Birbhum District Congress Human Rights, RTI and Legal Cell

  • Home
  • India
  • Suri
  • Birbhum District Congress Human Rights, RTI and Legal Cell

Birbhum District Congress Human Rights, RTI and Legal Cell Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Birbhum District Congress Human Rights, RTI and Legal Cell, Political organisation, Baidyanath Chatterjee Road, Ward No. 2, Suri.

নরেন্দ্র মোদী যখন প্রধানমন্ত্রী হয়ে বসেছিলেন, তখন উনি নিজেকে বিরাট "গান্ধী ভক্ত" দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন। এর কারণ, মহাত্...
17/12/2025

নরেন্দ্র মোদী যখন প্রধানমন্ত্রী হয়ে বসেছিলেন, তখন উনি নিজেকে বিরাট "গান্ধী ভক্ত" দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন। এর কারণ, মহাত্মা গান্ধী গুজরাতি। গুজরাতে ওঁর ভক্ত নরেন্দ্র মোদির ভক্তদের চেয়ে বেশি। যদিও নরেন্দ্র মোদীর গান্ধী ভক্তি "স্বচ্ছ ভারত মিশন"-এর মহাত্মা গান্ধীর চশমার ছবি ব্যবহারেই সীমাবদ্ধ ছিল।

কিন্তু আরএসএস - এর DNA যাবে কোথায় ?

"নাথুরাম গডসে আরএসএস ছিলেন না", আরএসএস নেতৃত্বের এই ক্রমাগত: প্রচারের বিরোধিতা করেছিলেন নাথুরামের ভাই গোপাল গডসে ১৯৯৪ সালের এক সাক্ষাৎকারে।

"আমরা দুই ভাই আরএসএস -এরই লোক। নাথুরাম সরসঙ্ঘচালক গোলওয়ালকরের নামটি গান্ধী হত্যার জবানবন্দীতে ব্যবহার করেন নি গোলওয়ালকরকে বাঁচাতে। "

"মহাত্মা গান্ধী" নামটি বিজেপির কাছে anathema ...

MGNREGA (মহাত্মা গান্ধী রাষ্ট্রীয় গ্রামীণ রোজগার গ্যারান্টি অধিনিয়ম বা মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি এক্ট) বা যাকে ১০০ দিনের কাজ বলে,. তা চরম আর্থিক সঙ্কটের সময় ভারতকে রক্ষা করেছে। শুধু UPA -র আমলে নয়। Covid -এর সময়েও।

কিন্তু বর্তমানে বিজেপি সরকার MNREGA বন্ধ করে দিয়ে VB - G Ram G (বিকশিত ভারত গ্যারান্টি ফর রোজগার এন্ড আজীবিকা মিশন) নামের নতুন স্কিম আনতে চেয়ে সংসদে বিল পেশ করেছে।

কেন এই নতুন তিগ্রম আসলে ১০০ দিনের কাজ বন্ধ করে দেওয়ার কৌশল ?

নরেন্দ্র মোদী সরকার কি ১০০ দিনের কাজকে ১২৫ দিনের কাজে পরিণত করতে চাইছেন না?

উত্তর হলো, নরেন্দ্র মোদী চিরকালই কোনো না কোনো লাভ দেখিয়ে আসলে বৃহত্তর লোকসানের পথে প্রশস্ত করেন।

উনি "সন্ত্রাসবাদ দমন" এবং "কালো টাকা মুক্ত" জাতীয় "লাভ" দেখিয়ে "নোটবন্দী" করেছিলেন। পরে দেখা গেলো ভারতের অর্থনীতিকেই ধসিয়ে দিয়েছেন। পার্থ চ্যাটার্জীদের বাড়ি থেকে সব নরেন্দ্র মোদির ছাপানো টাকা বেরোচ্ছে। পরে ২০০০ টাকার নোটও নরেন্দ্র মোদী বাতিল করে দিলেন।

এখন ওই নিয়ে কেউ কথা বললে ঘাপটি মেরে বসে থাকেন।

"সন্ত্রাসবাদ কম করা"-র নাম করে "৩৭০ ধারা বিলোপ" করলেন। তারপরেই পুলওয়ামা এবং পহেলগাঁও আক্রমণ করালেন।

"ভারতকে ২০২৫ সালের মধ্যে ৫ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি বানাবো" বলে আদানির পেছনে দাঁড়ালেন। আজ ২০২৫ শেষ হতে বসেছে। ভারত ৪ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতিও ঠিক করে হচ্ছে না। এখনো "বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি" না হয়ে পঞ্চম হয়ে বসে আছে।

নরেন্দ্র মোদীর সময় মানব উন্নয়ন সূচক, লিঙ্গ বৈষম্য সূচক , স্বাস্থ্য সূচক, পরিবেশ সূচক, সংবাদমাধ্যম স্বাধীনতা সূচক, সুরক্ষা সূচক কোনো সূচকেই ভারত ভালো কিছু করছে না ডঃ মনমোহন সিংহের সময়ের তুলনায়।

নরেন্দ্র মোদীর আমলেই দিল্লী বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহর। Air Quality Index (AQI) ৫০ এর উপরে উঠলেই অস্বাস্থ্যকর। সেখানে দিল্লী নরেন্দ্র মোদির দলের হাতে যেতেই AQI ৭০০ অব্দি পৌঁছে গেছে। পুরো বিষাক্ত বাষ্পের শহর।

এমনকি "বিশ্বগুরু" বলে পৃথিবী ঘুরে ঘুরেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধ করে দিতে হয়েছে ট্রাম্পের ধমকে। তারপরে পেছনে বিরাট tariff -ও বসে গেছে।

