখ্য যন্ত্রণার পর চিকিৎসকেরা তাঁকে ও তাঁর শিশুকে ফিরিয়ে আনলেন মৃত্যুর মুখ থেকে। এরপরই, হাসপাতালের এক নিস্তব্ধ ঘরে, ঘটে এই দৃশ্য—মা ও মেয়ের প্রথম সাক্ষাৎ।
কী অনুভব করেছিলেন সোমায়েহ্, মেয়ের চোখে নিজের নতুন রূপ দেখে?
ফেটে গিয়েছিল কি ছোট্ট রানা’র হৃদয়, নিজের মায়ের এমন এক রূপ দেখে, যাকে সে চিনতে পারছে না?
ফটোগ্রাফার তাঁর ঝাপসা চোখে তুলে নিলেন মুহূর্তটি ক্যামেরায়। চারপাশ তখন নিশ্চুপ কান্নায় ভেসে যাচ্ছিল।

সেই সময়, কোনো ভয় কিংবা দ্বিধা ছাড়াই ছোট্ট রানা ছুটে গেল তাঁর মায়ের দিকে।
সোমায়েহ্ তাঁকে জড়িয়ে ধরলেন বুকের সমস্ত ভালোবাসা দিয়ে।
আর ঠিক সেই মুহূর্তেই, জন্ম নিল এক চুমু—যা হয়তো মানব ইতিহাসে আর কখনও কেউ দিতে পারেনি।
এ ছিল মমতার চুমু। দুঃখের চুমু। অস্তিত্বকে ছুঁয়ে যাওয়ার চুমু।

এই দৃশ্যের কী নাম দেবেন আপনি?

তবুও, মানুষ বেঁচে থাকবে। আরও বিলিয়ন বছর।
তবুও, কোনো একদিন একজন পিতা তাঁর মেয়েকে বুকে জড়িয়ে বলবেন—
"আছি তো মা! আছি তো!"
একজন স্ত্রী আর কখনো ভয়ে কুঁকড়ে দাঁড়াবেন না তাঁর স্বামীর সামনে।
মানবজাতিকে কত বিলিয়ন বছর লাগবে এমন দিন দেখতে?

এই ছবিতে একটি মা—অ্যাসিডে দগ্ধ মুখে—তাঁর মেয়েকে ঘুমের ভেতরে জড়িয়ে ধরে রেখেছেন।
"ভয় লাগে মা?"
পৃথিবী, তুই কী করে উত্তর দিবি?

আর না হোক এমন দৃশ্য।
আর না আসুক এমন সকাল যেখানে ভালোবাসার বদলে এসিড ছুঁড়ে দেয় প্রিয়জন।
মানুষ মানুষকে ভালোবাসুক।
রানা, তুমি ভালো থেকো তোমার মায়ের বুকে।
রূপে কী আসে যায়?

এই ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর চুমু।

Manab Mondal

16/10/2025
আপনার বাড়িতে আগুন না লাগা অব্দি আঙুল চুষুনকেন মমতা ইস্যু ঘোরাতে চাইছেন। কেন দুর্গাপুরে ডাক্তারি ছাত্রী 'গণধর্ষণ' কাণ্ডকে...
16/10/2025

আপনার বাড়িতে আগুন না লাগা অব্দি আঙুল চুষুন

কেন মমতা ইস্যু ঘোরাতে চাইছেন। কেন দুর্গাপুরে ডাক্তারি ছাত্রী 'গণধর্ষণ' কাণ্ডকে 'রাতে মেয়েদের বাইরে বেরোনোর ইস্যুতে' টেনে আনছেন? তার কারণ হচ্ছে এটা, 'ধর্ষক'রা সবাই মমতার দলের পরিচিত তৃণমূলী, এবং এখানেও সেই 'তোলামূলী মুসলিম'রাই দুষ্কৃতী। মুসলিমদের কোথায় নামিয়েছে তোলামূল, কবে শিক্ষিত মুসলিম সমাজ এটা বুঝতে পারবে, কে জানে। বাংলার ভোটাররা কবে বুঝতে পারবে, তৃণমূলের আমলে কোথায় তলিয়ে যাচ্ছে বাংলা? দুষ্কৃতীদের স্বর্গরাজ্য হয়ে গেছে পশ্চিমবঙ্গ। কালীঘাটে বাস করা তথাকথিত 'বাংলার মেয়ে' ছাড়া, এই রাজ্যে কোন নারীই নিরাপদে নেই। কাল আরজিকর, ল কলেজ, আজ মেডিক্যাল কলেজ, কাল আপানার মেয়ের কলেজে আপনার মেয়ে এর শিকার হবে। ততদিন আঙুল চুষুন আর হাসতে থাকুন, যতদিন না এই আগুন আপনার পিছনে, আপনার ঘরে লাগছে.....
Manab Mondal

