আমঘাটা ইসলামিক জ্ঞান

আমঘাটা ইসলামিক জ্ঞান We have to read the holy Quraan & Hadith

যে ভবিষ্যতের চিন্তা আমাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে, এমনও তো হতে পারে—সেই ভবিষ্যতে আমি নেই।তাই দুশ্চিন্তা নয়, আল্লাহর ওপর তাওয়াক্...
16/08/2026

যে ভবিষ্যতের চিন্তা আমাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে, এমনও তো হতে পারে—সেই ভবিষ্যতে আমি নেই।

তাই দুশ্চিন্তা নয়, আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করি।
যা হওয়ার, আল্লাহর হুকুমেই হবে।
আমাদের কাজ হলো আজকের সময়টুকু আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে কাটানো, নামাজ ও নেক আমলে নিজেকে ব্যস্ত রাখা।

“হতে পারে আগামীকাল আমার জন্য নয়, তাই আজই রবের দিকে ফিরে আসি।”

আল্লাহ আমাদের অতীতের গুনাহ ক্ষমা করুন, বর্তমানকে বরকতময় করুন এবং ভবিষ্যৎকে কল্যাণময় করুন।
আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন।

এমন এক নারীর ঘটনা পড়ুন। যিনি ছিলেন একজন সাহাবী। যিনি আল্লাহর দ্বীন প্রচার করতে গিয়ে মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিলে...
11/07/2026

এমন এক নারীর ঘটনা পড়ুন। যিনি ছিলেন একজন সাহাবী। যিনি আল্লাহর দ্বীন প্রচার করতে গিয়ে মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিলেন। এই মহান নারী নাম উম্মু শারীক (রাঃ)। পড়ুন।
*
মক্কায় চলছে কঠিন সময়। সাহাবীদের উপর চলছে স্টিমরুলার। যখনই কেউ ইসলাম গ্রহণ করছে, তার উপর শুরু হতো নির্যাতন, অপমান ও অত্যাচার। এক টুকরো জাহান্নামের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে যেন। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতিতেও এক সাহসী সাহাবিয়া গোপনে মক্কার নারীদের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দিতেন। তিনি ছিলেন উম্মু শারীক (রাঃ)। (মহান আল্লাহ উনার কবরে অনবরত জান্নাতি রিযিক এবং প্রশান্তি দান করুন)।

তিনি লুকিয়ে লুকিয়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি যেতেন। বলতেন, "এক আল্লাহর ইবাদত করো। তিনি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই। তাগুত বর্জন করো।"
*
একসময় তার এই দাওয়াতি কার্যক্রমের খবর কুরাইশদের কানে পৌঁছে যায়। এরপর উম্মু শারীককে মুশরিকরা ধরে এনে বলে, "এই দাওয়াত বন্ধ করো। ইসলাম ত্যাগ করো।"
*
কিন্তু তিনি সত্যের পথ থেকে একচুলও সরে দাঁরালেন না। আল্লাহর তাওহিদ থেকে এক বিন্দু নড়লেন না। জাহিলিয়াতি কোনো কিছুর দিকেই ঝুকলেন না। (নিঃসন্দেহে যারা এই যুগে গণতন্ত্র, সেকুলারিজম, লিবারিজমের দিকে ঝুঁকে না, আল্লাহর তাওহিদ আকড়ে ধরে থাকে, সেসব নারী পুরুষরা তো এই উম্মু শারীক (রাঃ) এর অনুসারী। এই অনুসরণ জান্নাতে সবাই একত্রিত করবে ইনশাআল্লাহ)।
*
কোনো উপায়েই উম্মু শারীককে জাহিলিয়াতের দিকে টানতে পারলো না ওরা, তাকে তাওহীদের পথ থেকে সরাতে না পেরে এরপর তার উপর শুরু হলো কঠোর নির্যাতন। (প্রিয় পাঠক, কিছুক্ষণের জন্য সেই নি র্যা তনের দৃশ্যটা কল্পনা করুন)

তাকে একটি উটের পিঠে বসিয়ে প্রখর মরুভূমিতে টানা তিন দিন ঘোরানো হয়। তাকে খাবার দেওয়া হয়নি, এমনকি এক ফোঁটা পানিও দেওয়া হয়নি। তৃষ্ণায় তার ঠোঁট শুকিয়ে গেল, চোখ ঝাপসা হয়ে এলো। গায়ের চামড়া যেন তপ্ত গরমে গলে যাচ্ছিল। মনে হচ্ছিল, মৃত্যুই যেন সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। তিনি মহান আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইলেন।
*
ঠিক সেই সময় আল্লাহর রহমত নেমে এলো। তিনি অনুভব করলেন, তার মাথার ওপর পানিভর্তি একটি পাত্র রয়েছে। তিনি সেই শীতল পানি পান করলেন, মুখে দিলেন এবং শরীরে ঢেলে নিলেন। মুহূর্তেই তার প্রাণশক্তি ফিরে এলো।
*
পরদিন কুরাইশরা এসে বিস্ময়ে দেখল, যাকে তারা তৃষ্ণায় মৃত্যুর মুখে ফেলে রেখেছিল, তার মুখে সতেজতার আভা। তারা বলল, "তুমি কি আমাদের পানির মশক খুলে পানি খেয়েছ?"
উম্মু শারীক (রাঃ) উত্তর দিলেন, "না। আল্লাহই আমাকে পানি দিয়েছেন।"

