20/02/2026
“Justice Delayed….Justice Denied” - বহুল প্রচলিত এই উক্তিটি হয়তো সর্বক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
আর তারই উজ্জ্বল প্রমাণ মিললো মহামান্য আদালতের আজকের রায়ে।
খুনের মামলায় যাবজ্জীবন — জঙ্গিপুর পুলিশের সাফল্য।
গত ০৩.১০.২০২৩ তারিখ রাত প্রায় ১০:৩০ ঘটিকায় সুতি থানায় খবর আসে যে, হাপানিয়া এলাকার বাসিন্দা প্রবীর দাসকে গুলি করে খুন করা হয়েছে। মৃতের পিতা জয়দেব দাসের অভিযোগের ভিত্তিতে সুতি থানায় মামলা রুজু হয় এবং তদন্তের দায়ভার পরে এস.আই প্রশান্ত কুমার দাস এর উপর। তিনি মামলার সমস্ত দিক গুরুত্ব সহকারে বিচার-বিশ্লেষণ করে তদন্তে উদ্ঘাটন করেন যে, অভিযুক্ত সৌমেন দাস, আজমাউল সেখ ওরফে সারিফুল ইসলাম এবং মৃতের স্ত্রী রাখি দাসের সাথে যোগসাজশে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করে। তৎকালীন সুতি থানার আই সি শ্রী প্রসূন মিত্রের সহায়তায় তদন্তকারী অফিসার প্রশান্ত কুমার দাস যথাসময়ে তদন্ত সম্পন্ন করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
আজ ২০.০২.২০২৬ তারিখে মাননীয় অ্যাডিশনাল ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট (FTC), 2nd Court, জঙ্গিপুর রায় ঘোষণা করেন। অভিযুক্ত সৌমেন দাস, রাখি দাস ও আজমাউল সেখ ওরফে সারিফুল ইসলামকে ধারা 302/34 IPC অনুযায়ী যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ৫০,০০০ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।
জঙ্গিপুর পুলিশ জেলা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
প্রমাণিত হলো — “দেরিতে হলেও, সুবিচার অবশ্যই মেলে।”