E-Smile Baikhora

E-Smile Baikhora খবরের প্রয়োজনে ছবি নয়। কখনও একটি ছবি ন

14/12/2025
01/04/2025

এক বদ্ধ মাতাল মা*রা যাবার সময় বলে গেলো- আমি সবসময় বিদেশী ব্রান্ডের মদ খেতাম কিন্তু বুঝতে পারিনি আমার লিভারটা লোকাল ছিলো...!!

বই কোথায় পড়বেন?বিভিন্ন সময়ের জরিপ ও মন্ত্যবের হিসেবে, যারা বই পড়তে ভালোবাসেন বা পড়ার ইচ্ছা রাখেন, তাদের মতে সবথেকে বড় বা...
03/03/2025

বই কোথায় পড়বেন?

বিভিন্ন সময়ের জরিপ ও মন্ত্যবের হিসেবে, যারা বই পড়তে ভালোবাসেন বা পড়ার ইচ্ছা রাখেন, তাদের মতে সবথেকে বড় বাধা হচ্ছে- সময়। ব্যস্ততা ও সময়ের অভাবে বই পড়তে পারেন না কিংবা অন্যতম সেরা এই অভ্যাসটি প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে।

আমাদের জীবন প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হচ্ছে। বাড়ছে ব্যস্ততা, হচ্ছে যান্ত্রিক। এর মধ্যে বই পড়ার জন্য আলাদা সময় বের করা সত্যিই কষ্টসাধ্য। তবে আমাদের ইচ্ছাশক্তি থাকলে এবং একটু সচেতনভাবে চেষ্টা করলে, বই পড়ার জন্য আমরা কিছু সময় বের করতে পারি। আজকে আমরা চেষ্টা করবো এরকম কিছু দিক নির্দেশনার কথা আলোচনা করতেঃ

১। বিছানার পাশে বই রাখুনঃ দিনের শেষে ঘুমাবার সময়ে চেষ্টা করুন কয়েকটি পাতা হলেও বই পড়ার। আর ইচ্ছা হওয়ার সাথে সাথে আপনি যেন সেটা কাজে লাগাতে পারেন, এর জন্য বিছানার পাশে হাতের নাগালে বই রাখুন। এতে আপনার পড়ার ইচ্ছাটাও যেমন বাড়বে, পাশাপাশি আপনার সারাদিনের ক্লান্ত মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে শান্ত হয়ে সুনিদ্রা হবে।

২। কর্মস্থলে বই রাখুনঃ আপনি যেখানেই কাজ করুন না কেন, চেষ্টা করুন আপনার হাতের নাগালে বই রাখার জন্য। আপনার অফিসের ডেস্কে বই থাকলে আপনি যখনই ক্লান্ত বোধ করবেন বা ব্রেক নিবেন, তখন আপনি বইয়ের মধ্যে ডুবে যেতে পারবেন। বই কাছে না থাকলে হয়তো ওই সময়টা অন্যভাবে কাঁটিয়ে ফেলবেন।

৩। বই নিয়ে চলাচল করুনঃ চেষ্টা করুন আপনার সাথে বই বহন করার জন্য। আপনি যেখানেই যাচ্ছেন, আপনার সাথে ব্যাগ থাকলে অব্যশই তার ভেতরে একটি বই রাখুন। বর্তমান সময়ে জ্যাম বা নানা কারণে আমাদের দীর্ঘ সময় রাস্তায় থাকতে হয়, তখন যাতে সময়টা অপচয় না করে আমরা বই পড়তে পারি, তার জন্য সবার আগে বই সাথে রাখাটা জরুরী।

৪। অপেক্ষমান জায়গায় বই পড়ুনঃ প্রায় সময়ই আমাদের এমন কিছু জায়গায় যেতে হয়, যেখানে অনুমানের থেকেও বেশি সময় সঙ্গত কারণে লেগে যায়। যেমন, ডাক্তারের চেম্বার, ব্যাংক, সরকারী-বেসরকারী অফিস, বাস-ট্রেন স্টেশন এবং আরও অনেক জায়গায়। কখনো কখনো আমাদের একই জায়গায় ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকতে হয়। সাথে বই থাকলে এই সময় আমরা আনন্দে এবং ভালোভাবে কাটাতে পারি।

৫। অল্প অল্প পড়ুনঃ একবারে বেশি পড়ার জন্য সময় বের করতে না পারলে অল্প অল্প পড়ার চেষ্টা করুন। এতে পড়ার অভ্যাস একদম হারিয়ে যাবে না। খাবার টেবিল, মোবাইল চালানো কিংবা কাজের ফাঁকে ছোট ছোট ব্রেক নিয়ে অল্প অল্প করে পড়া।

৬। ঘুরতে নিয়ে যান বইঃ কোথাও ঘুরতে যাবার সময় চেষ্টা করুন বই সাথে রাখার জন্য। ভ্রমণের সময় ব্যতীত নিশ্চিতভাবে আপনি আরও কিছু সময় পাবেন বই পড়ার। একটু লম্বা ছুটি পেলে চেষ্টা করুন একটি টার্গেট নিয়ে কয়েকটি বই পড়ে ফেলতে।

