Bangladesh Embassy, Kuwait

Bangladesh Embassy, Kuwait Bangladesh Embassy, Kuwait
Messila, Block-7, Street-16, House-91 & 93
PO Box-26607, Code-13084

We welcome you to the Official page of the Embassy of Bangladesh, Kuwait. This page has been developed to keep you updated with the basic information that you may need to know Bangladesh better. We hope, pages on investment opportunities in Bangladesh, trade and commerce, consular and visa procedure as well as events and activities of this mission would help you to understand Bangladesh i

n its real perspective. We intend to keep you updated with the social and cultural activities in this Embassy such as exhibitions, festivals, cultural shows and other events.

কুয়েতে অসুস্থ ও মানবিক সংকটে পড়া বাংলাদেশি নাগরিক মিজ্‌ হামিদা বেগমকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানপূর্বক বাংলাদেশে প্রত্যাবর্...
08/09/2026

কুয়েতে অসুস্থ ও মানবিক সংকটে পড়া বাংলাদেশি নাগরিক মিজ্‌ হামিদা বেগমকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানপূর্বক বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের ব্যবস্থা করেছে কুয়েতস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস।

দূতাবাসের সার্বিক সহযোগিতায় তিনি আজ ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ জাজিরা এয়ারওয়েজের ফ্লাইট নং J9 531K যোগে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। এ সময় দূতাবাসের একজন প্রতিনিধি কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে তাকে বিদায় জানান।

তালিকায় বর্ণিত আইডিসমূহের বিপরীতে ই-পাসপোর্ট (E-Passport) বিতরণের জন্য দূতাবাসে প্রস্তুত আছে। পাসপোর্ট বিতরণের সময়সূ...
07/09/2026

তালিকায় বর্ণিত আইডিসমূহের বিপরীতে ই-পাসপোর্ট (E-Passport) বিতরণের জন্য দূতাবাসে প্রস্তুত আছে। পাসপোর্ট বিতরণের সময়সূচি: অফিস চলাকালীন সময়ে প্রতিদিন সকাল ৯:০০ টা হতে বিকাল ৩:০০ টা পর্যন্ত।
সংযুক্ত সম্মতিপত্রটি পূরণ করে কাউন্টারে জমা দিয়ে কফিল পাসপোর্ট বাহকের অনুপস্থিতিতে নতুন পাসপোর্ট ডেলিভারি গ্রহণ করতে পারবেন।

03/09/2026
বাংলাদেশ দূতাবাস, কুয়েত কর্তৃক ২৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে দূতাবাসের হলরুমে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচরীদের অংশগ্রহণে ঈদ-ই-মিলাদ...
27/08/2026

বাংলাদেশ দূতাবাস, কুয়েত কর্তৃক ২৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে দূতাবাসের হলরুমে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচরীদের অংশগ্রহণে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা:)-২০২৬ পালন করা হয়। পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া উক্ত অনুষ্ঠানে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনান যথাক্রমে দূতাবাসের ডিফেন্স এটাশে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জনাব রাকিবুল করিম চৌধুরী ও প্রথম সচিব ( পাসপোর্ট এবং ভিসা) জনাব মোহাম্মদ আতিকুল মামুন। এরপর মান্যবর রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন ওএসপি, এডব্লিউসি, পিএসসি উক্ত দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে সকলের উদ্দেশ্যে বক্তব্য প্রদান করেন । মান্যবর রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, বিশ্বমানবতার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, শান্তির অগ্রদূত, সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আগমন ইতিহাসের এক মহান মোড় পরিবর্তনকারী ঘটনা। তিনি সমগ্র মানবজাতির জন্য আলোর পথপ্রদর্শক এবং সত্য, ন্যায় ও মানবিকতার প্রতীক হিসেবে বিশ্বে সুপ্রতিষ্ঠিত।