*
যখন গোটা দুনিয়ার দরজা বন্ধ হয়ে যায়। মহান আল্লাহর রহমতের দরজা খুলে দেয় তখন। যখন সাহায্য করার কেউ থাকে না, আল্লাহ তার প্রিয় বান্দা-বান্দীদের সাহায্যের জন্য তার ফেরেস্তা নামিয়ে দেন। যে আল্লাহর হয়ে যায়, যে আল্লাহর জন্য করে তাকে আল্লাহ দুধের শিশুর মতো রহমতের চাদরে আগলে রাখে।
*
উম্মু শারীক (রাঃ) এর মতো নারীরা আমাদের আজকের এই ইসলামকে নিজের জীবন দিয়ে, রক্ত দিয়ে আগলে রেখেছিলেন। প্রজন্মের পর প্রজন্ম এগিয়ে দিয়েছেন।
*
মহান আল্লাহ আমাদের উম্মু শারীক (রাঃ) এর মতো সাহস দান করুন, ঈমান দান করুন, মৃত্যু যেন আমাদের ঈমানের কাছে অসহায় হয়ে পড়ে, আমাদেরকে দ্বীনের প্রতি অটুট এবং অবিচল রাখুন…।

সিয়ামের মধ্যে মানুষের জীবনে কী কী উপকার রয়েছে?
22/02/2026

সিয়ামের মধ্যে মানুষের জীবনে কী কী উপকার রয়েছে?

যাকাত কি, কেন এবং কাকে দিতে হবে?ইসলামের পাঁচটি মৌলিক স্তম্ভের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে যাকাত। যাকাত আদায় ও এর বণ্টন একদিকে যে...
22/02/2026

যাকাত কি, কেন এবং কাকে দিতে হবে?