📌এই সেই পৃথিবী কাঁপানো আলোকচিত্র যা তোলার পর ফটোগ্রাফার নিজেই আত্মহত্যা করেছিলেন! ছবিতে একটি শকুন বসে আছে কঙ্কালসার এক শ...
12/10/2025

📌এই সেই পৃথিবী কাঁপানো আলোকচিত্র যা তোলার পর ফটোগ্রাফার নিজেই আত্মহত্যা করেছিলেন! ছবিতে একটি শকুন বসে আছে কঙ্কালসার এক শিশুর মৃত্যুর অপেক্ষায়, যেন মারা গেলেই সে ঝাঁপিয়ে পড়বে লক্ষ্যবস্তুর উপর! ছবিটি তুলেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার ফটোগ্রাফার কেভিন কার্টার।

১৯৯৩ সালের মার্চ মাস। দুর্ভিক্ষ পীড়িত সুদান। কোথাও একফোঁটা দানা নেই। ক্ষুধার যন্ত্রণায় কাতর শিশুটি এক মুঠো খাবারের সন্ধানে আয়োদ শহর থেকে আধা মাইল দূরে জাতিসংঘের খাদ্য গুদামের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল। এক পর্যায়ে সে তার মৃতপ্রায় নিথর দেহটি নিয়ে উবু হয়ে মাটিতে মাথা রেখে বসে পড়ে। ঠিক তখন পাশ থেকে একটা শকুন লোলুপ দৃষ্টি হেনে শিশুটির মাংস ভক্ষণ করার জন্য প্রতীক্ষা করতে থাকে।

এই ছবি The New York Times প্রকাশিত হলে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ১৯৯৪ সালে সেরা ফিচার ফটোগ্রাফির জন্য পুলিৎজার পুরস্কার জিতে নেয় ছবিটি। কিন্তু ফটোগ্রাফার কেভিন কার্টার পুরস্কার জেতার ৪ মাসের মাথায় মাত্র ৩৩ বছর বয়সে আত্মহত্যা করে বসেন। পরে জানা যায় ছবিটি তোলার পর থেকেই তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন! মৃত্যুর আগে ছবিটির বিষয়ে কেভিন কার্টার তার ডায়রিতে লিখেছিলেন :

"হে পরম করুণাময়, আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি খাবার তা সে যত খারাপ স্বাদেরই হোক না কেন আমি সেটা নষ্ট করব না, এমনকি আমার পেটে ক্ষুধা না থাকলেও না! আমি প্রার্থনা করি, আমরা চারপাশের পৃথিবীর প্রতি আরো সংবেদনশীল হব এবং আমরা আমাদের ভেতরের স্বার্থপরতা এবং সংকীর্ণতা দ্বারা অন্ধ হয়ে যাব না। আমি আরো প্রার্থনা করি, তুমি ওই ছোট্ট ছেলেটিকে রক্ষা করবে, পথ দেখাবে আর ওকে ওর দুঃখ থেকে মুক্তি দেবে। এই ছবি যেন মানুষকে মনে করিয়ে দেয় ওই শিশুটির তুলনায় তারা কতটা ভাগ্যবান, কারণ তোমার করুণা ছাড়া কারো ভাগ্যে একটি দানাও জোটে না। বিদায়!"
Manab Mondal

Address

Noorpur

Telephone

09038369630

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Noor Pur posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share