মান্যবর রাষ্ট্রদূত আরো উল্লেখ করেন যে, হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) সকলের জীবন চলার পথের এক নিখুঁত আদর্শ এবং তাঁর চরিত্র, নম্রতা, ধৈর্য এবং মানুষের প্রতি ভালবাসা সকলের জন্য চিরন্তন অনুপ্রেরণা। মোহাম্মদ (সা:) এর জীবনের কর্ম উল্লেখ করে বলেন যে, মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন একাধারে মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন বার্তাবাহক; একজন সংস্কারক; বদর, উহুদ, খন্দক ও মক্কা বিজয়ে যোদ্ধাদের সেনাপতি এবং একজন কূটনীতিবিদ। হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সা.) এর কূটনৈতিক পদক্ষেপগুলো তাঁর নবুয়তের সময়কার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য, যা ইসলাম ধর্মের বিস্তার, মুসলিম রাষ্ট্রের সুরক্ষা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে। তাঁর কূটনৈতিক পদক্ষেপগুলো ছিল অত্যন্ত বিচক্ষণ, দূরদর্শী এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী গৃহীত।


মান্যবর রাষ্ট্রদূত তাঁর বক্তব্যে ৬২২ খ্রিস্টাব্দের মদিনা সনদ ৬২৮ খ্রিস্টাব্দের হুদাইবিয়ার সন্ধি এবং ইসলাম প্রচারে হযরত মোহাম্মদ (সা:) কর্তৃক বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতার কাছে কূটনৈতিক পত্র প্রেরণের কথা উল্লেখ করে বলেন যে, নবুয়তের শেষের দিকে রাসুলুল্লাহ (সা.) বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতার কাছে পত্র প্রেরণ করেন, যেখানে তিনি ইসলাম গ্রহণ করার আহ্বান জানান। এদের মধ্যে ছিল বাইজান্টাইন সম্রাট হেরাক্লিয়াস, পারস্য সম্রাট খসরু, মিশরের রাজা মুকাওকিস, এবং আবিসিনিয়ার সম্রাট নাজাশি। এই পত্রগুলো কূটনৈতিক ভাষায় রচিত ছিল এবং ছিল শান্তিপূর্ণ।


তিনি আরো উল্লেখ করেন যে, হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জীবন, মানবজাতির জন্য এক অনন্য আদর্শ। তাঁর শিক্ষা আমাদেরকে দয়া, সততা, ন্যায়বিচার, বিনয়, ধৈর্য, সহনশীলতা এবং মানবতার সেবার পথ দেখায়। তার বিদায় হজের বাণী পৃথিবীর সকল নারী ও পুরুষের জন্য চিরকালীন এক অনন্য জীবন-নির্দেশিকা। তাঁর প্রদর্শিত আদর্শ আমাদের ব্যক্তিগত জীবন ও কর্মক্ষেত্রে সৎ, নিষ্ঠাবান ও দায়িত্বশীল হতে অনুপ্রাণিত করে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সবসময় উত্তম চরিত্র, মানুষের প্রতি সদাচরণ এবং দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। এপ্রেক্ষিতে মান্যবর রাষ্ট্রদূত সকলকে হযরত মুহাম্মদ (সা.)- মহান আদর্শ অনুসরণ করার এবং দেশ ও মানুষের কল্যাণে আরও নিবেদিতভাবে কাজ করার আহবান জানান।


পরিশেষে, শান্তি, সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ ও বন্ধুপ্রতিম দেশ কুয়েতে শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে এবং মুহাম্মদ (সা.)- মহান আদর্শ অনুসরণ করে সকলের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে আরও উত্তম মানুষ হিসেবে গড়ে উঠার নিমিত্ত বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষ্যে আয়োজিত এই অনষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

Address

Messila, Street/16
Kuwait City
13084

Opening Hours

Monday 08:00 - 16:00
Tuesday 08:00 - 16:00
Wednesday 08:00 - 16:00
Thursday 08:00 - 16:00
Sunday 08:00 - 16:00

Telephone

+96523900913

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Embassy, Kuwait posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Organization

Send a message to Bangladesh Embassy, Kuwait:

Shortcuts

Share