ইসলামের পাঁচটি মৌলিক স্তম্ভের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে যাকাত। যাকাত আদায় ও এর বণ্টন একদিকে যেমন গুরুত্বপূর্ণ বাধ্যতামূলক ইবাদাত, তেমনি তা সমাজ থেকে দারিদ্র্য দূর করে ন্যায় ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার কার্যকর একটি উপাদানও বটে। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মুসলমানদের জন্য যাকাত আদায় করা ফরজ বা অবশ্য পালনীয়কর্তব্য হিসেবে ঘোষণা করেছেন।
পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে,
“তোমরা সালাত কায়েম করো ও যাকাত আদায় করো এবং যারা রুকূ’করে তাদের সাথে রুকূ’করো।” (সূরা বাকারা হ : আয়াত ৪৩)
পবিত্র কুরআনে আরো বলা হয়েছে,
“(হে রাসূল!), আপনি তাদের সম্পদ থেকে সাদাকা (যাকাত) গ্রহণ করে তাদেরকে পূত-পবিত্র করুন এবং তাদের জন্যে (তাদের সম্পদে) প্রবৃদ্ধি ঘটান।” (সূরা তাওবা হ : ১০৩)
আল্লাহর পথে যারা ব্যয় করে তাদের সম্পদ আল্লাহ কিভাবে বৃদ্ধি করেন সে সম্পর্কে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা কুরআনে বলেছেন,
“যারা আল্লাহর পথে তাদের সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উপমা একটি বীজের মত, যা উৎপন্ন করল সাতটি শীষ, প্রতিটি শীষে রয়েছে একশ’ দানা। আর আল্লাহ যাকে চান তার জন্য বাড়িয়ে দেন। আর আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।” (সূরাহ আল বাকারাহ: আয়াত ২৬১)
যাকাত ফরজ হওয়া সত্ত্বেও যারা যাকাত আদায় করে না তাদের সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (স:) বলেছেন:
“যারা যাকাত আদায় করে না তারা শেষ বিচারের দিনে দেখতে পাবে যে, তাদের সেই সব ধন-সম্পদ ভয়ঙ্কর সাপ হয়ে তাদের দেহ জড়িয়ে ধরছে। এসব বিষাক্ত সাপ তাদের দেহকে কঠিন ভাবে নিষ্পেষিত করবে, ছোবল দেবে এবং বলতে থাকবে-আমরাই তো তোমাদের আহরিত ধন-সম্পদ এবং আমরাই হলাম সেই সব রত্ন সম্ভার, যার প্রতি তোমরা এত আসক্ত ছিলে।”(সহীহ আল বুখারী)
যাকাত যোগ্য ন্যূনতম সম্পদ (নিসাব)
নিসাব হলো ন্যূনতম সেই পরিমাণ সম্পদ, যা কোনো ব্যক্তির মালিকানায় এক চন্দ্র বছর পূর্ণ করার ফলে তাঁর উপর যাকাত ফরজ হয়। যাকাত প্রযোজ্য হয় এমন সম্পদ সমূহ হলোঃ নগদ টাকা, সোনা, রূপা, সব ধরনের বাণিজ্যিক পণ্য, গবাদি পশু ও নির্দিষ্ট কৃষিপণ্য। নিত্যপ্রয়োজনীয় মৌলিকচাহিদা মেটানোর পর এক চন্দ্র বছরের জন্য কমপক্ষে ৮৫ গ্রাম সোনা বা ৫৯৫ গ্রাম রূপা অথবা এর কোনো একটির সমমূল্যের নগদ অর্থ কিংবা অন্যান্য সম্পদ কোনো ব্যক্তির মালিকানায় থাকলে প্রতি যাকাত অর্থবছরে সংশ্লিষ্ট সম্পদ থেকে ২.৫% হারে যাকাত আদায় করা তাঁর উপর ফরজ।
কাদের মাঝে যাকাত বিতরণ করতে হবে
যাকাতের অর্থ পরিশোধের বিষয়ে কুরআন মাজীদে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সূরা তাওবার ৬০ নং আয়াত অনুযায়ী যাদের মাঝে যাকাত বিতরণ করা যাবে তারা হলেন:
১. ফকীর: এরূপ গরীব মানুষ, যার বেঁচে থাকার মত খুব সামান্য সহায় সম্বল রয়েছে বা নেই।
২. মিসকীন: এমন অভাবী, যার রোজগার তার নিজের ও নির্ভরশীলদের অপরিহার্য প্রয়োজনসমূহ মেটানোর জন্য যথেষ্ট নয়।
৩. আমিলীন: প্রাতিষ্ঠানিকভাবে যাকাত সংগ্রহ ও বিতরণ কাজে নিয়োজিত কমচারীবর্গ।
৪. মুয়াল্লাফাতিল কুলূব: এমন নও-মুসলিম যার ঈমান এখনও পরিপক্ক হয়নি; অথবা ইসলাম গ্রহণ করতে ইচ্ছুক এমন কোনো অমুসলিম, যাদের চিত্ত দ্বীন ইসলামের প্রতি আকর্ষিত ও উৎসাহিত করা আবশ্যক। এরূপ ব্যক্তিদের যাকাত প্রদান,করা যাবে, যাতে তারা ঈমান গ্রহণ করে এবং তাদের ঈমান পরিপক্ক হয়।
৫. রিকাব: ক্রীতদাসের দাসত্ব মোচনের জন্য মুক্তিপণ প্রদান।