৭। পরিবেশ তৈরি করুনঃ বই পড়া শুধু একটি অভ্যাস নয়, পরিবেশেরও ব্যাপার। চেষ্টা করুন পরিবারে কিংবা আপনার আশেপাশের মানুষদের মধ্যে বই পড়ার মানসিকতা জাগিয়ে তুলতে। এতে দুই পক্ষই লাভবান হবেন আর পড়ার প্রতি আগ্রহ আসবে।

৮। পাঠাগারে যাতায়াতঃ বই পড়ার জন্য অনেক পাবলিক লাইব্রেরী রয়েছে, সেখানে যাতায়াত এর অভ্যাস গড়ে তুলুন। এছাড়াও চেষ্টা করুন বিভিন্ন ক্লাবের সদস্য হওয়ার জন্য, যাতে পড়ার প্রতি আপনার আগ্রহ বজায় থাকে।

৯। মুক্ত পরিবেশে পড়াঃ বই পড়ার জন্য মুক্ত পরিবেশ পেলে তো কথাই নেই। বাসার ছাদ, খেলার মাঠ কিংবা পার্কে পড়ার মত সুযোগ থাকলে চেষ্টা করুন সেখানে পড়তে। এতে আপনার ভালোলাগা বাড়বে। বর্তমানে অনেক কমিউনিটি গ্রুপ পার্কে বই পড়ার আয়োজন করছে। সময়-সুযোগ থাকলে বোনেরা বোনদের সাথে আর ভাইয়েরা ভাইদের সাথে যোগ দিতে পারেন।

১০। আলাদা জায়গাঃ বই পড়ার জন্য সম্ভব হলে আলাদা জায়গা বা কামরা তৈরি করুন। যেখানে আপনার বইয়ের সংগ্রহশালা তৈরি করুন। নিজেও পড়ুন এবং অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন।

সেরা অভ্যাসগুলোর মধ্যে বইপড়া অন্যতম। বই পড়ার অনেক অনেক উপকার রয়েছে যা আমাদের মানসিক প্রশান্তি থেকে শুরু করে জ্ঞানার্জন পর্যন্ত বিস্তৃত। আপনার পড়ার অভ্যাস থাকলে তা কোনোভাবেই হারাতে দিবেন না। আর হারিয়ে গেলে চেষ্টা করুন ফিরিয়ে আনার জন্য। ফিরিয়ে আনার পথকে সহজ করতে এই পরামর্শগুলো কাজে লাগাতে পারেন। আপনার কাছে কোনো পরামর্শ থাকলে অব্যশই জানাবেন।

সংগৃহীত ❤️

30/01/2025

আরে কি ব্যাপার নান্টু দা, সকাল সকাল থানার সামনে কী করছো? রাতে থানায় ঘুমিয়েছ নাকি? হাসতে হাসতে জিজ্ঞেস করলাম।
নান্টু দা : আরে আমার ভাগ্যটাই খারাপ বুঝলি। গতকাল রাতে বসে ইট ভাট্টাতে আড্ডা দিচ্ছিলাম। কানু একটু কষা মাংস এনেছিলো। অনেকদিন দিন পুরানো মগে গরম জল খাইনি, তাই আর লোভ সামলাতে পারিনি।

"আরে আরে নান্টু দা খারাপ পেয়ো না। আমি দুষ্টামি করে জিজ্ঞেস করলাম যে রাতে থানায় ঘুমিয়েছ নাকি! তুমি নেতা হয়েও এই অবস্হা কেনো করলো পুলিশ? তোমাকে কী ওরা চিনতে পারেনি? তারপর?" আমি জিজ্ঞেস করলাম।

নান্টু দা : মাত্র দুই প্যাগ নিয়েছিলাম। কানু, ঠাণ্ডা বাপি, মৈন্যা এদের সাথে অনেকদিন আড্ডা হয়না। জানিসতো ওরা আমার স্কুল জীবনের বন্ধু। সবাই মোটামুটি সরকারী চাকুরী করছে। মাত্র পোনে নয়টা বেজেছিলো তখন। পুলিশ গিয়ে হাজির। কেতু আমার পরিচিত। কেতু বাবুও এক পেগ নিলো। তারপর খুব দুঃখের সুরে বলল আমাকে গাড়িতে উঠে একটু থানায় যেতে ।

"ওমা, এ আবার কেমন কথা? বাকিদের ছেড়ে তোমায় কেনো যেতে হবে বললো?" কৌতুহল বসত আমি জিজ্ঞেস করলাম।

নান্টু দা : কানু , ঠাণ্ডা বাপি, মৈন্যা ওরা তো সরকারী কর্মচারী, তাই বলির পাঠা আমাকেই বানালো কেতু। সরকারী কর্মচারীদের নাকি প্রেস্টিজ ইস্যু। কেইস পরলে নাকি প্রমোশন হবে না।আমাকেও ছেড়ে দিলে পারতো বুঝলি? কিনতু ওর নাকি কেইসের টার্গেট মিলছে না। আমাকে নাকি অ্যারেস্ট দেখিয়ে ফাইন কালেকশন করতেই হবে। আমি আর ফাইন দিইনি। লক আপেই ঘুমিয়ে পরেছি। তোর বৌদিও বাড়ীতে নেই।

