04/11/2026
ভোটের পাঁচ দিন নির্দিষ্ট সিভিক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উদ্বেগ
আবুল খায়ের
ভোট বাংলার সিভিক ভলান্টিয়ার, নাকি পুলিশের নিয়ন্ত্রণ থাকবে—নির্বাচন কমিশন বিশেষভাবে জানিয়ে দিয়েছে, ভোটের কাজে সিভিক পুলিশ, গ্রাম পুলিশ বা সিভিক ভলান্টিয়ারদের কোনওভাবেই মোতায়েন করা যাবে না। এমনকি, ভোটের দিন বা তার আগের দিন ইভিএম নিয়ে কোনও ধরনের ডিউটিতে থাকতে পারবেন না সিভিক ভলান্টিয়াররা।
এদিকে, ভোট শুরুর আগেই সিভিকদের প্রতি বিশেষ নজর রাখতে কমিশনের এই নির্দেশে বিভিন্ন জায়গায় পর্যবেক্ষণ বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে থানায় কর্মরত সিভিক ভলান্টিয়ারদের ক্ষেত্রে যাতে কোনও ধরনের আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ না হয়, তার জন্য পুলিশ প্রশাসন নির্দেশ দিয়েছে। কোনও জায়গায় পুলিশ পর্যবেক্ষণের বাইরে থাকলে তা সঙ্গে সঙ্গে জানাতে বলা হয়েছে।
পুলিশকে যেন কোনওভাবেই ভোট প্রক্রিয়া বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে ব্যবহার না করা হয়—সেই বিষয়েও নির্দেশ রয়েছে। যদিও বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, সিভিক ভলান্টিয়ারদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় জেলা ও কলকাতায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, ভিড় সামলানো এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার কাজে তাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
এদিকে, রাজ্য সরকারের তরফে সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভাতা ও বোনাস বৃদ্ধি করা হয়েছে। আগে যেখানে ভাতা ছিল ১০০০ টাকা, তা বাড়িয়ে ১১০০০ টাকা করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। বোনাসও প্রায় ৭০০০টাকা বাড়ানো হয়েছে।
তবে নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে—সিভিক ভলান্টিয়াররা কোনওভাবেই ভোটের কাজে সরাসরি যুক্ত হতে পারবেন না। তাদের কাজের উপর নজরদারি চালানো হচ্ছে। পুলিশ মহলের একাংশের মতে, জেলা পুলিশের চাহিদা অনুযায়ী সিভিকদের ওপর নির্ভরশীলতা অনেকটাই বেড়েছে, ফলে এই নির্দেশ কার্যকর করা কিছু ক্ষেত্রে কঠিন হয়ে পড়ছে।