৬. গারিমীন: ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির ঋণ পরিশোধের জন্য।
৭. ফী সাবীলিল্লাহ: আল্লাহর রাস্তায় নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গ, যারা ইসলামের প্রচার প্রতিষ্ঠায় সক্রিয়ভাবে নিয়োজিত; এবং
৮. ইবনুস-সাবীল: মুসাফিরের পাথেয়, অর্থাৎ-অর্থাভাবে বিদেশ-বিভূঁইয়ে আটকে-থাকা মুসাফির।
যাদেরকে যাকাত দেওয়া যায় না
• নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিককে: যে ব্যক্তি অন্যূন ৮৫ গ্রাম সোনাবা ৫৯৫ গ্রাম রূপার অথবা সমপরিমাণ নগদ অর্থ বা সমমূল্যের অন্যান্য দ্রব্যসামগ্রী বা বাণিজ্য পণ্যের মালিক, তাকে যাকাত প্রদান করা যায় না। এরূপ ব্যক্তির যাকাত গ্রহণ নিষিদ্ধ এবং তা ব্যবহার করা হারাম। নিসাব পরিমাণ সম্পদের অধিকারী কাউকে যাকাত দিলে যাকাত আদায় হবে না, বরং যাকাত আদায়কারীকে পুনরায় যাকাত দিতে হবে।
• নির্দিষ্ট আত্নীয়কে: ব্যক্তি তার আপন মাতা, পিতা, মাতামহ, মাতামহী, পিতামহ ও পিতামহী এবং তাদের পিতা-মাতাকে যাকাত দিতে পারবে না। তেমনিভাবে নিজের পুত্র, কন্যা, দৌহিত্র ও দৌহিত্রীগণ এবং তাদের সন্তানাদিকেও যাকাত দেওয়া যায় না। আবার স্বামী স্ত্রীকে যাকাত দিতে পারবেন না। উক্তরূপ পরিজনবর্গ ছাড়া অন্যান্য আত্নীয়-স্বজন, যথাঃ ভাই-বোন, চাচা-চাচী, মামা-মামী, ফুফা-ফুফু, খালা-খালু, শ্বশুর-শ্বাশুড়ী, চাচাতো-মামাতো-ফুফাতো ভাই-বোন, ভ্রাতুষ্পুুত্র-ভ্রাতুষ্পুত্রী প্রমুখকে যাকাত প্রদান করা যায়। এমনকি স্ত্রী তার স্বামীকেও যাকাত দিতে পারবেন।
• সেবার প্রতিদানে: কোনো ব্যক্তিকে তার কৃত সেবার জন্য প্রতিদান স্বরূপ যাকাত প্রদান করা যায় না। তেমনিভাবে শিক্ষক বা সম্পত্তি তত্ত্বাবধানকারীগণকেও যাকাত দেওয়া যায় না।কর্মচারীকে মজুরি হিসেবে: গৃহভৃত্য বা অন্য কোনো কর্মচারীকে মজুরি হিসেবে যাকাত দেওয়া যায় না। অবশ্য মজুরির অতিরিক্ত উপহার হিসেবে, এবং কোনো বিনিময় বা কৃতজ্ঞতাবোধের প্রত্যাশা ব্যতিরেকে তাদেরকে যাকাত দেওয়া যায়।
• মসজিদে: কোনো মসজিদের নির্মাণ, মেরামত বা রক্ষণাবেক্ষণের উদ্দেশ্যে যাকাত পরিশোধ করা যায় না।
• দাফন-কাফনের ব্যয় নির্বাহে: কোনো মৃত ব্যক্তির দাফন-কাফনের ব্যয় নির্বাহের উদ্দেশ্যে যাকাত ব্যবহার করা যায় না। তবে মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীরা গরীব হয়ে থাকলে যাকাত গ্রহণ করতে পারবেন এবং সেই টাকা থেকে তাদের মৃত আত্নীয়ের দাফন-কাফনের জন্য খরচ করতে পারবেন।
বিবিধ বিষয়
• কোনো ব্যক্তিকে প্রদত্ত যাকাত তার অন্তত এক দিনের প্রয়োজন মেটানোর মতো পরিমাণের চেয়ে কম হতে পারবে না। তাছাড়া যাকাত এমনভাবে দেয়া উচিৎ, যাতে যাকাত গ্রহিতা যাকাতের অর্থ দিয়ে স্থায়ীভাবে দারিদ্রমুক্ত জীবন যাপন করতে পারে।
• যদি কেউ কাউকে যাকাত গ্রহণের উপযুক্ত বিবেচনায় যাকাত দেয়, কিন্তু পরে দেখা গেল, যাকাত গ্রহিতা নিসাব পরিমাণ সম্পদের অধিকারী অথবা যাকাত দাতার সাথে যাকাতগ্রহিতার বিশেষ আত্নীয়তা রয়েছে (যাদের যাকাত দেয়া নিষিদ্ধ), এরূপ ক্ষেত্রে যাকাতদাতার যাকাত আদায় হয়ে যাবে, তাঁকে পুনরায় যাকাত আদায় করতে হবে না।
• কোনো ব্যক্তি যদি যাকাত গ্রহণের জন্য উপযুক্ত না হন, তাহলে তাকে যাকাত দেয়া হলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করবেন অথবা তৎক্ষণাৎ তা যাকাতদাতার নিকট ফেরত দেবেন। কারণ, তার জন্য যাকাত গ্রহণ নিষিদ্ধ।
• যাকাত-এর প্রথম হকদার হলেন গরীব আত্নীয়-স্বজন। তারপর অগ্রাধিকার পাবেন যাকাতদাতার প্রতিবেশীগণ; অতপর, তার বসবাসের গ্রাম/শহর/নগর বা দেশের উপর্যুক্ত রূপের অধিবাসীগণ। অন্য এলাকার লোকদের প্রয়োজন অধিকতর তীব্র ও জরুরী হলে তাদের কাছেও যাকাত প্রেরণ করা যায়।