"আজকাল খুব বেশী বাড়াবাড়ি করছে পুলিশ। চৌমুনিতে সকাল সকাল ধর পাকর শুরু করেছে ওরা। বাজারে নেশা কারবারিদের ওপেন উৎপাত চলছে, সেটা ওরা দেখতে পায়না । তির জুয়া ছেয়ে গেছে।একটা নিউজ করতে হবে" -এই কথা বলে আমি একটু নান্টু দার মন ভালো করার চেস্টা করলাম।

নান্টু দা : নিউজ করে কিছু হবে নারে। এস পি সাহেব থানায় বসে আছেন। থানাবাবুদের কুড়ি হাজার টাকার টার্গেট দিয়েছেন আজকে। তাও ক্যাশ কালেকশন করতে হবে। উনি নাকি কুম্ভ স্নানে যাবেন। তাই তো ওরা সকাল সকাল উৎপাত শুরু করেছে। এই সমাজ আর বদলাবে নারে। চল ভূষণ দার দোকানে,চা খাই।

@কলমে সত্যজিৎ

(কাল্পনিক লেখা, কারোর ব্যক্তিগত জীবনের সাথে মিলে গেলে একটা রাজকীয় হরিণ দিয়ে যাবেন)

কবি অভীককুমার দে, আপনি খুব ভালো থাকুন। আপনার চিন্তাভাবনাকে করজোড়ে প্রনাম জানাই। বর্তমান জেনারেশন বই থেকে অনেক দূরে চলে ...
08/10/2024

কবি অভীককুমার দে, আপনি খুব ভালো থাকুন। আপনার চিন্তাভাবনাকে করজোড়ে প্রনাম জানাই। বর্তমান জেনারেশন বই থেকে অনেক দূরে চলে যাচ্ছে। সারাদিন শুধু মোবাইলে ডুবে থাকে। আপনি চাইলেই নিজের জন্য একটি আলিশান রুমও বানাতে পারতেন, কিন্তু সেটা না করে সমাজের জন্য একটি লাইব্রেরী বানিয়েছেন। মানুষ এখন শর্টফিল্ম, রিলস, ওয়েবসিরিজ নিয়ে দৌড়াচ্ছে, যা খুবই ব্যয়সাপেক্ষ। সবার জন্য তৈরি করা সম্ভবও নয়। অথচ আপনার এই পাঠাগার সংলগ্ন ঘরেই রয়েছে নাটক শেখার বিদ্যালয়। রয়েছে গান শেখার ব্যবস্থাও। যা সত্যিই প্রশংসনীয়। সমাজে অনেকেই প্রতিষ্ঠিত রয়েছেন, নিজের জমানো টাকা শুধু নিজের স্বার্থেই খরচ করছেন। নিজের জমানো টাকায় সমাজের জন্য লাইব্রেরী করে আপনি সত্যিই তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতীয়া মহোদয়কে সাধুবাদ জানাই। আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় উনি আপনার পাশে থাকার প্রমিজ করেছেন। সফল হোক আপনার পথ পাঠাগার গড়ার পরিকল্পনা। বই খুব অমূল্য সম্পদ। যার বন্ধু বই, সে নাকি একাকী জীবন কাটিয়ে দিতে পারে। বইয়ের জয় হোক।

আজকাল নেতাদের মধ্যে চেয়ারের লোভ বেড়ে গেছে। সমাজসেবার নামে রাজনীতি আজকাল বেশী একটা চোখে পরে না। পদ আমার চাই, অনুষ্ঠানের...
04/10/2024

আজকাল নেতাদের মধ্যে চেয়ারের লোভ বেড়ে গেছে। সমাজসেবার নামে রাজনীতি আজকাল বেশী একটা চোখে পরে না। পদ আমার চাই, অনুষ্ঠানের শুরুতে মাইকে আমার নাম আসা চাই। শ্মশান হোক বা জনসভা, শ্রাদ্ধ হোক বা পাড়ার কোনও অনুষ্ঠান, আমার একটা চেয়ার চাই। আমার দারা কোনও কাজ হোক আর না হোক,চেয়ার আমার চাই। আজকাল অধিকাংশ নেতাদের এমনই অবস্থা। চেয়ার থাকলে কামাই বানিজ্য চালাতে একটা আলাদা সুবিধা পাওয়া যায়। এই অবস্হা আগেও ছিল একই রকম। রবি ঠাকুরের কথা দিয়ে বুঝা যায়। চেয়ার গ্রহণ করা সহজ, মানে মামা কাকা কেউ বড় পদে থাকলে উনাকে তেল মেরে একটা ছোট পদ দখল করা যায় ঠিকই। কিন্তু ওই চেয়ারের দায়িত্ব, মানে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বিনা স্বার্থে কাজ করা সবার দারা হয় না।

Address

Baikhora
Santirbazar
799148

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when E-Smile Baikhora posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to E-Smile Baikhora:

Share