04/09/2026
কিছু মানুষকে ছোটবেলা থেকেই চিনি, কিন্তু তারা একদিন কতটা দূর যাবে—তা তখন বুঝতে পারিনি! ❤️
নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকের কথা।
আমাদের গ্রামের #ইশগাড়া #প্রাইমারি স্কুল।
সেই ছোট্ট স্কুলেই আমাদের আরও অনেক বন্ধু একসঙ্গে পড়তাম
সেই সময়ের কত স্মৃতি!
স্কুলে যাওয়া, মাঠে খেলাধুলো, টিফিনের সময়ের দৌড়ঝাঁপ, আর সেই ছোট্ট বয়সের কত অকারণ আনন্দ!
আর আমাদের ব্যাচের কেউ কি মধু স্যারকে ভুলতে পারবে? 😄
আমাদের সবচেয়ে রাগী স্যার! 😂
তখন তাঁর বকুনি আর শাসন থেকে বাঁচার কত চেষ্টা—আজ সেসব কথা মনে পড়লে বরং হাসিই পায়।
এরপর সময়ের সঙ্গে জীবন আমাদের সবাইকে আলাদা আলাদা পথে নিয়ে গেল।
আমি কয়েক বছর পর, সম্ভবত ১৯৯৮ বা ১৯৯৯-এর দিকে, ইশগাড়া প্রাইমারি স্কুল ছেড়ে অন্য স্কুলে চলে যাই। কিন্তু সেই স্কুল, সেই বন্ধুরা আর সেই দিনগুলোর স্মৃতি রয়ে যায়।
তারপর অনেক বছর কেটে গেছে।
আমাদের সেই ব্যাচের অনেকেই জীবনে কিছু না কিছু করেছে।
কেউ চাকরি করেছে, কেউ ব্যবসা করেছে, কেউ নিজের পেশায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
কিন্তু মাঝে মাঝে জীবনে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যখন হঠাৎ পুরনো পরিচিত কাউকে নতুন আলোয় দেখতে পাওয়া যায়।
একদিন হঠাৎ চোখে পড়ল খবরটা—
“পুলিশকর্তার দিশায় এগিয়ে স্বপ্নপূরণ সন্তুর”
ছবিটা দেখে কয়েক সেকেন্ড যেন বিশ্বাসই হচ্ছিল না।
এ তো আমাদের Santu
যে ছেলেটার সঙ্গে ছোটবেলায় একই স্কুলে পড়েছি, আজ সে নিজের পরিশ্রমে এমন একটা জায়গায় পৌঁছে গেছে—ভাবতেই ভালো লাগে।
জীবন সত্যিই অদ্ভুত!
ছোটবেলায় পাশাপাশি বসে পড়া মানুষগুলোর ভবিষ্যৎ তখন কেউ জানতাম না। কে কোথায় পৌঁছবে, কে কী করবে—কিছুই বোঝার উপায় ছিল না।
আর তারপর হঠাৎ একদিন দেখা যায়—
আমাদেরই পরিচিত সেই ছেলেটা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। ⭐
ইশগাড়া প্রাইমারি স্কুলের সেই ছোট্ট দিনগুলো আজ অনেক দূরের স্মৃতি।
কিন্তু সেই অতীতেরই একজন আজ নিজের পরিচয়ে উজ্জ্বল।
অভিনন্দন Santu
তোর জন্য সত্যিই গর্ব হয়।