21/02/2026
21/02/2026

یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا کُتِبَ عَلَیۡکُمُ الصِّیَامُ کَمَا کُتِبَ عَلَی الَّذِیۡنَ مِنۡ قَبۡلِکُمۡ لَعَلَّکُمۡ تَتَّقُوۡنَ ﴿۱۸۳﴾ۙ
ইয়াআইয়ুহাল্লাযীনা আ-মানূ কুতিবা ‘আলাইকুমসসিয়া-মু কামা-কুতিবা ‘আলাল্লাযীনা মিন কাবলিকুম লা‘আল্লাকুম তাত্তাকূন।
হে বিশ্বাস স্থাপনকারীগণ! তোমাদের পূর্ববতী লোকদের ন্যায় তোমাদের উপরও সিয়ামকে অপরিহার্য কর্তব্য রূপে নির্ধারণ করা হল যেন তোমরা সংযমশীল হতে পারো।
O you who believe! Observing As-Saum (the fasting) is prescribed for you as it was prescribed for those before you, that you may become Al-Muttaqun (the pious - see V. 2:2).

সময় নিয়ে জিকির গুলো করবেন অনেক ফজিলত পাবেন! (ইনশা'আল্লাহ)১.সুবহানাল্লহ। (سُبْحَانَ اللّٰهِ)২.আলহামদুলিল্লাহ। (اَلْحَمْ...
21/02/2026

সময় নিয়ে জিকির গুলো করবেন অনেক ফজিলত পাবেন! (ইনশা'আল্লাহ)
১.সুবহানাল্লহ। (سُبْحَانَ اللّٰهِ)
২.আলহামদুলিল্লাহ। (اَلْحَمْدُ لِلَّهِ)
৩.লা ইলাহা ইল্লাল্লহ। (لَا اِلٰهَ اِلَّا اللّٰهُ)
৪.আল্লহু আকবার । (اَللّٰهُ أَكْبَرُ)
৫.আস্তাগফিরুল্লাহ । (أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ)
৬.আল্লহুম্মাগফিরলি। (اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِي)
৭.ইয়া রব্বিগফিরলি। ( يَا رَبِّ اغْفِرْ لِي)
৮.আল্লহুম্মা আজিরনি মিনান-নার।
(اَللّٰهُمَّ أَجِرْنِي مِنَ النَّارِ)
৯.লা হাওলা ওয়ালা ক্বুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
(لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ)
১০.লা ইলাহা ইল্লা আংতা সুবহানাকা ইন্নি কুংতু মিনাজ জলিমীন।
(لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ)
১১.লা ইলাহা ইল্লাল্লহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাঃ
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ مُحَمَّدٌ رَّسُولُ اللّٰهِ ﷺ
১২.আল্লহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আ'উযুবিকা মিনান-নার।
(اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ)
১৩.আল্লহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আ'ফিয়াহ।
(اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ)
১৪. রব্বি ইন্নি জলামতু নাফসী ফাগফিরলি।
(رَبِّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي فَاغْفِرْ لِي)
১৫.আল্লহুম্মা হাসিবনী হিসাবাই ইয়াসীর।
(اَللّٰهُمَّ حَاسِبْنِي حِسَابًا يَسِيرًا)
১৬.ইয়া মুক্বল্লিবাল ক্বুলুব, সাব্বিত ক্বলবী আ'লা দীনিক।
(يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ)
১৭.আসতাগফিরুল্ল-হাল্লাযি লা-ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়ুল ক্বইয়ুম ওয়াতুবু ইলাইহি।
(أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ)
১৮.আল্লহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল হুদা ওয়াস সাদা-দ।
(اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالسَّدَادَ)
১৯.হাসবুনাল্লহ ওয়া নি'মাল ওয়াকিল।
(حَسْبُنَا اللّٰهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ)
২০.আল্লহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম আ'লা নাবিয়্যিনা মুহাম্মদ সাঃ।
( اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ)
২১.আল্লহুম্মারযুকনি শাহাদাতাং ফি সাবিলিক, ওয়ায'আ'ল মাওতি ফি বালাদি রসুলিকা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ।
(اَللّٰهُمَّ ارْزُقْنِي شَهَادَةً فِي سَبِيلِكَ وَاجْعَلْ
مَوْتِي فِي بَلَدِ رَسُولِكَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ)
২২.রব্বি ইন্নি লিমা আংযালতা ইলাইয়্যা মিন খইরিং ফাক্বির।
(رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِير)
২৩.রব্বানাগ-ফিরলি ওয়ালি ওয়ালিদাইয়্যা ওয়ালিল মুমিনিনা ইয়াওমা ইয়াক্বুমুল হিসাব।’
(-رَبَّنَا اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ الْحِسَابُ)
২৪. রব্বানা হাবলানা মিন আজওয়াজিনা ওয়া জুররিয়‍্যাতিনা ক্বুররতা আ'য়ুনিউ ওয়াজ'আলনা লিলমুত্তাক্বীনা ইমামা।
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
২৫.আল্ল-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল 'আ'ফওয়া ওয়াল 'আ-ফিইয়াতা ফিদ্দুনইয়া ওয়াল আ-খিরহ্'
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ
২৬.রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনইয়া হাসানাহ, ওয়াফিল আখিরাতি হাসানাহ, ওয়াক্বীনা আজাবান্নার
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً ، وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةٌ ، وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
২৭.ইয়া হাইয়ু ইয়া ক্বইয়ুম বিরহমাতিকা আস্তাগিস
يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيْتُ
২৮. রব্বির হাম-হুমা কামা রব্বা ইয়ানি সগিরা”
رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَـمَا رَبَّـيَانِـي صَغِيرًا
২৯.রব্বি হাবলি মিনাস সলিহিন।"
رَبِّ هَبْ لِي مِنَ الصَّالِحِينَ
অনবরত এই সমস্ত জিকির গুলোর মাধ্যমে নিজের আমলনামা ভারী করে নিন (ইনশা'আল্লহ)
নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালার স্মরণেই অন্তর সমূহ প্রশান্তি লাভ করে। [সূরা রাদ-২৮]

গর্ভবতী অবস্থায় রোজা Part-2গর্ভবতী অবস্থায় রোজা রাখা একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়। ইসলামি শরিয়ত এবং চিকিৎসা বিজ্ঞান—উভয় ক...
21/02/2026

গর্ভবতী অবস্থায় রোজা Part-2
গর্ভবতী অবস্থায় রোজা রাখা একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়। ইসলামি শরিয়ত এবং চিকিৎসা বিজ্ঞান—উভয় ক্ষেত্রেই মা ও শিশুর নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। আপনার মনের সাধারণ প্রশ্নগুলোর উত্তর নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:

১. গর্ভবতী মায়ের জন্য রোজা রাখা কি বাধ্যতামূলক?ইসলামি বিধান অনুযায়ী, যদি রোজা রাখলে মা বা গর্ভস্থ সন্তানের স্বাস্থ্যের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, তবে গর্ভবতী নারী রোজা ভাঙতে বা পরে কাজা করতে পারেন। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি বিশেষ ছাড়।

২. কখন রোজা রাখা নিরাপদ?এটি মূলত নির্ভর করে আপনার শারীরিক অবস্থা এবং চিকিৎসকের পরামর্শের ওপর।

সাধারণত:প্রথম তিন মাস (First Trimester): এই সময় বমি ভাব, দুর্বলতা এবং পানিশূন্যতার ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়।

দ্বিতীয় তিন মাস (Second Trimester): এই সময়টি তুলনামূলক নিরাপদ মনে করা হয়। তবে অবশ্যই পুষ্টির দিকে নজর দিতে হবে।

শেষ তিন মাস (Third Trimester): বাচ্চার ওজন দ্রুত বাড়ে এবং মায়ের শরীরে প্রচুর ক্যালরির প্রয়োজন হয়। রোজা রাখার আগে অবশ্যই চেকআপ করিয়ে নিতে হবে।
৩. রোজা রাখা অবস্থায় কখন দ্রুত রোজা ভেঙে ফেলা উচিত?
নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে দেরি না করে রোজা ভেঙে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে:
-অতিরিক্ত মাথা ঘোরা বা জ্ঞান হারানোর মতো অবস্থা হলে।
-বাচ্চার নড়াচড়া স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কমে গেলে।
-তীব্র পেট ব্যথা বা লেবার পেইন (প্রসব বেদনা) শুরু হলে।
-প্রচণ্ড তৃষ্ণা এবং প্রস্রাবের পরিমাণ খুব কমে গেলে (পানিশূন্যতার লক্ষণ)।
-ঝাপসা দেখা বা প্রচণ্ড মাথাব্যথা হলে।

৪. রোজা রাখলে যেসব সতর্কতা জরুরি যদি আপনি সুস্থ বোধ করেন এবং রোজা রাখার সিদ্ধান্ত নেন, তবে এই নিয়মগুলো মেনে চলা ভালো:

সেহরি-সেহরি কখনোই মিস করবেন না। এতে জটিল কার্বোহাইড্রেট (যেমন: লাল চাল, ওটস) রাখুন যা দীর্ঘক্ষণ শক্তি দেবে।
ইফতার-অতিরিক্ত ভাজাভুজি ও চিনিযুক্ত শরবত এড়িয়ে ফল, খেজুর এবং সুষম খাবার খান।
পানি-ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত প্রচুর পরিমাণে পানি ও তরল খাবার পান করুন।
বিশ্রাম-দিনের বেলা ভারী কাজ এড়িয়ে চলুন এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন।

৫. রোজা না রাখতে পারলে এর বিকল্প কী?

যদি শারীরিক সমস্যার কারণে রোজা রাখা সম্ভব না হয়, তবে সেই রোজাগুলো পরবর্তীতে সুস্থ অবস্থায় কাজা (একটি রোজার বদলে একটি) করে নিতে হবে। যদি দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতার কারণে কাজা করা অসম্ভব হয়, তবে ফিদিয়া প্রদানের বিধান রয়েছে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: গর্ভবতী অবস্থায় প্রত্যেকের শরীর আলাদাভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায়। তাই রোজা শুরু করার আগে আপনার গাইনোকোলজিস্টের সাথে পরামর্শ করে রক্তে শর্করার মাত্রা এবং বাচ্চার অবস্থান নিশ্চিত করে নেওয়া সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

গর্ভবতী মায়েদের রোজা -Part-1বছর ঘুরে চলে এল আবার রমজান মাস। এই মাসে রোজা রাখা ফরয। কিন্তু গর্ভবতী মায়েদের মধ্যে রোজা নিয়...
21/02/2026

গর্ভবতী মায়েদের রোজা -Part-1

বছর ঘুরে চলে এল আবার রমজান মাস। এই মাসে রোজা রাখা ফরয। কিন্তু গর্ভবতী মায়েদের মধ্যে রোজা নিয়ে অনেক ধরনের প্রশ্ন আসে। কেউ বলে রোজা রাখা যাবে আবার কেউ বলে যাবে না। তবে প্রকৃতপক্ষে রোজা রাখা যাবে কি যাবে না তা নির্ভর করে গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্য ও গর্ভের সন্তানের স্বাস্থ্যে উপর।

ধর্মীয় মতামতঃ

গর্ভাবস্থায় রোজা রাখা না রাখা নিয়ে অনেক মতাভেদ রয়েছে। তবে ইসলামের নিয়মানুসারে,পবিত্র রমযান মাসে আল্লাহ্‌ তালার নির্দেশে গর্ভবতী মায়েদের রোজা রাখার উপর শিথিলতার কথা উল্লেখ আছে।