যে ৪ টি শ্রম বিধান নিয়ে এসেছেন তা শ্রমিক সুরক্ষা বিরোধী।

ঠিক তেমনি এই VB - G Ram G-ও আসলে MGNREGA বন্ধ করার চেষ্টা।

(১) আগে ১০০ দিনের কাজের ১০০% টাকা কেন্দ্রীয় সরকার দিতো। কারণ কেন্দ্রীয় সরকার কর সংগ্রহ করতে পারে অনেক বেশি। তাতেই পশ্চিমবঙ্গে গত ৩ বছর ১০০ দিনের কাজের টাকা পাওয়া যায় নি। সারা দেশ জুড়েই ১০০ দিনের কাজ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।

এখন বলা হচ্ছে যে কেন্দ্রীয় সরকার আর ১০০% টাকা দেবে না। ৬০% টাকা কেন্দ্রীয় সরকার দেবে। ৪০% টাকা রাজ্য সরকারকে দিতে হবে।

মমতা ব্যানার্জীর মুখ দেখে মনে হচ্ছে যে ওঁর ওই ৪০% টাকা দেওয়ার ক্ষমতা আছে ?

বিজেপি পরিচালিত রাজ্য সরকার কি করবে সেটা তাঁদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যাপার। কিন্তু এই নতুন নিয়মে বিরোধী দলের রাজ্য সরকার গুলির রাজ্যে ১০০ দিনের কাজ পুরো শেষ হয়ে যাবে।

"কিন্তু নরেন্দ্র মোদী তো ১২৫ দিনের কাজ দেবেন বলছেন"

আরেক জুমলা ! ১০০ দিনের কাজ না দিতে পেরে উনি এখন ১২৫ দিনের কাজ দেখাচ্ছেন। ১২৫ দিনের কাজ দেবেন তো সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও গত ৩ বছরের ১০০ দিনের কাজের টাকা আটকে রেখেছেন কেন ?

এখন তো নতুন নামকরণ করার ফলে সেই টাকা আর দিতেই হবে না।

(২) আগে কর্মদিবস গুণে কেন্দ্রীয় সরকার ঠিক টাকা পাঠিয়ে দিতো। হ্যাঁ, এই সুযোগে তৃণমূল ভুয়ো ১৫ লক্ষ জব কার্ড বানিয়ে টাকা তুলেছে। কিন্তু সেটা বিজেপির যোগী আদিত্যনাথ শাসিত উত্তরপ্রদেশও করেছে। সবচেয়ে বেশি ভুয়ো জব কার্ড উত্তরপ্রদেশে পাওয়া গেছে।

সেটা নিয়ে বিজেপির কোনো উচ্চবাচ্য নেই।

১০০ দিনের কাজ ছিল প্রয়োজন নির্ভর। ভারতের যত গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ হয়েছে বা এই যে শৌচালয় নির্মাণ হয়েছে সব ১০০ দিনের কাজের মাধ্যমে হয়েছে। যেগুলোর কৃতিত্ব নরেন্দ্র মোদী দাবি করেন।

এবারে ওঁরা পুরো স্কিমটিকেই PM Gati-Shakti via বিকশিত গ্রাম পঞ্চায়েত প্রকল্পের সঙ্গে জুড়ে দিতে চাইছেন। এতে যথারীতি বিজেপির পছন্দের পঞ্চায়েত বেশি টাকা পাবে। রাজ্য সরকার বা স্থানীয় প্রশাসনের কোনো বিরাট ভূমিকা থাকবে না। উন্নয়নের ধরনও নির্দিষ্ট নয়।

(৩) ন্যূনতম মজুরি ২৪০ টাকা দেওয়া হবে বলা হচ্ছে , যা ভারতের সব রাজ্যের রাজ্য সরকার নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরির চেয়ে কম। অপ্রশিক্ষিত (Unskilled) কর্মীদের জন্যে পশ্চিমবঙ্গে শহরাঞ্চলে ন্যূনতম মজুরি দৈনিক ৩৯৭ টাকা। গ্রামাঞ্চলে দৈনিক ৩৭৫ টাকা।

অন্য রাজ্যে আরো বেশি। বিহারে সামান্য কম।

কিন্তু ২৪০ টাকা ?

কংগ্রেস ৪০০ টাকা সারা ভারতের ন্যূনতম মজুরির floor price বেঁধে দিতে চাইছে।

কিন্তু নরেন্দ্র মোদী চাইছেন যে, MGNREGA শেষ করে দিতে এই রকম হরেক রকমের ফ্যাকড়া তুলে।

মূল উদ্দেশ্য কিন্তু সেই একটাই , "ভারতের দরিদ্র মানুষের bargaining power টাই শেষ করে দেওয়া। যত মানুষ গরিব হবে, তত ঈশ্বর বিশ্বাসী হয়ে উঠবে। তখন তাঁদের 'লাভারতী' বানিয়ে বিনামূল্যে ৫ কেজি করে চাল - আলু দিলেই হবে। উপরে নরেন্দ্র মোদীর ছবি। দরিদ্র মানুষের ভগবান। সরকার মাই - বাপ। "

"বকশিশ চাই না মালিক, হিসাবের পাওনা চাই"

মানুষকে নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে এই বিজেপি সরকার দেবে না।

জ্বালানির দাম বাড়িয়ে, GST -র মাধ্যমে, পরিষেবার খরচ বাড়িয়ে মানুষের হাতে টাকা রাখতে দেবে না। টাকা থাকবে শুধু আদানি আর আম্বানির হাতে। শেয়ার বাজার manipulate করার জন্যে।

Address

Baidyanath Chatterjee Road, Ward No. 2
Suri
731101

Telephone

+919434306577

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Birbhum District Congress Human Rights, RTI and Legal Cell posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share