রোজা রাখার ব্যাপারে যে বিষয়গুলো লক্ষণীয়ঃ

প্রথমত, একজন গর্ভবতী নারী শারীরিকভাবে কেমন অবস্থায় আছেন তার উপর নির্ভর করে রোজা রাখার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। যদি গর্ভবতী মায়ের শরীরি অসুস্থ বোধ করে তবে রোজা রাখা উচিত নয়। কারন এতে তার এবং তার অনাগত শিশুর ক্ষতি হতে পারে।

দ্বিতীয়ত, রোজা রাখার সময়কাল শীতকাল নাকি গরমকাল? যদি গরমকাল হয়, তাহলে গরম আবহাওয়ায় গর্ভবতী মায়ের পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। যা গর্ভবতী মায়ের ও গর্ভের শিশুর ক্ষতির কারণ হতে পারে।

গর্ভবতী মায়েদের শারীরিক কোন সমস্যা না থাকে এবং সুস্থ থাকে তা হলে সে রোজা রাখতে পারবে। কারণ, তিনি যতক্ষণ রোজা রাখবেন ততক্ষণ তার গর্ভের শিশুর প্রয়োজনীয় পুষ্টি তার শরীরে মজুদ থাকে।


রোজা রাখার আগে গর্ভবতী মায়ের পূর্ব প্রস্তুতিঃ

রোজার রাখার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য সর্বপ্রথম একজন গাইনোকোলজিস্টের পরামর্শ নেয়া উচিত।

ডায়াবেটিস, অ্যানেমিয়া এবং প্রি-অ্যাকলেমপসিয়া আছে কিনা পরীক্ষা করে নিতে হবে। ডায়াবেটিস যদি থেকে থাকে তবে রোজা রাখাকালীন সময়ে রক্তে গ্লুকোজ বেড়ে যেতে পারে তখন গর্ভবতী মা ও শিশু মারাত্মক ঝুঁকি পরতে পারে। এছাড়া অ্যানেমিয়া আক্রান্ত মায়েরা শারিরিক দুর্বলতা অনুভব করতে পারেন, তাই অতিমাত্রায় অ্যানেমিয়া আক্রান্ত মায়েদের গর্ভাবস্থায় রোজা না রাখাই ভাল।

রোজা শুরুর পূর্বে একজন পুষ্টিবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে ডায়েট প্ল্যান তৈরি করে রাখতে পারলে ঐ সময়ে গর্ভবতী মায়ের শরীরে পুষ্টি মান অটুট থাকে।

রমজান শুরুর পূর্ব থেকেই কফি, চা (এমনকি গ্রিন টি) এবং চকোলেট খাওয়া কমিয়ে দিতে হবে। কারণ এগুলোতে ক্যাফেইন থাকে, যার ফলে গর্ভবতী মায়েরা রোজার সময় পানি শূন্যতায় ভুগতে পারেন।

রোজা নিয়ে একজন গর্ভবতী মায়ের অনেক চিন্তা থাকে কারণ একদিকে ধর্মীয় মনোভাব আর অন্যদিকে রোজা নিয়ে গর্ভের সন্তানের সুস্থতা নিয়ে ভাবনা। কিন্তু এসব কিছু নির্ভর করে গর্ভবতী মায়ের উপর। একজন গর্ভবতী মা যদি ডাক্তার পরামর্শ নিয়ে সুস্থভাবে এবং রুটিন মাফিক ভাবে সচেতনতার সাথে রোজা রাখতে পারবে। তাই পরিশেষে, রোজা রাখবে কি রাখবে না তা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে গর্ভবতী মায়ের এবং তার গর্ভের সন্তানের স্বাস্থ্যের উপর।

শেষ বিচারের দিন মানুষের গ্রূপিং করা হবে তাদের কৃত আমলের উপর ভিত্তি করে। প্রতিটি জাতি থেকে, প্রতিটি বর্ণ থেকে, প্রতিটি পর...
20/02/2026

শেষ বিচারের দিন মানুষের গ্রূপিং করা হবে তাদের কৃত আমলের উপর ভিত্তি করে। প্রতিটি জাতি থেকে, প্রতিটি বর্ণ থেকে, প্রতিটি পরিবার থেকে ভালো এবং খারাপদের আলাদা করে ফেলা হবে। সেদিন আল্লাহ অপরাধীদের উদ্দেশ্য করে বলবেন- وَ امۡتَازُوا الۡیَوۡمَ اَیُّهَا الۡمُجۡرِمُوۡنَ - ‘হে অপরাধীরা, আজ তোমরা পৃথক হয়ে যাও’। পৃথিবীতে তোমরা ভালো মানুষদের সাথে একত্রে থাকতে। আজ আর থাকতে পারবে না।

শুধু চিন্তা করে দেখুন, যিনি আমাদের আসল অবস্থা জানেন তিনি বলবেন আমি জানি তুমি আসলে কে। আজকে আলাদা হয়ে যাও। আমরা নিজেদেরকে লুকাতে পারি না। অনেক অপরাধী ধার্মিক পরিবারে বসবাস করে আসছে, তাদেরকে সেদিন আলাদা হয়ে যেতে হবে। অনেক অপরাধী মসজিদের পাশেই বসবাস করে আসছে, তাদেরকে সেদিন পৃথক হয়ে যেতে হবে।

একবার ইমাম আবু হানিফা (র) এশার নামাজের পর নফল নামাজে দাঁড়িয়ে এই আয়াত পাঠ করছিলেন, লোকজন সকাল বেলা ফজর পড়তে মসজিদে এসে দেখেন তিনি তখনও একই আয়াত পাঠ করে যাচ্ছেন আর কেঁদে কেঁদে বুক ভাসাচ্ছেন।

আল্লাহ তায়ালা বলেন- "হে বনী আদম, আমি কি তোমাদেরকে এ মর্মে নির্দেশ দেইনি যে, ‘তোমরা শয়তানের উপাসনা করো না। নিঃসন্দেহে সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু’?" (৩৬: ৬০) শয়তান কখনোই তোমাদের সঠিক রাস্তা দেখায় না। সে সর্বদা তোমাদের ক্ষতি করে। তবু তোমরা তার কথা শোনো।

আর আমরা সবাই জানি শয়তান কিসের নির্দেশ দেয়। বিষয়টা কারো কাছেই গোপন নয়। শয়তান সবসময় মন্দ কাজের আদেশ দেয়। যখনই আপনার নিকট দুইটি পথের যে কোনো একটি বেছে নেওয়ার সুযোগ আসে, বুঝবেন, মন্দ পথটাই শয়তানের। সর্বদা।

ফজরের সময় হলে আমাদের সামনে দুইটি পথ এসে হাজির হয়, নামাজ পড়তে মসজিদে যাবো নাকি শুয়ে থাকবো। সালাত আদায় করতে মসজিদে যাওয়া আল্লাহর আদেশ। আর বিছানায় শুয়ে থাকা শয়তানের আদেশ। যখন আল্লাহর রাস্তায় টাকা খরচ করার কথা আসে তখনো মনের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব এসে হাজির হয়। এই দ্বিধা আসে শয়তানের কাছ থেকে। প্রতিটি ক্ষেত্রে আপনি আসলে বলতে পারবেন কোনটা আল্লাহর নির্দেশ আর কোনটা শয়তানের নির্দেশ।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার পদ্ধতি হলো তিনি শুধু আপনাকে শিক্ষা দিবেন, জানিয়ে দিবেন। শয়তানও আপনার উপর জোর খাটাতে পারে না। সে শুধু আপনাকে আহ্বান জানাতে পারে। ক্বিয়ামতের দিন শয়তান আল্লাহকে বলবে, আমি তাদের উপর জোর খাটাইনি। আমি শুধু তাদের আহ্বান জানিয়েছি আর তারা আমার কথা শুনেছে। আমি যদি নামাজ পড়তে যাই শয়তান কি আমাকে জোর করে ধরে রাখতে পারবে? না। সে শুধু আমার মনের মধ্যে মন্ত্রণা দিবে- যেও না, অলস হও, ঘুমাও। কিন্তু আমি যদি যেতে চাই তার পক্ষে কিছুই করা সম্ভব নয়।

একদিন আমি খুবই ক্লান্ত ছিলাম। ক্লাস শেষে খুব দেরি করে বাসায় ফিরলাম। রাতে সামান্য কয়েক ঘন্টা ঘুমানের সুযোগ পেলাম। সম্ভবতঃ দুই ঘন্টা। ফজরের সময় হয়ে গেলো। মসজিদে যেতে ইচ্ছে করছিল না। শয়তান এসে বুঝ দিলো, "তুমি তো এখন ক্লান্ত। বাসায় নামাজ পড়ো।"

এরপর আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ তায়ালা আমাকে সাহায্য করেছিলেন। আমি তখন শয়তানকে বললাম- আচ্ছা, ভালো। আমাকে এখন ওযু করতে দাও। যদি ওযু করার পর ভালো লাগে আমি মসজিদে যাবো। অন্যথায় বাসায় পড়বো। এরপর ওযু করলাম। ওযু করার পর ফ্রেশ ফিল করলাম। এরপর মসজিদে চলে গেলাম।

যদি তার কথা শুনে বিছানায় শুয়ে থাকতাম তাহলে আমি এটা করতে পারতাম না।

শয়তানের বিরুদ্ধে একটি কৌশল আমার খুব কাজে লাগে। আর তা হলো দেরি করানো। শয়তান আমাকে যদি কিছু করতে বলে আমি তখন বলি, হ্যাঁ, এটা করলে খুব ভালো হয়। কিন্তু আমি এটা এখন করবো না। সম্ভবত আগামী কাল করবো। তো, আমি শয়তানের কাছ থেকে কিছুটা সময় নিই। আর আগামী কালের মধ্যে আমি হয়তো কুরআন পড়ি তখন মন পরিবর্তিত হয়ে যায়। তখন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা আমাকে সাহায্য করেন।

কখনো শয়তানের কথা শুনবেন না। যদি কখনো এমন মনে হয় যে, তার কথা শোনা ছাড়া থাকতে পারছেন

Address

Riyadh
12271

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আমঘাটা ইসলামিক জ্ঞান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category